রেস্তোরাঁয় খেয়ে কার্ডে পেমেন্ট ! সব তথ্য ওয়েটারের কাছে নেই তো ?

রেস্তোরাঁয় খেয়ে কার্ডে পেমেন্ট ! সব তথ্য ওয়েটারের কাছে নেই তো ?
রেস্তোরাঁয় খেয়ে কার্ডে পেমেন্ট !

এটিএম প্রতারনায় শুধু বয়স্কদের টার্গেট নয়, যারা রেস্তোরাঁয় বা নামী হোটেলে যান তারও টার্গেট।

  • Share this:

#কলকাতা: এটিএমের প্রতারনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদে উঠে আসে নতুন তথ্য। এটিএম প্রতারনায় শুধু বয়স্কদের টার্গেট নয়, যারা রেস্তোরাঁয় বা নামী হোটেলে যান তারও টার্গেট। তাদের খাবার পরে সবাইকেই করতে হয় পেমেন্ট। জিজিটাল দুনিয়ায় বেশিভাগ লোকই নিজের মানি ব্যাগ থেকে বার করে দেন ডেবিট কার্ড। নিজের নামের ডেবিট কার্ড অনেক সময় চলে যায় নজরের বাইরে। ঠিক সেই সময়ের অপেক্ষায় থাকে প্রতারকরা। হোটেলে পেমেন্ট করার জন্য যাকে কার্ডটি দেওয়া হল তার সঙ্গে জরিত প্রতারক। তাদের কাছের থাকে স্কিমিং মেসিন। আপনার অর্ডারের যে টাকা পেমেন্ট করলেন তার থেকে গুরুত্বপূর্ণ ডেবিট কার্ডের তথ্য শেয়ার করলেন হোটেলের কর্মী তথা প্রতারকদের সঙ্গে। এই ঘটনার কথা শুনেই লালবাজারের গোয়েন্দারা শুরু করেছেন হোটেল, রেস্তোরাঁ তালিকা তৈরীর কাজ। অভিযুক্তদের কাছ থেকে জানার চেষ্টা চলছে কোন কোন কর্মীকে এই প্রতারনার সাথে যুক্ত। এখনও কতজন বিপদ মুক্ত নন তাও জানতে চায় কলকাতা পুলিশ। জানা গেছে দক্ষিণ কলকাতার অনেকগুলো হোটেল বা রেস্তোরাঁ টার্গেট ছিল। কী কী সাবধানতা নেবেন?

সাইবার বিশেষজ্ঞদের কাছে এই প্রতারণা নতুন নয়। শহরবাসীর কাছে নতুন হলেও বিদেশে অনেকদিন আগেই চলছে একই ভাবে প্রতারনা। সামান্য একটু সচেতনতায় মিলতে পারে স্বস্তি। যখন পেমেন্ট করার সময় আসবে প্রয়োজন না হলে কার্ড ব্যাবহার না করার কথা বলছেন সাইবার বিশেষজ্ঞ। কার্ড দিলেও নজরের রাখবেন, নিজের কার্ড অন্য কেউ ব্যবহার করলেও সমস্ত প্রক্রিয়া দেখানো অব্যশিক। যদিও কোন মেসিনে কার্ড রেখে পেমেন্ট করতে হয় তার বিপদ অনেক কম। বিপদ বেড়ে যায় কার্ড সোয়াপ করার মেসি গুলোতে। সেগুলোতেই পেমেন্টের সময় নিজের মোবাইলের ব্লুটুথ অন করে রাখলে আপনার মোবাইলে যদি অনেকগুলো ডিজিটের কোন সিগনাল আসে, তাহলে বুঝবেন স্কিমিং মেসিন আছে আসে সেই মেসিনে। খুব সামান্য কয়েকটি সাবধানতায় প্রতারিত হবার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়।

Susovan Bhattacharjee
First published: January 18, 2020, 8:32 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर