কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

১৯ দিনের লড়াই থামল, প্রয়াত রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার সুকুমার হাঁসদা

১৯ দিনের লড়াই থামল, প্রয়াত রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার সুকুমার হাঁসদা
প্রয়াত সুকুমার হাঁসদা।

এদিন সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ তিনি কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭।

  • Share this:

#কলকাতা: দীর্ঘ রোগভোগের পর বৃহস্পতিবার সকালে প্রয়াত হলেন রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার সুকুমার হাঁসদা। এদিন সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ তিনি কলকাতার অ্যাপোলো হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৭। তিনি ২০১১ সালে ঝাড়গ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জয়ী হয়ে বিধায়ক হয়েছিলেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম মন্ত্রিসভায় পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদের মন্ত্রীও হন তিনি। যদিও ২০১৬ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় এসে তাকে আর মন্ত্রী পদে রাখেনি। ২০১৯- এর লোকসভা নির্বাচনে জঙ্গলমহল জুড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের ফলাফল অত্যন্ত খারাপ হওয়ার পর তৎকালীন রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার হায়দার আজিজ শফীর মৃত্যু হয়, সেই শূন্যস্থানে সুকুমার হাঁসদাকে বসানো হয়। তাঁর মৃত্যুতে আরও এক গভীর শূন্যস্থান তৈরি হল জঙ্গলমহলের বুকে রাজ্যের শাসক দলের অন্দরে।

গত বেশ কিছুদিন ধরেই প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন সুকুমার হাঁসদা। অক্টোবর মাসের শুরুতে শারীরিক সমস্যা বাড়তে থাকায় গত ১০ অক্টোবর তাঁকে ইএম বাইপাসের পাশে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। ভর্তির পর তাঁর করোনা পরীক্ষা করা হয়,তবে সেই রিপোর্ট নেগেটিভ আসলেও সুকুমার বাবু এর শারীরিক অবস্থা আরো আশঙ্কাজনক হয়। তাকে আইসিইউতে স্থানান্তরিত করা হয়। চিকিৎসকদের সমস্ত রকম চেষ্টাকে ব্যর্থ করে বৃহস্পতিবার সকাল ১০.৩০ মিনিট নাগাদ মৃত্যু হয় সুকুমার হাঁসদা এর।

সুকুমার হাঁসদার পরিবার দীর্ঘদিন ধরেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তাঁর বাবা সুবোধ চন্দ্র হাঁসদা ১৯৫৭ সাল থেকে ৬২ সাল পর্যন্ত কেন্দ্রের মন্ত্রীও ছিলেন। সুকুমারবাবু অবশ্য রাজনীতিতে না এসে চিকিৎসাকেই পেশা হিসাবে বেছে নিয়েছিলেন। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের অধীনে দীর্ঘদিন নানান সরকারি হাসপাতালে কর্মরতও ছিলেন। বামফ্রন্ট জমানায় চাকরি থেকে অবসরের পরেই তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামী হন। যোগ দেন তৃণমূল কংগ্রেসে। ২০১১ সালে ঝাড়গ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে তিনি তৃণমূলের প্রার্থী হিসাবে জয়ী হন। সেই সময় তাঁকে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন পর্ষদের মন্ত্রীও করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু শারীরিক ভাবে অসুস্থ হতে থাকায় ২০১৬ সালে তৃণমূল তাঁকে প্রার্থী করে ভোটে  জয়ী হওয়ার পর তাঁকে আর মন্ত্রীত্ব প্রদান করেননি মুখ্যমন্ত্রী। পরিবর্তে তাঁকে ২০১৯ সালে করা হয় রাজ্য বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার।

Published by: Arka Deb
First published: October 29, 2020, 1:06 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर