উনি পদত্যাগ করলে রাজ্যবাসীরই ভাল হত, মন্তব্য দিলীপ ঘোষের

Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Jul 05, 2017 12:45 PM IST
উনি পদত্যাগ করলে রাজ্যবাসীরই ভাল হত, মন্তব্য দিলীপ ঘোষের
Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Jul 05, 2017 12:45 PM IST

#কলকাতা: রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রাজ্যপাল জানতেই পারেন। তাঁকে কেন্দ্রীয় সরকারকে রিপোর্ট দিতে হয়। রাজ্যপালের বিরুদ্ধে যেসব কথা বলা হচ্ছে, সেটাও অনভিপ্রেত। প্রতিক্রিয়া বিজেপি নেতা মুক্তার আব্বাস নকভির।

ফোন এসেছিল রাজভবন থেকে রাজ্যের প্রশাসনিক কেন্দ্র নবান্নে। আর রাজ্যের দুই সাংবিধানিক প্রধানের টেলিফোনিক কথোপকথনেই তৈরি হয়েছে বেনজির বিতর্ক। চরম সংঘাত। রাজ্যপালের বিরুদ্ধে টেলিফোনে হুমকি দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন চরম অপমানিত ও আহত হয়েছেন তিনি।

এরপরই বুধবার সকালে এবার রাজ্যপালের তীব্র সমালোচনা করলেন পরিষদীয় মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়। রাজ্যপালের এই ধরনের আচরণ অনভিপ্রেত। রাজভবন কখনও বিজেপি-র আস্তানা হতে পারে না বলে জানান পার্থ ৷

এর পরেই পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানান বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ৷ এদিন তানা জানান, ‘রাষ্ট্রপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিতেই পারেন ৷ ওঁর সেই অধিকার আছে ৷ সংবাদমাধ্যমে বিবৃতি না দিয়ে ৷ আগেই চিঠি দেওয়া উচিত ছিল ৷ মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে তিনি বলে যদি রাজ্যপাল থ্রেট দিয়ে থাকে তাহলে মুখ্যমন্ত্রী FIR করতে পারেন ৷ উনি তো মাঝে মধ্যেই এফআইআর করে থাকেন ৷

গতকাল মুখ্যমন্ত্রী জানান রাজ্যপালের ব্যবহারের তিনি এতটাই আহত যে এক সময় পদত্যাগের কথা ভেবেছিলেন ৷ এই বিষেয়ে দিলীপ জানান, ‘উনি পদত্যাগ করলে রাজ্যবাসীরই ভাল হত ৷ মুখ্যমন্ত্রী সাংবিধানিক সীমা লঙ্ঘন করেছেন ৷ ওঁর ক্ষমা চাওয়া উচিত ৷ ’

বুধবাক রাজভবন বিজেপির আস্তানা বলে কটাক্ষ করেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ৷ এর পরিপ্রেক্ষিতে দিলীপ ঘোষ জানান, ‘সব বিরোধী দলই রাজ্যপালের কাছে যাচ্ছে ৷ সরকারের উপর আস্থা নেই বলেই যাচ্ছে ৷ বিচার পেতে সকলে রাজ্যপালের কাছে যাচ্ছে ৷ মুখ্যমন্ত্রী সমস্যার সমাধান করতে পারছেন না ৷ তাই পাহাড় থেকে সুন্দরবন অশান্ত ৷’ তিনি আরও বলেন, ‘রাজ্যপালের কাছে যদি খবর থাকে ওখানে শাসকদল গন্ডগোল পাকিয়েছে ৷ তাহলে ওঁর বলার অধিকার আছে ৷’

First published: 12:45:51 PM Jul 05, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर