corona virus btn
corona virus btn
Loading

মরণফাঁদ দিল্লি রোড! পুলিশের সামনেই লেন ভাঙছেন চালকরা

মরণফাঁদ দিল্লি রোড! পুলিশের সামনেই লেন ভাঙছেন চালকরা

গত ৬ মাসে মারা গিয়েছে ৮ জন। শুধুমাত্র পোলবা কামদেবপুরে ১০ টি দুর্ঘটনা ঘটেছে।

  • Share this:
 হুগলী: দুঘর্টনার পরেও হুঁশ ফিরল না চালকদের। পোলবা কামদেবপুর মোড়ের একদিকে বৈদ্যবাটি, অন্যদিকে পান্ডুয়া মোড়। বৈদ্য়বাটি থেকে পান্ডুয়া পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার রাস্তায় অহরহ লেন ভেঙেই  গাড়ি চালাচ্ছেন চালকরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, দেখেও দেখছে না প্রশাসন । দুই নম্বর জাতীয় সড়ক তৈরি হওয়ার আগে কলকাতা থেকে আসানসোল যাতায়াতের জন্য প্রধান রাস্তা ছিল দিল্লি রোড। সরকারিভাবে এই রাস্তা ১৩ নম্বর রাজ্য সড়ক নামে পরিচিত। দুই লেনের এই রাস্তার ব্যাপক সংষ্কার শুরু করেছে রাজ্য হাইওয়ে ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন। ফলে  দুই লেনের এই রাস্তা চার লেনের ঝাঁ চকচকে হয়ে উঠেছে। আর তাতেই মরণফাঁদ হয়ে উঠেছে দিল্লি রোড। শুক্রবার সকালেই এই রাস্তার পোলবা কামদেবপুরে পুলকার দুঘটনা ঘটে। ঠিক সেই জায়গার আইল্যান্ডে শনিবার সকাল থেকে মোতায়েন দুজন সিভিক পুলিশ। আর তাঁদের চোখের সামনেই লেন ভেঙে চলছে বাইক, প্রাইভেট গাড়ি ও ডাম্পার। গত একবছরে এই রাস্তায় এভাবেই গাড়ি চালানোর জেরে একাধিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া পা বাদ দেওয়ার ঘটনাও ঘটে। কিন্তু কোনও অবস্থার বদল ঘটেনি।
পুলিশ-প্রশাসনের বিরুদ্ধে অবহেলার অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। পোলবার বাসিন্দা সুমিত মন্ডলের অভিযোগ, "মাসে একটা, দুটো দুর্ঘটনা হয়েই চলেছে। যখন কোনও কিছু ঘটনা ঘটে তখন এখানে কয়েকদিন পুলিশ আসে। দু একদিন নজর রাখে। তারপর যেই কে সেই।" একই অভিযোগ পোলবার বাসিন্দা হারাধন কোলের। পুলিশি মদতেই এই সব বেআইনি ভাবে লেন বদল করে গাড়ি চলাচল করছে বলে অভিযোগ করছেন তিনি। দিল্লি রোডের ধারে রয়েছে অজস্র কারখানা। এছাড়া বিভিন্ন গ্রামে যাওয়ার রাস্তাও আছে। সেখান দিয়ে মাঝে মধ্যে ছোট-বড় গাড়ি বেরিয়ে আসে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাস্তার দুধারেই দাঁড়িয়ে থাকে গাড়ি। যার জেরে কেউ পায়ে হেঁটেও যাতায়াত করতে পারেন না। আর বেশ কয়েক কিলোমিটার অন্তর অন্তর গাড়ি ঘোরানোর জায়গা আছে। কিন্তু সেই নিয়ম না মেনেই একই লেন ব্যবহার করে দু'দিকে চলাচল করছে গাড়ি। শনিবার সকালে অবশ্য স্পিডোমিটার দিয়ে দিল্লি রোডের একাধিক জায়গায় চলছে গাড়ির গতি দেখার কাজ। বেশ কয়েকটি গাড়িকে আটক অবধি করা হয়। কিন্তু বিপরীতমুখী লেন দিয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ করা যায়নি। অন্যদিকে পুলকার নিয়ে সচেতন করতে এবার রাস্তায় নামছে হুগলি জেলা পুলিশ ও চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট। চুচুঁড়া সদর থেকে শুরু হবে এই সচেতনতা শিবির। জেলা পুলিশের বক্তব্য, পুলকার চলাচল করলে স্থানীয় থানার থেকে "নো অবজারভেশন সারটিফিকেট" নিতে হয়। অনুমতি দেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক বা শিক্ষিকা। এক্ষেত্রে এসবের কিছুই করা হয়নি বলে পুলিশ সুত্রে জানা গেছে।
ABIR GHOSHAL
Published by: Ananya Chakraborty
First published: February 15, 2020, 8:03 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर