বাজছে স্পিকার, খোল-করতাল! মৃতদেহ ঘিরে শ্মশান যাত্রীদের উদ্দাম নাচে স্তম্ভিত সকলে

বাজছে স্পিকার, খোল-করতাল! মৃতদেহ ঘিরে শ্মশান যাত্রীদের উদ্দাম নাচে স্তম্ভিত সকলে

শ্মশানে আসা প্রত্যেকের হাতেই ছিল ঢোল করতাল-সহ একাধিক বাদ্য যন্ত্র। সঙ্গে আনা মিনি স্পিকারে চলছে গান। তার সঙ্গে তালে তালে বাজছে ঢোল।

  • Share this:

Debasish Chakraborty

#কলকাতা: শ্মশান যাত্রীরা মৃতদেহকে ঘিরে শোকের আবহকে ভুলে নাচ গানে ব্যাস্ত। স্তাম্ভিত শ্মশানে আসা অন্যান্য লোকজনেরা। বৈদ্যুতিক চুল্লির ঘরের পাশেই মৃতদেহ রেখে, তাঁকে ঘিরেই চলছে গানের সঙ্গে ভাংড়া নাচ৷ ঘটনাস্থল কলকাতার নিমতলা শ্মশান ঘাট।

শ্মশানে আসা প্রত্যেকের হাতেই ছিল ঢোল করতাল-সহ একাধিক বাদ্য যন্ত্র। সঙ্গে আনা মিনি স্পিকারে চলছে গান। তার সঙ্গে তালে তালে বাজছে ঢোল। শুধু পুরুষ শ্মশান যাত্রীরাই নয়, সঙ্গে আসা মহিলারাও পা মিলিয়ে নাচতে থাকেন শ্মশান ঘাটে। মৃতদেহ ঘিরে নাচগানের খবর ছড়িয়ে পড়ে দ্রুত। জমতে থাকে ভিড়। মৃতের পরিবার পরিজনদের কারও চোখেই জল নেই, নেয় দুঃখের রেশ টুকুও। অন্য মৃতদেহ নিয়ে মানুষজনরা তাঁদের প্ৰিয়জনের মৃতদেহ নিয়ে যখন শোকে বিহ্বল, কান্নার রব উঠছে চারিদিকে, সেখানেই চলছে উদ্দাম নাচ-গান।

খোঁজ খবর করে জানা গেলো যিনি মারা গিয়েছেন তাঁর আত্মীয়রা তাঁদের পরিবারের নিয়ম-ঐতিহ্য মেনেই নাচগান করছেন। কলকাতার বাসিন্দা রিম্পি অরোরা(৫২) এই মহিলা ছিলেন ওশো সম্প্রদায়ের। এই সম্প্রদায়ের মানুষজনরা মারা গেলে তাঁদের শেষ বিদায় জানানোর সময় আনন্দ উচ্ছ্বাসে মেতে ওটাই রীতি। সেই কারণেই এই নাচগান।

মৃত রিম্পা অরোরার এক পরিজন প্রকাশ কিল্লা জানান, তাঁদের ধর্মীয় গুরুর নির্দেশেই এই ধরণের অনুষ্ঠান বা রীতি পালন করে থাকেন তাঁরা। অন্য মৃতদেহ নিয়ে আসা মানুষজনদের দুঃখের সময় তাঁদের এই নিয়ম পালনে যতটুকু সমস্যা হয়েছে, তার জন্য তারা তাঁদের কাছে ক্ষমাও চেয়ে নিয়েছেন আরোরা পরিবার।

First published: January 21, 2020, 6:16 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर