কলকাতা থেকে সিকিম গিয়েছিলেন ঘুরতে, ২ বাঙালি পর্যটক বাড়ি ফিরলেন কফিনবন্দি হয়ে !

কলকাতা থেকে সিকিম গিয়েছিলেন ঘুরতে, ২ বাঙালি পর্যটক বাড়ি ফিরলেন কফিনবন্দি হয়ে !

কলকাতা থেকে এসেছিলেন সিকিম বেড়াতে।

  • Share this:

#কলকাতা: কলকাতা থেকে এসেছিলেন সিকিম বেড়াতে। আর আজ দুই বাঙালি পর্যটক বাড়ি ফিরলেন কফিনবন্দি হয়ে। গতকাল সিকিমের কিউই খোলায় চলন্ত গাড়িতে পাথর গড়িয়ে পড়লে দূর্ঘটনার কবলে পড়ে পর্যটক বোঝাই গাড়ি। চালক সহ তিন জনের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। আহত হন আরো ৯জন বাঙালি পর্যটক। সকলেই কলকাতার বাসিন্দা। মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা উদ্ধারে এগিয়ে আসে। কিন্তু ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ঝর্ণা সাহা (৪৮) এবং ঋষিপ্রিয়া ঘোষের (১৩)।

ঝর্ণাদেবীর বাড়ি বারাসতের কলিকাপুরে। আর ঋষিপ্রিয়ার বাড়ি মুরারি পুকুর রোডে। পূর্ব সিকিমে গিয়েছিল কলকাতারই বেশ কয়েকটি পরিবার। গতকাল দুটো গাড়িতে চেপে পর্যটকেরা জুলুক যাচ্ছিল। পদমচেন থেকে নামার পথে গতকাল দুপুরে আচমকাই পাহাড় থেকে বড় পাথর ছিটকে পড়ে গাড়ির ছাদে। পাহাড়ী বাঁকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেননি স্থানীয় চালক সুরজ ছেত্রী। খাদে পড়ে যায় গাড়ি। আহত হন আরো ৯ পর্যটক। অল্পের জন্যে রক্ষা পায় অন্য গাড়ির পর্যটকেরা। খবর পেয়েই পর্যটকদের উদ্ধারে এগিয়ে আসে সিকিম পুলিশ। সহযোগিতার হাত বাড়ায় সিকিমের পর্যটন ব্যবসায়ীরা। আজ সিকিমেই মৃত দুই পর্যটকের দেহ ময়না তদন্ত করা হয়।

বিকেলে কফিনবন্দী দেহ নেমে আসে বাগডোগরা বিমান বন্দরে। শোকের ছায়া নেমে আসে কলকাতায় পর্যটকদের পাড়ায়। ঘুরতে এসে কফিনবন্দী দেহ আজ রাতেই পৌঁছয় কলকাতায়। আহত পর্যটকদের চোখে মুখে এখোনো আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট। কিছুতেই যেন ভুলতে পারছেন না গতকালের ভয়াবহতা। চোখের সামনে সবকিছুই ভেসে আসছে। আজ আহত পর্যটকেরাও ফিরলেন কলকাতায়। বিমান বন্দরে মৃত দুই বাঙালি পর্যটককে শেষ শ্রদ্ধা জানান হিমালয়ান হসপিটালিটি এণ্ড ট্যুরিজম ডেভলোপমেন্ট নেটওয়ার্কের সদস্যরা। সংগঠনের কো-অর্ডিনেটর তন্ময় গোস্বামী জানান, খুবই দুঃখজনক ঘটনা। এভাবে মৃত্যু মেনে নেওয়া যায় না। মৃতের এক আত্মীয় বলেন, মর্মান্তিক দূর্ঘটনা এভাবে দু'জনের দেহ কেড়ে নেবে ভাবতেই পারছি না।

First published: March 11, 2020, 6:52 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर