corona virus btn
corona virus btn
Loading

‘খাবার পাতে চাটনি ভাল কিন্তু শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর’, মুকুল রায়কে চাটনির সঙ্গে তুলনা দিলীপের

‘খাবার পাতে চাটনি ভাল কিন্তু শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর’, মুকুল রায়কে চাটনির সঙ্গে তুলনা দিলীপের
দিলীপ ঘোষ

‘খাবার পাতে চাটনি ভাল কিন্তু শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর’, মুকুল রায়কে চাটনির সঙ্গে তুলনা দিলীপের

  • Share this:

#কলকাতা: দলে যোগ দিতে না দিতেই মুকুল রায়ের উদ্দেশ্যে কটাক্ষ হানলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ ৷ সরাসরি কোনও মন্তব্য না করলেও রাজ্য বিজেপির অন্যতম শীর্ষ নেতৃত্ব বুঝিয়ে দিলেন, মুকুল রায় বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় আদপে দলের ক্ষতিই হবে ৷

ঝাড়গ্রামের জেলা পার্টি অফিস উদ্বোধন করতে এসে প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মুকুল রায়ের বিজেপিতে যোগদান সম্পর্কে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘খাবার পাতে ডাল, ভাত, তরকারির পর চাটনি হলে ভাল লাগে কিন্তু এই চাটনি আসলে শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর। তবু ভাল লাগার জন্য আমরা খাই।’

এতেই শেষ মুকুল রায়ের নারদা যোগ নিয়েও দিলীপ ঘোষ কটাক্ষ করে বলেন, ‘ঝড় উঠলে অনেক লতাপাতা মন্দিরের মাথায় এসে পড়ে কিন্তু আবার তাকে ঝেড়ে ফেলে দেওয়াও হয়। মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রমাণিত হলে দল ব্যবস্থা নেবে।’

দিলীপ রায়ের এদিনের মন্তব্য ফের স্পষ্ট বিজেপি শিবিরের মতানৈক্য ৷ রাজ্য বিজেপিতে ঘাসফুলের এই চাণক্যের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েই যাচ্ছে ৷ উল্লেখ্য, দিল্লিতে বিজেপিতে আনুষ্ঠানিক যোগদানের পর সোমবারই কলকাতা ফিরছেন মুকুল রায় ৷

প্রথম থেকেই মুকুল রায়ের গেরুয়া শিবিরে যোগদান নিয়ে রাজ্য বিজেপির একাংশের আপত্তি ছিল ৷ কিন্তু দীর্ঘদিন দিল্লিতে মাটি কামড়ে পড়ে থেকে নিজের লক্ষ্যপূরণ করলেন মুকুল রায়। একসময় তৃণমূলের হয়ে বিজেপির বিভিন্ন নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন তিনি। ফলে সেই সুযোগটাই কাজে লাগিয়েছেন। রাজ্যে নয়, বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে দিল্লিতে যোগদান। বেশকিছু হার্ডল পেরিয়ে অবশেষে শুক্রবারই বিজেপিতে যোগ দেন মুকুল রায় ৷ কিন্তু কোন পরিস্থিতে এই যোগদান? কেনই বা রাজ্য বিজেপির একাংশের আপত্তি তাঁকে নিয়ে?

---সারদা ও নারদ দূর্নীতিতে অভিযুক্ত মুকুল রায় -- তৃণমূলের সংগঠনে আর কোনও ভূমিকা ছিল না -- সঙ্গী হিসাবে কোনও এমপি-এমএলএ নেই -- নিজেকে বাঁচাতেই বিজেপিতে ঢোকার চেষ্টা - নিজে কোনও দিন ভোটে জেতেননি

সবথেকে বেশি আপত্তি ছিল আরএসএসের একাংশের। কিন্তু ভোট রাজনীতিতে হিমন্ত বিশ্বশর্মা বা সুখরামের মত মুকুলেই হাতিয়ার ভাবছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। আদতে তৃণমূলের তরফে এই মুহূর্তে মুকুলকে নিয়ে বাড়তি কোনও আশঙ্কাই নেই। সঙ্গী একেবারে নীচু তলার কয়েকজন কর্মী ৷ ২ বছর ধরে সংগঠনের কোনও দায়িত্বে ছিলেন না ৷ বরং গেরুয়া শিবিরে তাঁর যোগদানের পর তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি আড়ালের অভিযোগ আরও জোরালো হল ৷

তৃণমূল নয়, এবার উপদলের লড়াই শুরু হবে বিজেপিতে ৷ ১০ নভেম্বর বিজেপির জনসভায় মুকুল রায় ও বিজেপি, উভয়পক্ষই নানা যুক্তি তুলে ধরবে। কিন্তু পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে অ্যাসিড টেস্ট। দুপক্ষই বুঝে নেবে, কার লাভ, কার ক্ষতি।

First published: November 5, 2017, 6:08 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर