Home /News /kolkata /
Gold Smuggling In Kolkata: কলকাতা হয়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক সোনা পাচারের পথ, সতর্ক শুল্ক দফতর

Gold Smuggling In Kolkata: কলকাতা হয়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক সোনা পাচারের পথ, সতর্ক শুল্ক দফতর

প্রতীকী ছবি

প্রতীকী ছবি

Gold Smuggling In Kolkata: গোয়েন্দারা মনে করছেন, কলকাতাকেই সোনা পাচারকারীরা  ট্রানসিট রুট হিসাবে ব্যবহার করছে।

  • Share this:

#কলকাতা: শহর থেকে একের পর এক সোনা উদ্ধার। আন্তর্জাতিক সোনা পাচার চক্রে কলকাতা এখন "সোনা পাচার চক্রের  মূল হাব " এ  পরিণত হয়েছে বলে অনেকেই মনে করছেন। পাচারের মূল টার্গেট কলকাতা। শুল্ক দফতরের গোয়েন্দাদের মতে, কলকাতায় চোরাই সোনা আসছে বাংলাদেশ, মায়ানমার, দুবাই - ব্যাঙ্ককের থেকে। উল্লেখযোগ্য, চলতি বছরে সম্প্রতি ৯ মে কলকাতা বিমানবন্দর থেকে বাংলাদশী এক ব্যক্তির শার্ট ও ফুল প্যান্টের মধ্যে সোনা পেস্ট করে লুকিয়ে আনতেই ধরা পড়ে কাস্টমসের হাতে।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি সোনা পেস্ট ৩টি ক্যাপসুল আকারে  বিমানবন্দর থেকে বেআইনি সোনা উদ্ধার করে কাস্টমস। গত ১৫ ফেব্রুয়ারী এক ব্যক্তি অন্তর্বাসের  মধ্যে ৬০ লক্ষ টাকার সোনা পাচার করছিল, সেই সোনা ধরা পড়ে কাস্টমাসের হাতে। কখনও সোনার পেস্ট, কখনও সোনার বার, কখনও সোনার বিস্কুট শহর থেকে লাগাতার উদ্ধার হচ্ছে। শুল্ক দফতর, ডিআরআই, এসটিএফ সোনা উদ্ধার করলেও সোনা পাচার চক্র চেনের মতো কাজ করছে। সোনা পাচারের শিকড় মাকড়সার জালের মতো বহুদূর বিস্তৃত।

আরও পড়ুন: SSC মামলা থেকে সরলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, প্রাথমিকে আশার আলো, কিন্তু কেন?

গোয়েন্দারা মনে করছেন, কলকাতাকেই সোনা পাচারকারীরা  ট্রানসিট রুট হিসাবে ব্যবহার করছে। কেন্দ্রীয় শুল্ক দফতর সূত্রে খবর, চোরাই সোনা কলকাতায় আসার  রুট  হল বাংলাদেশ  থেকে পেট্রাপোলের কাছে জয়ন্তীপুর,  আঙ্গাই হয়ে বনগাঁ টাউন। এর পর দমদম, বিধাননগর, দমদম ক্যান্টনমেন্ট হয়ে কলকাতায় ঢুকছে সোনা। আবার  বাংলাদেশ, বসিরহাট বর্ডার  ( পানিতর, ভোজ ডাঙ্গা ) হয়ে  চোরাই সোনা দমদম, বিধাননগর বা দমদম ক্যান্টনমেন্ট হয়ে বড়বাজার ঢুকছে। আবার বাংলাদেশ থেকে চোরাই সোনা  হিলি বর্ডার, বালুরঘাট, মালদা হয়ে বহরমপুর  হয়ে কলকাতা ঢুকছে। পাশাপাশি যেসব চোরাই সোনা ব্যাংকক, দুবাই থেকে আসছে কলকাতা এয়ারপোর্ট হয়ে পৌঁছেছে কলকাতা।

আরও পড়ুন: ফলাফলে খুশি নয়, খাতা পুনর্মূল্যায়ন করতে চায় মাধ্যমিকে নবম সৌরথ দে

ভুটান থেকে সোনা পাচারের রুট হল থিম্পু  হয়ে জয়গাও বর্ডার  এলাকা হয়ে শিলিগুড়ি হয়ে কলকাতা। মায়ানমার থেকে চোরাই সোনা পাচারের রুট হল, মায়ানমার সীমান্ত মোর, ইম্ফল,  শিলিগুড়ি হয়ে কলকাতা বা দিল্লি ঢুকছে সোনা। কলকাতা থেকে ওই সোনা  চলে যাচ্ছে  বিভিন্ন জায়গায় কটক, পাটনা, বেনারস,  রায়পুর, বিহার, ঝাড়খন্ড, উত্তরপ্রদেশ-সহ বিভিন্ন জায়গায় চলে যাচ্ছে। ভারতে সোনার চাহিদা আকাশছোঁয়া। কলকাতাকে ট্রানসিট রুট হিসাবে ব্যবহারের কারণ কারিগরদের পারিশ্রমিক অনেক কম। মুম্বাই, দিল্লির তুলনায় নিরাপত্তা এখানে অনেকটা ঢিলেঢালা। বড়বাজার, বৌবাজার, সিঁথিতে পাচার হওয়া সোনা আসছে। চলছে রমরমিয়ে ব্যাবসা। আন্তর্জাতিক সোনা পাচার চক্রে কলকাতাকেই সেফ করিডোর হিসাবে ব্যবহার করছে সোনা পাচারকারীরা।

ARPITA HAZRA

Published by:Uddalak B
First published:

Tags: Smuggling

পরবর্তী খবর