ওয়েব সিরিজ দেখেই কি আত্মহত্যার প্রবণতা ? কৃতিকা মৃত্যু তদন্তে উঠে আসছে একাধিক প্রশ্ন

Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Jun 22, 2019 02:13 PM IST
ওয়েব সিরিজ দেখেই কি আত্মহত্যার প্রবণতা ? কৃতিকা মৃত্যু তদন্তে উঠে আসছে একাধিক প্রশ্ন
representative image
Bangla Editor | News18 Bangla
Updated:Jun 22, 2019 02:13 PM IST

#কলকাতা: ওয়েব সিরিজ দেখেই আত্মঘাতী ছাত্রী? জনপ্রিয় ১টি ওয়েব সিরিজ প্রিয় ছিল কৃতিকার। সেই ওয়েব সিরিজ দেখেই আত্মহত্যার প্রবণতা? আত্মহত্যার পদ্ধতি কোথায় শিখল ছাত্রী? ইন্টারনেট ঘেঁটেই কি  আত্মহত্যার পদ্ধতি শিখেছিল?  যত পুলিশি তদন্ত এগচ্ছে, উঠে আসছে হাজারো প্রশ্ন।

গতকাল, শুক্রবার দক্ষিণ কলকাতার এক নামী স্কুলে আত্মহত্যা করে দশম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী কৃতিকা পাল । শৌচাগার থেকে হাতের শিরা কাটা এবং মুখে প্লাস্টিত জড়ানো অবস্থায় উদ্ধার করা হয় তাকে। তখনও কৃতিকা বেঁচে ছিল। তাকে সঙ্গে সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হয় যাদবপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের জেরে সেখানেই কিছুক্ষণ পরে তার মৃত্যু হয়।

ডিসি ডিডি স্পেশালের নেতৃত্ব শুরু হয়েছে তদন্ত। কৃতিকার বাবার মোবাইল, ল্যাপটপ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কী নিয়ে অবসাদে ভুগছিল মেধাবী ছাত্রী? ব্যক্তিগত কারণে অবসাদে ছিল কৃতিকা? কৃতিকার বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলবেন গোয়েন্দারা। কৃতিকার ব্যবহার করা জিনিসও খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে।

পাটুলোর বাসিন্দা কৃতিকা। দক্ষিণ কলকাতার এই স্কুলে সে মর্নিং সেকশনে পড়ত। ছুটি হয় তিনটে কুড়িতে।শুক্রবার দুপুরে কয়েকজন ছাত্রী স্কুলের শৌচাগারে যায়, দেখে শৌচাগারের দরজা বন্ধ। সঙ্গে সঙ্গে তারা শিক্ষকদের খবর দেয়। ভাঙা হয় দরজা...শৌচাগারে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে মেধাবী ছাত্রী কৃতিকা। বাঁ হাতের শিরা কাটা। মুখ থেকে গলা পর্যন্ত প্লাস্টিক জড়ানো। পাশেই ছিল ৩ পাতার সুইসাইড নোট। বাবা-মায়ের প্রতি ক্ষুব্ধ ছিল কৃতিকা, সুইসাইড নোটে সেই ক্ষোভের উল্লেখ রয়েছে, রয়েছে আত্মহত্যার বিস্তারিত বিবরণও। এই বিষয়টিও ভাবাচ্ছে গোয়েন্দাদের। স্কুলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজে কৃতিকার গতিবিধি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ফুটেজে দেখা যায়, ব্লেড,প্লাস্টিক পকেটে ভরছে কৃতিকা। পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, সুইসাইড নোটের হাতের লেখার সঙ্গে পরীক্ষার সময় কৃতিকার হাতের লেখা মেলানো হবে। দেখা হবে কয়েকজন শিক্ষিকার হাতের লেখাও ।

First published: 02:13:19 PM Jun 22, 2019
পুরো খবর পড়ুন
Loading...
अगली ख़बर