Cyclone Yaas: আমফানের স্মৃতি উসকে এ মাসেই ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’ ? ঝড়ের গতিবিধি কী হতে পারে ?

Representational Image

বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ হতে পারে বাংলাদেশের সুন্দরবন এলাকা। তবে এর প্রভাব থাকবে ওড়িশা থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম পর্যন্ত এলাকা পর্যন্ত। আরব সাগরের ঘূর্ণিঝড় (Cyclone Yaas) কর্ণাটক উপকূলে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা।

  • Share this:

    কলকাতা: মে মাসের শেষে জোড়া ঘূর্ণিঝড় তাণ্ডব চালাতে পারে। একটি বঙ্গোপসাগর (Cyclone Yaas) আরেকটি আরব সাগরে ঘনীভূত হচ্ছে নিম্নচাপ। বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ হতে পারে বাংলাদেশের সুন্দরবন এলাকা। তবে এর প্রভাব থাকবে ওড়িশা থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম পর্যন্ত এলাকা পর্যন্ত। আরব সাগরের ঘূর্ণিঝড় কর্ণাটক উপকূলে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা।

    আগামী ২৩ মে রবিবার ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হতে পারে মধ্য বঙ্গোপসাগরে। আন্দামানের কাছে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এটি নিম্নচাপ তৈরি করার প্রবল সম্ভাবনা। ক্রমশ এই নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। প্রথমে উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে অভিমুখ থাকলেও পরে অভিমুখ পরিবর্তন হয়ে তা উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর অর্থাৎ বাংলাদেশের দিকে সরে যেতে পারে। এখনও পর্যন্ত এই ঘূর্ণিঝড়ের যা অভিমুখ তাতে সুন্দরবন এলাকাতেই আছড়ে পড়ার প্রবল সম্ভাবনা।

    গুজরাতে চরম শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের  পর যে ঘূর্ণিঝড় হবে তা আবহাওয়া দফতরের নিয়ম অনুযায়ী ওমানের দেওয়া নাম "ইয়াশ", ‘যশ’ (Yaas)। এখনও পর্যন্ত যা পরিস্থিতি তাতে বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণিঝড়টির নাম ইয়াশ হতে চলেছে।

    অন্যদিকে ২৬ মে আরব সাগরের কর্ণাটক উপকূলে একটি ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হতে পারে। এই নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আরব সাগরে টাউটের পর একই মাসে আরও একটি ঘূর্ণিঝড় তৈরি হবে। যদিও এখনও এই সম্ভাবনা খুবই সামান্য।

    এই ঘূর্ণিঝড় কতটা তান্ডব লীলা চালাবে তা আরও কিছুদিন পর বিস্তারিত জানা যাবে। তবে এই দুই সিস্টেম এর প্রভাবে ভারতবর্ষে বর্ষা যথাসময়ে চলে আসবে। ভারতবর্ষের মূল ভূখণ্ড কেরলে প্রথম বর্ষা আসে পয়লা জুন। প্রথমে আরব সাগরের ঘূর্ণিঝড় টাউটে ও পরে কর্ণাটক উপকূলে আরও একটি সিস্টেম তৈরি হওয়ায় আবহাওয়াবিদদের অনুমান কেরলে দু-এক দিন আগেই বর্ষা ঢুকে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে ৩১ মে-র মধ্যে কেরলে দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু প্রবেশের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

    অন্যদিকে ভারতের বিচ্ছিন্ন ভূখণ্ড আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে সাধারণত বর্ষা আসে ২২ মে। এবছর এই সিস্টেমের প্রভাবে ২১ মে অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের একদিন আগেই দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমি বায়ু ঢুকে যেতে পারে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে। এমনই সম্ভাবনার কথা জানাচ্ছে আবহাওয়া দপ্তর।

    আগামী তিন-চার দিন গরম অস্বস্তিকর আবহাওয়া থাকবে দক্ষিণবঙ্গে। উত্তরবঙ্গে উপরের দিকের জেলাগুলিতে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি চলবে। রাজ্যজুড়ে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে। উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার ও জলপাইগুড়ি জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি। দক্ষিণবঙ্গের পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর ঝাড়গ্রাম বাঁকুড়া পুরুলিয়া পশ্চিম বর্ধমান বীরভূমে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা অপেক্ষাকৃত বেশি।

    Published by:Siddhartha Sarkar
    First published: