Home /News /kolkata /
Moulana Abul Kalam Azad University || হাইকোর্টে স্বস্তি, বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্বস্তি! অপসারিত না হয়েও উপাচার্যের ঘরে জায়গা পেলেন না সৈকত মৈত্র

Moulana Abul Kalam Azad University || হাইকোর্টে স্বস্তি, বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্বস্তি! অপসারিত না হয়েও উপাচার্যের ঘরে জায়গা পেলেন না সৈকত মৈত্র

হাইকোর্টে স্বস্তি, বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্বস্তি

হাইকোর্টে স্বস্তি, বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্বস্তি

Moulana Abul Kalam Azad University || গত চার বছর ধরে মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে রয়েছেন সৈকত মৈত্র। গত বছর ওই পদেই তাঁর মেয়াদ বাড়ানো হয়।

  • Share this:

    #কলকাতা: একই বিশ্ববিদ্যালয়ে দুজন উপাচার্য! একজন উপাচার্যের ঘরে বসে, আর একজন লাউঞ্জে৷ মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্র এখন এটাই। অধ্যাপক সৈকত মিত্র এই বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন। তাঁকে সরিয়ে জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মলয়েন্দু সাহাকে ১ তারিখ থেকে উপাচার্যের পদে বসানো হয়। বিষয়টি নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে দ্বারস্থ হন সৈকত মিত্র। কলকাতা হাইকোর্ট তাঁকে উপাচার্য পদে বহাল থাকার নির্দেশ দেন। তবে এই মুহূর্তে মলয়েন্দু সাহা উপাচার্যের ঘরে বসে আছেন, আর সৈকত মিত্র অপেক্ষা করছেন লাউঞ্জে। অভিযোগ, তাঁকে উপাচার্যের ঘরে বসতে দেওয়া হচ্ছে না।

    আরও পড়ুন : নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম, উল্কার গতিতে আর্থিক উন্নতি অর্পিতার! সব কিছুকেই পিছনে ফেলেছে মায়ের অভিমান-হতাশা

    আরও পড়ুন : লক্ষ্মীবারে রাজধানীতে মুখ্যমন্ত্রী! মমতার দিল্লি সফরে সঙ্গী অভিষেক, সাংসদদের সঙ্গে রণকৌশলে জোর

    গত চার বছর ধরে মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদে রয়েছেন সৈকত মৈত্র। গত বছর ওই পদেই তাঁর মেয়াদ বাড়ানো হয়। ২৯ জুলাই অপসারণ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য। তবে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, নতুন উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্য যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে, তা স্থগিত থাকবে। পাশাপাশি পুরনো উপাচার্যকে কেন অপসারিত করা হল, তাও আদালতে জানাতে হবে রাজ্যকে। বুধবার মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে স্থগিতাদেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ওই নিয়োগ নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চাইলেন হাইকোর্টের বিচারপতি কৌশিক চন্দ। হাইকোর্টের সিঙ্গেল বেঞ্চ এর এই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে যাচ্ছে রাজ্য। আদালতে স্বস্তি পেলেও কর্মক্ষেত্রে সৈকতের স্বস্তি ফিরল না৷ অন্যদিকে দুই উপাচার্য নিয়ে এই যে অস্বস্তি তা নিয়ে মুখ খুলতে নারাজ বিশ্ববিদ্যালয়।

    Published by:Rachana Majumder
    First published:

    Tags: Calcutta High Court

    পরবর্তী খবর