বঙ্গোপসাগরে ফের ঘনীভূত হচ্ছে নিম্নচাপ ? কী জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা, জেনে নিন

Representational Image

উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আজ, শনিবার সারাদিন ধরেই বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হয়েছে। আগামিকাল, রবিবার থেকে কমবে বৃষ্টির পরিমাণ।

  • Share this:

    #কলকাতা: বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত হচ্ছে নিম্নচাপ। মঙ্গলবার নাগাদ এই নিম্নচাপ আরও গভীর হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা। এর ফলে ওড়িশা-সহ পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আজ, শনিবার সারাদিন ধরেই বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি হয়েছে। আগামিকাল, রবিবার থেকে কমবে বৃষ্টির পরিমাণ। দক্ষিণবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হয়েছে এদিন। জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর ৷

    উত্তর বঙ্গোপসাগরে মঙ্গলবার নাগাদ অর্থাৎ ৪ অগাস্ট তৈরি হতে পারে নিম্নচাপ। এর প্রভাবে সপ্তাহের মাঝে আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে। ওড়িশা, বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং বাংলার একাংশে বৃষ্টিপাতের আশঙ্কা। নিম্নচাপ ঘনীভূত হলে এর প্রভাব সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলবে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা ৷

    মৌসুমী অক্ষরেখা বিকানের, জয়পুর, গোয়ালিয়র, পটনা এবং মালদহের ওপর দিয়ে উত্তরবঙ্গ ও অসম হয়ে মণিপুর পর্যন্ত বিস্তৃত। এছাড়াও রয়েছে ঘূর্ণাবর্ত পাঞ্জাব ও মেঘালয়ের ওপরে। নিম্নচাপ অক্ষরেখা রয়েছে মারাঠাওয়াড়া থেকে কর্ণাটক উপকূল পর্যন্ত।

    এই সিস্টেমগুলোর প্রভাবে আগামী ২৪ ঘণ্টায় হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পঞ্জাব, বিহার, উত্তরবঙ্গ, সিকিম, আন্দামান-নিকোবর এবং গুজরাতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    কলকাতায় শনিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৮.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। গতকাল, শুক্রবার বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৫৬ থেকে ৯৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় বৃষ্টি হয়েছে সামান্য ৷

    আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার দু-এক পশলা বৃষ্টির সম্ভাবনা। রবি এবং সোমবারেও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। রবিবার থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে।

    দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সপ্তাহের মাঝে মঙ্গলবার থেকে নিম্নচাপের প্রভাবে ওড়িশা ও ঝাড়খণ্ড সংলগ্ন জেলাগুলিতে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে ৷

    Published by:Siddhartha Sarkar
    First published: