মুকুলে 'হ্যাঁ', দিলীপে 'না', মধ্যরাতের বৈঠকে বড় সিদ্ধান্ত বিজেপির

মুকুলে 'হ্যাঁ', দিলীপে 'না', মধ্যরাতের বৈঠকে বড় সিদ্ধান্ত বিজেপির

ভোটে লড়ছেন দিলীপ ঘোষ?ফাইল চিত্র

স্বপন দাশগুপ্ত, লকেট চট্টোপাধ্যায়দেরও ভোটরঙ্গে বিজেপি নামিয়ে আনার পর তাঁর প্রার্থী হওয়া নিয়ে জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে।

  • Share this:

    #কলকাতা: প্রতি মূহূর্তে জল্পনা তাঁকে নিয়ে। কেউ বলছেন তিনিই মুখ্যমন্ত্রী পদের দাবিদার, কেউ বলছেন নেপথ্যনায়ক হিসেবেই স্বচ্ছন্দ্য তিনি। এদিকে স্বপন দাশগুপ্ত, লকেট চট্টোপাধ্যায়দেরও ভোটরঙ্গে বিজেপি নামিয়ে আনার পর তাঁর প্রার্থী হওয়া নিয়ে জল্পনা আরও জোরালো হয়েছে। আপাতত সেই সব জল্পনাতেই জল ঢালছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি নিজে মুখেই জানান এবার ভোটে প্রার্থী নন তিনি।

    দিলীপ ঘোষের কথায়, আমি এই ভোটে লড়াই করছি না। দলের তরফেই এই সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিজেপি মোট চারদফার প্রার্থী ঘোষণা করেছ। আরও চার দফায় ১৬৭ জন প্রার্থী কে বা কারা তাই নিয়ে দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গে দলের সদর দফতরে গভীর রাত পর্যন্ত আলোচনা হয় কেন্দ্রীয় নির্বাচনী কমিটির সদস্যদের মধ্যে। সেই আলোচনায় নাম উঠে আসে বেশ কয়েকটি নাম। স্থির হয় আরও বেশ কিছু সাংসদকে বিধানসভার ময়দানে নামানো হবে। সূত্রের খবর হাবড়ায় লড়বেন শান্তনু ঠাকুর। রানাঘাট থেকে লড়তে পারেন সাংসদ আরেক সাংসদ জগন্নাথ সরকার। সূত্রের খবর, দল মুকুল রায়কেও ভোট ময়দানে আরও একবার দেখতে চায়। হয়তো কৃষ্ণনগর থেকেই প্রার্থী হবেন মুকুল রায়। কিন্তু এই তালিকায় দিলীপ ঘোষের নাম নেই।

    প্রসঙ্গত দিলীপ ঘোষের গড় খড়্গপুর সদর আসনটি নিয়েও জল্পনার অন্ত ছিল না। বিজেপি সেই আসনটিতে দাঁড় করায় টলিউড তারকা হিরণকে। তাঁর হয়ে প্রচারে আসেন অমিত শাহও। ২০১৬ সালে কংগ্রেসের জ্ঞান সিং সোহনপালকে হারিয়ে খড়গপুর সদরে বিধায়ক হন দিলীপ ঘোষ। পরে ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে লড়াই করার জন্য কেন্দ্রটি ছাড়েন দিলীপ। পরে উপনির্বাচনে এই কেন্দ্রে হারে বিজেপি। সেই কারণেই দলীয় সমর্থকদের মাথাব্যথা ছিল এই আসনটিকে ঘিরে।

    Published by:Arka Deb
    First published:

    লেটেস্ট খবর