ডিএ হাতে পাওয়ার মতই দীর্ঘায়িত ডিএ মামলার শুনানি

ডিএ হাতে পাওয়ার মতই দীর্ঘায়িত ডিএ মামলার শুনানি
representative image

আগামী ৩ মার্চ মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্দিষ্ট হয়েছে

  • Share this:

#কলকাতা: ডিএ হাতে পাওয়ার মতই দীর্ঘায়িত ডিএ মামলার শুনানি। তারিখ পে তারিখ। হিন্দি ছবির বিখ্যাত হয়ে যাওয়া এমনই সংলাপের অভিজ্ঞতা এখন রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের। রাজ্যে প্রায় ১০ লক্ষ সরকারি এবং সরকারি পোষিত কর্মচারী। তাদের অনেকেরই যুক্তি, হাইকোর্ট ডিএ কে আইনি অধিকার বলার পরেও তার কোনও সুবিধা এখনও পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালে ডিএ শুনানি ফের পিছলো। আগামী ৩ মার্চ মামলার পরবর্তী শুনানির দিন নির্দিষ্ট হয়েছে। এদিন সরকারি আইনজীবী গৌতম পাঠক আদালতে জানান,  মঙ্গলবার ও বুধবার পরপর দুই দিন কলকাতা হাইকোর্টে কোনও আদালতের কাজ হয়নি। আজ অনেক মামলা জমে যাওয়ায় স্যাটের শুনানিতে উপস্থিত হতে পারেননি অ্যাডভোকেট জেনারেল। মামলায় এজি সওয়াল গুরুত্বপূর্ণ, তাই শুনানি পিছনো হোক। আবেদন মঞ্জুর করে বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগের বেঞ্চ। নিটফল, শুনানি আরও দীর্ঘায়িত।

স্যাট-হাইকোর্ট-স্যাট। গত ২-৩ বছর ধরে আইনি লড়াই লেগেই আছে। ডিএ চুকিয়ে দেওয়ার রায় ঘোষণার পরও মামলার জট অব্যহত।  স্যাট বা স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইবুনালের রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন নিয়ে গেছে রাজ্য। রিভিউ পিটিশনে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ না দেওয়ার কারণ হিসেবে অ্যাডভোকেট জেনারেলের যুক্তি ছিল, রাজ্যের আর্থিক অনটন। টানাটানির আর্থিক হাল সামলে রাজ্য ষষ্ঠ বেতন কমিশনের সুপারিশ মেনে নতুন বেতন দিয়েছে জানুয়ারি থেকে। সরকারি কর্মচারীদের নতুন ক্রমে বেতন দিতে জানুয়ারি মাসে ৩ বার বাজার থেকে ধার করতে হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর।

২০১৯ সালের হিসেব বলছে, রাজ্যের এই মূহূর্তে আর্থিক দেনা প্রায় ৩.৯৬ লক্ষ কোটি টাকা। কেন্দ্রের কাছে রাজ্যের পাওনা প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। রাজ্যের প্রাপ্য টাকা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সরকারি কর্মচারী সংগঠনের মলয় মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্য, 'রাজ্যের সর্বত্র বড় বড় হোর্ডিং। আর্থিক অনটন হলে এত হোর্ডিং আসে কোথা থেকে। রাজ্য কর্মচারীদের আইনি অধিকার আটকাতে মামলা দীর্ঘায়িত করা হচ্ছে।' তিনি আরও বলেন, ' ট্রাইবুনাল এবং কলকাতা হাইকোর্টে রাজ্যের সওয়ালে নতুন কিছু নেই। একই কথা বারবার ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বলার চেষ্টা করছে রাজ্য। আদতে স্টেট অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রাইব্যুনালের সময় নষ্ট করার কৌশল নিয়েছে রাজ্য।'

ARNAB HAZRA

First published: February 27, 2020, 8:37 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर