Cyclone Yaas Landfall: বুধ সকালেই ইয়াসের আছড়ে পড়া শুরু! প্রবল দুর্যোগের আশঙ্কা, কোথায় কতক্ষণ ধরে ল্য়ান্ডফল

বুধবার সকালেই হানা চলেছে সাইক্লোন যশ। উত্তাল দিঘার সমুদ্র।

Cyclone Yaas Landfall: ঘূর্ণিঝড়ের চোখটি ১১টা থেকে ১ টা মধ্যে বাংলার উপকূলবর্তী অঞ্চলের উপর দিয়েই যাবে।

  • Share this:

    #কলকাতা: আজই অতি শক্তিশালী সাইক্লোনে পরিণত হতে চলেছে ইয়াস। আবহবিদরা বলছেন, এই অতি শক্তিশালী সাইক্লোন  আগামী ১২ ঘণ্টায় ধাপে ধাপে শক্তি বাড়িয়ে ফেলবে। ইতিমধ্যেই সাইক্লোনের ল্যান্ডফলের  স্থানও অনুমান করা হচ্ছে। মৌসুমভবন সূত্রের খবর, বুধবার ঘড়ির কাঁটায় সকাল আটটায় ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া শুরু করবে এই সাইক্লোন। অবশেষে এগারোটা নাগাদ ওড়িশার ভদ্রকের চাঁদবালি ধামরা বন্দরে  আছড়ে পড়বে এই সাইক্লোন। গোটা প্রক্রিয়াটি চলবে অন্তত  দুইঘণ্টা ধরে। ঘূর্ণিঝড়ের চোখটি ১১টা থেকে ১টা-র মধ্যে বাংলার উপকূলবর্তী অঞ্চলের উপর দিয়েই যাবে। ফলে এর প্রভাবে বাংলার উপকূলবর্তী এলাকা এবং উত্তর ওড়িশায় ব্যাপক দুর্যোগর সম্ভাবনা থাকছে। ঝড়বৃষ্টির কবলে পড়বে দুই মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগণা ছাড়াও বাঁকুড়া পুরুলিয়া।

    সূত্রের খবর, আজ থেকেই সাইক্লোন ইয়াস উত্তর অভিমুখী হবে। এখনও পর্যন্ত তার যা গতিপ্রকৃতি তাতে অনুমান, সাইক্লোনটি  যাবে পারাদ্বীপ ও সাগরের মধ্যবর্তী অঞ্চল দিয়ে। ফলে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সংলগ্ন অঞ্চলে। বহু জায়গায় ইতিমধ্যেই বৃষ্টি শুরু হয়ে গিয়েছে। সাইক্লোনের প্রভাবে তুমুল জলোচ্ছ্বাস শুরু হয়ে গিয়েছে দিঘা-শঙ্করপুর-সহ বাংলার বহু অঞ্চলে।

    আবহবিদদের মতে সাইক্লোন ইয়াস ওড়িশা হয়ে ঝাড়খণ্ড অভিমুখে রওনা হতে পারে, ক্রমেই শক্তি কমবে তার। তবে তা ঝাড়খণ্ড অভিমুখী হওয়ার ফলে ফলে সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চলগুলিতে ভারী বৃষ্টির ফলে বন্যাপরিস্থিতিও হতে পারে।

    সাইক্লোন আছড়ে পড়ার সময়ে তাঁর গতিবেগ থাকবে ১৫৫-১৬৫ কিলোমিটার। দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা ও পূর্ব মেদিনীপুরে ঝড় হতে পারে ১২০ থেকে ১৪৫ কিলোমিটার বেগে। কলকাতাতেও প্রভাব ফেলবে সাইক্লোন ইয়াস। কলকাতায় গতিবেগ থাকবে ৬৫-৮৫ কিলোমিটারের মধ্যে। সাইক্লোনের প্রভাবে আজ থেকেই কলকাতা দুই চব্বিশ পরগণা , মেদিনীপুর, হাওড়া ,হুগলি তে ভারী বৃষ্টি হবে। পুরুলিয়াতেও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

    প্রশাসনের অনুমান সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে  ঝাড়গ্রাম, গোপীবল্লভপুর ১, গোপীবল্লভপুর ২, সাঁকরাইল, নয়াগ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুরের মোহনপুর, কেশিয়াড়ি, দাঁতন, পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর ওয়ান, রামনগর ২, দক্ষিণ ২৪ পরগনা সাগরের অংশগুলো। এই এলাকার বিধায়কদের চব্বিশ ঘণ্টা তৎপর থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যুদ্ধের তৎপরতায় কাজ করছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দফতর।

    Published by:Arka Deb
    First published: