সকালবেলার খবরের কাগজ

খবরের কাগজ পড়ার সময় পাননি ? নো চিন্তা চোখ বুলিয়ে নিন, আজকের খবরের কাগজের হেডলাইনসে ৷

খবরের কাগজ পড়ার সময় পাননি ? নো চিন্তা চোখ বুলিয়ে নিন, আজকের খবরের কাগজের হেডলাইনসে ৷

খবরের কাগজ পড়ার সময় পাননি ? নো চিন্তা চোখ বুলিয়ে নিন, আজকের খবরের কাগজের হেডলাইনসে ৷

  • Pradesh18
  • Last Updated :
  • Share this:

    খবরের কাগজ পড়ার সময় পাননি ? নো চিন্তা চোখ বুলিয়ে নিন, আজকের খবরের কাগজের হেডলাইনসে ৷

    anandabazar11 জুডিথ শুধু চান মায়ের রান্না আর ঘুম

    ১) খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু ফোন করলেও তিনি বলছেন, ‘‘চার-পাঁচদিন পরে আয়। জমিয়ে বসে কথা বলব।’’ জুডিথ ডিসুজা আসলে এখন ভীষণ ভাবে চাইছেন, শুধুমাত্র তাঁর বাবা-মা, দাদা-দিদির সঙ্গে একান্তে চার-পাঁচটা দিন কাটাতে। আফগানিস্তানে অপহরণকারীদের ডেরায় দেড় মাস কাটিয়ে গত শুক্রবার মুক্তি পাওয়া জুডিথ তাঁর বাবা ডেনজিল ডিসুজা-কে ফোনে আগেই জানিয়েছিলেন, তিনি বিশ্রাম নিতে চান। একেবারে ঘনিষ্ঠ কেউ ছাড়া আর কারও সঙ্গে কথাও বলতে চান না। রবিবার রাত পৌনে আটটা নাগাদ নীল কামিজ-কালো শ্রাগ পরা জুডিথ তাঁর দাদা জেরমের সঙ্গে কলকাতার সিআইটি রোডের বাড়িতে যখন ঢুকছেন, তখন সেখানে রয়েছেন শুধু বাবা-মা আর দিদি। পুলিশি ঘেরাটোপে বাড়িতে ঢোকার সময়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নেরই উত্তর দেননি জুডিথ। তবে জেরম বলেছেন, ‘‘ও খুব দুর্বল। ওর ‘বেড রেস্ট’ দরকার।’’ রবিবার সন্ধে সাতটা নাগাদ ইন্ডিগোর উড়ানে দিল্লি থেকে কলকাতায় আসেন জুডিথ ও তাঁর দাদা। কলকাতা বিমানবন্দরে সাধারণত যে গেট দিয়ে যাত্রীরা বেরোন, এ দিন সেখানেই জুডিথের অপেক্ষায় ছিল সংবাদমাধ্যম। শনিবার জুডিথ যখন কাবুল থেকে দিল্লি বিমানবন্দরে নামেন, তখন সংবাদমাধ্যমের ঠাসা ভিড় দেখে কিছুটা ঘাবড়ে গিয়েছিলেন। যা দেখে তাঁর বাবা আক্ষেপ করেছিলেন, নিজের দেশে ফিরেও কেন নিরাপত্তার অভাব বোধ করতে হবে জুডিথকে? কলকাতায় এ দিন সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে অন্য গেট দিয়ে জুডিথকে কার্যত ভিআইপি নিরাপত্তায় বের করে নিয়ে যাওয়া হয়। বিমানবন্দর থেকেই অবশ্য বাড়িতে ফোন করেছিলেন জুডিথ। তার পর আগাগোড়া পুলিশি নিরাপত্তায় মেয়ে বাড়ি না পৌঁছনো পর্যন্ত মাঝেমধ্যেই বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে বাবা-মাকে।

    ২) বন্ধুর বাবার দু’রকম কথায় রহস্য

    চিত্রনাট্যই বলা যায়। তবে সেলুলয়েডের পর্দা নয়, বরং ঘোর বাস্তব। ছেলের এক বন্ধুর বাড়িতে গিয়ে ব্যবসায়ী বললেন, ‘‘আপনার ছেলে একটা খারাপ মেয়ের সঙ্গে মিশছে। ওকে আটকান।’’ আবার তিনিই ফোন করে সেই ‘খারাপ মেয়ে’টির মাকে নিজের অফিসে ডেকে পাঠালেন। তাঁকে বললেন, ‘‘আপনার মেয়ে একটা খারাপ ছেলের সঙ্গে মিশছে। ওকে সাবধান করুন।’’ বালিগঞ্জের সানি পার্কে স্কুলছাত্র আবেশ দাশগুপ্তর রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় ওই ব্যবসায়ীর ছেলেকেই শনিবার ও রবিবার দু’দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। ঘটনার অব্যবহিত পর ঘাতক হিসেবে ওই ব্যবসায়ী-পুত্রের নামই উঠে এসেছিল। আর ছেলের যে বন্ধুর মাকে ওই ব্যবসায়ী বাড়ি গিয়ে সতর্ক করেছিলেন, সেই বন্ধুই আবেশ। আবেশ আর ওই ব্যবসায়ী-পুত্র, দু’জনেই সানি পার্কে গিয়ে শনিবার মদ্যপান করেছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। যে মেয়ের ব্যাপারে আবেশের মাকে ওই ব্যবসায়ী সাবধান করে দিয়েছিলেন, সে মেয়েটি কিন্তু ব্যবসায়ী-পুত্রেরও ঘনিষ্ঠ। সে স্নাতক প্রথম বর্ষের ছাত্রী। একই সঙ্গে সে টালিগঞ্জের বাসিন্দা ওই ব্যবসায়ীর প্রতিবেশীও। সানি পার্ক কাণ্ডে তাই ত্রিকোণ সম্পর্কের ছায়া দেখছেন অনেকে। আবেশের এক বাল্যবন্ধু রবিবার জানিয়েছে, একটা সময়ে আবেশ, ব্যবসায়ী-পুত্র ও অন্য বন্ধুরা সপ্তাহান্তে নিয়মিত বাইরে খেতে যেত। কিন্তু গত এক মাস ধরে ওই ব্যবসায়ী-পুত্র ও আবেশের মধ্যে প্রায়ই গণ্ডগোল হতো এবং সেটা একটি মেয়েকে নিয়ে। কিন্তু মেয়েটি কে, সেটা আবেশের ওই বাল্যবন্ধু বলতে পারেনি।

    ৩) অশ্বিনকে এর পর অলরাউন্ডার না বলা হলে আর কবে হবে

    রবিচন্দ্রন অশ্বিনের অ্যান্টিগা টেস্টের পারফরম্যান্স দেখার পর ওর সমালোচকদের আজ একটা কথা খুব বলতে ইচ্ছে করছে। তোমরা এর পরেও যদি ওকে টেস্ট অলরাউন্ডারের মর্যাদা না দাও, তা হলে আর কবে দেবে? বিরাট কোহালি পাঁচ বোলারের থিওরি নিয়ে প্রচুর লোককে বলতে শুনেছি, এটা কী হল? এ তো ব্যাটিংকে কমজোরি করে দিল। জানি না অশ্বিন থাকা স্বত্ত্বেও কী ভাবে কথাটা বলা হয়। কেনই বা ওকে শুধু বোলার হিসেবে ধরা হয়। ভাবা যায়, এক টেস্টে সেঞ্চুরি আর পাঁচ উইকেট ভারতীয়দের মধ্যে শুধু দু’জন নিয়েছে। বিনু মাঁকড় আর পলি উম্রিগড়। তা-ও এক বার করে। অশ্বিনের সেখানে দু’বার হল। এক বার দেশে, এক বার বিদেশে। ছেলেটা জাক কালিস, গ্যারি সোবার্সের মতো প্রবাদপ্রতিমদের পাশে বসে পড়ল! সোবার্সরাও দু’বার করে টেস্টে পাঁচ উইকেট আর সেঞ্চুরি করেছেন। তো সোবার্স-কালিসকে যদি অলরাউন্ডার বলি, অশ্বিনকেও বলতে অসুবিধে কোথায়? টিমের উইকেট দরকার, অশ্বিন আছে। টিমের রান দরকার, প্রয়োজন পার্টনারশিপ— অশ্বিন আছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের দ্বিতীয় ইনিংসটা ধরুন না। ফলো অন করতে নেমে ১৩২-৮ হয়ে গিয়েছিল। অশ্বিনের পরপর উইকেটে জেসন হোল্ডারের টিম তখন কাঁপছে। ধরেই নেওয়া হচ্ছিল যে, যে কোনও মুহূর্তে টেস্ট শেষ হয়ে যাবে। আচমকা কার্লোস ব্রেথওয়েটের সঙ্গে ক্রিজে দাঁড়িয়ে গেল দেবেন্দ্র বিশু। ঠিক যখন মনে হচ্ছে টেস্ট পাঁচ দিনে চলে যাবে, সেই অশ্বিন। বিশু আর গ্যাব্রিয়েলকে তুলে নিয়ে টেস্ট চার দিনে শেষ করে দিল। সেঞ্চুরির পর সাত উইকেট নিয়ে!

    bartaman_big11

    ১) তিন চীনা সাংবাদিককে দেশে ফিরে যেতে বলল ভারত

    নয়াদিল্লি, ২৪ জুলাই: তিন চীনা সাংবাদিককে ‘বহিষ্কার’ করল নয়াদিল্লি। ‘অসাংবাদিকসুলভ আচরণে’র জেরে চীনের সরকার নিয়ন্ত্রিত সংবাদ সংস্থা ‘জিনহুয়া’র ওই তিন সাংবাদিককে দেশে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বিদেশমন্ত্রক। কোনওভাবেই আর তাঁদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানো হবে না। তাই চলতি মাসের ৩১ তারিখের মধ্যেই ওই তিন চীনা সাংবাদিককে দেশে ফিরে যেতে হবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এনএসজি-তে ভারতের অন্তর্ভুক্তিতে আপত্তি থেকে দক্ষিণ চীন সাগরে ভারতীয় জাহাজ চলাচলের উপর নিষেধাজ্ঞাসহ বেশ কয়েকটি ইস্যুতে কিছুদিন ধরেই ভারত-চীন সম্পর্কে টানাপোড়েন চলছে। নয়াদিল্লির এই সিদ্ধান্তের জেরে উত্তেজনার পারদ আরও খানিকটা চড়ল। তাছাড়া ভারতের যে সাংবাদিকরা চীনে কর্মরত, তাদের উপরও পালটা কোপ নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। যে তিনজন সাংবাদিককে নয়াদিল্লি দেশে ফিরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে, তাদের মধ্যে দু’জন উ কিয়াং এবং লু তাং যথাক্রমে দিল্লি ও মুম্বইয়ে ‘জিনহুয়া’র ব্যুরো চিফ। আর তৃতীয়জন শি ইয়ংগ্যাং মুম্বই অফিসে কর্মরত। অবশ্য, ‘বহিষ্কৃত’ সাংবাদিক উ দাবি করেছেন, কেন তাঁদের ভিসার মেয়াদ বাড়ানো হল না, সে বিষয়ে কোনও ব্যাখ্যা দেয়নি ভারতের বিদেশমন্ত্রক।

    ২) কাশ্মীরের মানুষের সঙ্গে আবেগঘন সম্পর্ক চাই: রাজনাথ

    শ্রীনগর, ২৪ জুলাই (পিটিআই): একদিন আগেই কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের মুণ্ডপাত করেছেন বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ। আক্রমণের সেই ছুরিতে রবিবার আরও শান দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং। তাও আবার উপত্যকার মাটিতে দাঁড়িয়ে। রাজনাথের সাফ কথা, কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের মনোভাব বদলানো উচিত। একদিকে তারা নিজেদের দেশে লাল মসজিদে ঢুকে জঙ্গিদের নিকেশ করছে, অন্যদিকে কাশ্মীরে তারা আমাদের যুব সমাজকে বলছে হাতে অস্ত্র তুলে নিতে। এসব বন্ধ করতে হবে। কাশ্মীর প্রসঙ্গে পাকিস্তানের ভূমিকা ‘খাঁটি’ নয়। রাজনাথের সাফ হুঁশিয়ারি, পাকিস্তান যেন ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক না গলায়। কাশ্মীরের পরিস্থিতি উন্নতির জন্য কোনও তৃতীয় শক্তির প্রয়োজন নেই। এদিন কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানকে তুলোধোনা করার সঙ্গেই উপত্যকার মানুষের মন পাওয়ারও চেষ্টা চালান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। স্বাভাবিক জনজীবন ফেরানোর কাজে উপত্যকার মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানান তিনি। রাজনাথের আশ্বাস, শান্তি ও স্বাভাবিক জনজীবন ফিরে এলে যার সঙ্গেই প্রয়োজন পড়ুক না কেন, কথা বলতে তৈরি কেন্দ্র। আমরা শুধুমাত্র প্রয়োজন ভিত্তিক সম্পর্ক গড়তে চাই না। বরং কাশ্মীরের সঙ্গে আবেগঘন সম্পর্ক গড়তে চাই। উপত্যকার যুবকদের কাছে নিরাপত্তা বাহিনীকে লক্ষ্য করে পাথর ছোঁড়া বন্ধ করার আবেদন রাখেন রাজনাথ। উলটো দিকে আবার নিরাপত্তা বাহিনীগুলিকে রাজনাথ বলেন ছররা বন্দুকের ব্যবহার যতটা সম্ভব না করার জন্য। পাশাপাশি চলতি অশান্তির জেরে কাশ্মীরে প্রাণহানির ঘটনাগুলি নিয়েও দুঃখপ্রকাশ করেন তিনি।

    ৩) সিন্ডিকেটের লরিতে পিষ্ট মা ও ছেলে, রাজারহাটে তাণ্ডব

    নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: পাথর বোঝাই লরিতে পিষ্ট হয়ে মা ও ছেলের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রবিবার দুপুরে রণক্ষেত্র হয়ে উঠল রাজারহাটের রেকজোয়ানি। এক্ষেত্রেও নাম জড়িয়ে গেল সিন্ডিকেটের কারবারিদের। সিন্ডিকেটের দাপটেই দিনের বেলায় অপরিসর রাস্তায় একের পর এক লরি ঢোকে। আর তার জন্যই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয় লোকজনের দাবি। তবে এতদিন স্থানীয় মানুষজন সিন্ডিকেটের মাতব্বরদের ভয়ে মুখ খুলতে না পারলেও এদিন দুর্ঘটনার পর তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। সিন্ডিকেটের দু’টি অফিসে এবং একটি নির্মীয়মাণ আবাসনে ভাঙচুর চালায়। রাজারহাট থানা থেকে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘাতক লরিটি আটক করা হয়েছে। চালক ও খালাসি পলাতক। তাদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, এদিন বেলা ১২টা নাগাদ মায়ের হাত ধরে মামার বাড়ি যাচ্ছিল বছর পাঁচেকের সুহান আলি। সেই সময় দ্রুত গতিতে একটি দশ চাকার পাথর বোঝাই লরি এসে তাদের চাপা দেয়। ঘটনাস্থলেই সুহান ও তার মা সায়রা বিবি (২৫) মারা যান। দুর্ঘটনার পরই লরির চালক ও খালাসি পালিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন দুর্ঘটনার পরই ওই রাস্তা অবরোধ করে লরিতে ভাঙচুর চালায়। ওই এলাকাতেই এক বিধায়ক ও এক সংসদ সদস্যের ঘনিষ্ঠদের দু’টি সিন্ডিকেটের অফিস ছিল। স্থানীয় লোকজনের রাগ গিয়ে পড়ে ওই দু’টি অফিসেও। অফিস দু’টি ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। যে নির্মীয়মাণ আবাসনে ওই পাথর নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, সেখানেও ভাঙচুর করা হয়। প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে স্থানীয় লোকজন ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে রাজারহাট থানা থেকে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশের সামনেই উত্তেজিত জনতা ভাঙচুর চালায়। পরে অতিরিক্ত বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

    First published: