corona virus btn
corona virus btn
Loading

বেলেঘাটায় দিনেদুপুরে কিশোরীকে বেঁধে ডাকাতি, লুঠ ৫০ হাজার টাকা ও ৫ ভরি সোনা

বেলেঘাটায় দিনেদুপুরে কিশোরীকে বেঁধে ডাকাতি, লুঠ ৫০ হাজার টাকা ও ৫ ভরি সোনা
নিজস্ব চিত্র

বেলেঘাটার মতো জনবহুল এলাকায় দিনেদুপুরে ডাকাতি। চাউলপট্টি রোডে ব্যবসায়ীর বাড়িতে কিশোরীর হাত-পা-মুখ বেঁধে রেখে ডাকাতি করে পালাল দুষ্কৃতীরা।

  • Share this:

#কলকাতা: বেলেঘাটার মতো জনবহুল এলাকায় দিনেদুপুরে ডাকাতি। চাউলপট্টি রোডে ব্যবসায়ীর বাড়িতে কিশোরীর হাত-পা-মুখ বেঁধে রেখে ডাকাতি করে পালাল দুষ্কৃতীরা। লুঠ হয়েছে নগদ পঞ্চাশ হাজার টাকা ও পাঁচ ভরি সোনা। দিনেদুপুরে ডাকাতির ঘটনায় এলাকার নিরাপত্তা বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিল। ডাকাতিতে পরিচিত কেউ জড়িত কি না খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

বেলেঘাটা মেন রোড। একদিকে বাইপাস। আরেকদিকে শিয়ালদহ যাওয়ার রাস্তা। শহরের জনবহুল এই জায়গাতেই দিনেদুপুরে ডাকাতি করে পালিয়ে গেল দুষ্কৃতীরা। ৫০ নং চাউলপট্টি রোডের ব্যবসায়ী মহেশ দাসের বাড়ি। এই বাড়িতেই তাঁর মেয়েকে বেঁধে চলল লুঠপাট। টের পেল না কেউই।

বলাকা ক্লাব লাগোয়া ওই বাড়ির গেট খুলে ঢোকে দুষ্কৃতীরা। একতলার দরজা খোলা থাকায় ঘরের ভিতরে ঢোকে তারা। সেইসময় ঘরে ছিল কিশোরী আস্থা দাস। তার পা-হাত বেঁধে মুখে রুমাল গুঁজে দেয় ডাকাতদল। চাবি লাগানো থাকায় আলমারি খুলে ফেলে তারা। ৫০ হাজার টাকা ও পাঁচ ভরি নগদ দিয়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।

পরে পায়ের দড়ি আলগা হয়ে যাওয়ায় দোতলার ঘরে গিয়ে ঘটনা জানায় কিশোরী। সেইসময় দোতলায় ছিলেন তার মা ও জেঠিমা। খবর দেওয়া হয় বেলেঘাটা থানায়।

পুলিশ কুকুর এনে তল্লাশি চালানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহ করে পুলিশ। আসেন ডিসিইএসডি ও কলকাতা পুলিশের ডাকাতি দমন শাখাও। ডাকাতির ধরন দেখে পুলিশের অনুমান, পরিচিত কেউই ডাকাতিতে জড়িত।

পরিচিত কেউ জড়িত? - বাড়িতে কখন কোনও পুরুষ থাকবে না - কখন একতলার দরজা খোলা থাকে - চাবি আলমারির সঙ্গেই লাগানো থােক - সবই জানা ছিল ডাকাতদের

দিনেদুপুরে এধরনের ঘটনায় আতঙ্কিত প্রতিবেশীরা।

কিশোরীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুষ্কৃতীদের চেহারার বর্ণনা জেনেছে পুলিশ। দাগী অপরাধীদের ছবি দেখিয়ে শনাক্তকরণের চেষ্টাও চলছে।

First published: November 15, 2017, 9:38 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर