Cyclone Yaas: করোনার মধ্যেই সাইক্লোনের হানা! জোড়া চ্যালেঞ্জে ভরসা স্রেফ 'অতীত'

করোনার মধ্য়েই সাইক্লোনের আশঙ্কা। প্রস্তুতিতে ফাঁক রাখছে না রাজ্য।

রাজ্যজুড়ে কোভিডে রোধ দিতেই লকডাউন চলছে গত ১৬ মে থেকে। এর মধ্যেই চোখরাঙানি সাইক্লোনের। ফণী থেকে আমফান, বারংবার বিপর্যয় মোকাবিলার অভিজ্ঞতাই আপাতত রাজ্য সরকারের একমাত্র ভরসা।

  • Share this:

    #কলকাতা: আমফানের স্মৃতি রাজ্যবাসীর মনে এখনও দগদগে। বিশেষত উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে আজও ঘা শুকোয়নি বহু মানুষের। আর বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ফের আরও এক ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস দিচ্ছে হাওয়াঅফিস। কার্যত জোড়া চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি রাজ্য। একদিকে ঘূর্ণিঝড় অন্য়দিকে করোনা,আপাতত জোড়া চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি রাজ্যপ্রশাসন, কী ভাবে এর মোকাবিলা, দ্রুত গতিতে নকশা সাজানো চলছে।

    ঘূর্ণিঝড় যশ আছড়ে পড়তে পারে উত্তর-দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা,পূর্ব মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ অংশে। এ কথা মাথায় রেখেই বুধবারই মুখ্যসচিব বুধবার জেলা আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে ফোনে যোগাযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনিই বারংবার করোনা পরিস্থিতির কথা মনে করিয়ে দেন। বিপর্যয় মোকাবিলার কাজ যারা করবেন, তাদের জন্য স্পষ্ট নির্দেশ মাস্ক ও স্যানেটাইজার ব্যবহার করতে হবে।

    পাশাপাশি যে সাইক্লোন সেন্টারগুলি ব্যবহার হবে বিপদ আছড়ে পড়লে তাও আগেভাগে স্যানেটাইজ করবে নবান্ন। আগে থেকেই সরঞ্জাম পাঠানোর বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিশেষ নজর রাখা হয়েছে হিঙ্গলগঞ্জ, সন্দেশখালির মতো অঞ্চলগুলিতে। ইতিমধ্যেই বিদ্যুৎ দফতর, বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সমস্ত কর্মীদেরছুটি বাতিল করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত ঝড় আছড়ে পড়তে পারে কলকাতা লাগোয়া দুই চব্বিশ পরগণায়। আর করোনার ভ্রুকুটিও এই দুই অঞ্চলে মারাত্মক। গত চব্বিশ ঘণ্টায় রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৫৭ জনের। এর মধ্যে উত্তর চব্বিশ পরগণায় মারা গিয়েছেন ৪৮ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগণায় মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের।  উত্তর চব্বিশ পরগণার করোনা গ্রাফ নামানোও বড় চ্যালেঞ্জ রাজ্যের। শেষ চব্বিশ ঘণ্টায় এই জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৪১৭৭ জন।

    রাজ্যজুড়ে কোভিডে রোধ দিতেই লকডাউন চলছে গত ১৬ মে থেকে। এর মধ্যেই চোখরাঙানি সাইক্লোনের। ফণী থেকে আমফান, বারংবার বিপর্যয় মোকাবিলার অভিজ্ঞতাই আপাতত রাজ্য সরকারের একমাত্র ভরসা।

    Published by:Arka Deb
    First published: