corona virus btn
corona virus btn
Loading

শেষ হল রাজ্য রাজনীতিতে সাড়া ফেলে দেওয়া একটি মামলা, বেকসুর খালাস লালু আলম

শেষ হল রাজ্য রাজনীতিতে সাড়া ফেলে দেওয়া একটি মামলা, বেকসুর খালাস লালু আলম

হাজরা মোড়ে এই হামলার পরে রাজ্যে বাম-বিরোধী রাজনীতির শিরোনামে চলে আসেন মমতা। তাঁকে খুনের চেষ্টার অভিযোগে মামলাও চলতে থাকে।

  • Share this:

#কলকাতা: বেকসুর খালাস লালু আলম। ১৯৯০ সালের ১৬ অগাস্ট হাজরা মোড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথায় লাঠি মেরে খুনের চেষ্টায় অভিযুক্ত ছিলেন লালু। গত ২১ অগাস্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, ওই মামলায় তিনি লালুকে ক্ষমা করে দিচ্ছেন। সাক্ষ্যপ্রমাণের অভাবে বৃহস্পতিবার লালু আলমকে বেকসুর খালাস করেন আলিপুর আদালতের বিচারক।

বেকসুর খালাস লালু আলম

মমতার মাথায় লাঠি মারায় অভিযুক্ত লালু

লালুকে 'ক্ষমা' করে চিঠি দেন মমতা

২৯ বছর আগের ঘটনা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখন কংগ্রেসের যুবনেত্রী। ১৯৯০ সালের ১৬ অগাস্ট বনধের ডাক দেয় প্রদেশ কংগ্রেস। বনধের সমর্থনে হাজরা মোড়ে রাস্তায় নামেন যাদবপুরের তৎকালীন সাংসদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তখনই সিপিএমের যুবনেতা লালু আলম ও তাঁর দলবলের হাতে তিনি আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ। মাথায় গুরুতর আঘাত পান মমতা। ভরতি করা হয় হাসপাতালে। দীর্ঘদিন চিকিৎসা চলে মমতার।

হাজরা মোড়ে এই হামলার পরে রাজ্যে বাম-বিরোধী রাজনীতির শিরোনামে চলে আসেন মমতা। তাঁকে খুনের চেষ্টার অভিযোগে মামলাও চলতে থাকে।

১৯৯৪ সালে একবার সাক্ষ্যও দিয়েছিলেন মমতা। কিন্তু বাম সরকারের আমলে মামলা গতি পায়নি। ২০১১ সালে রাজ্যে পালাবদলের পরে মামলায় গতি আনার চেষ্টা হয়। সেই কিন্তু সেই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের প্রায় সবাই প্রয়াত। চার্জশিটে নাম থাকা ১২ জনের মধ্যে লালু আলম ছাড়া বাকিরা হয় মৃত, নয়তো পলাতক। গত ২১ অগাস্ট ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাক্ষ্য দেওয়ার কথা ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কিন্তু মামলার দীর্ঘসূত্রিতার কারণে তিনি আশি ছুঁইছুঁই লালুকে ক্ষমা করে দেওয়ার কথা জানান মমতা। সরকারি আইনজীবীও মামলা শেষ করে দেওয়ার আবেদন জানান। সেই আবেদনের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার আলিপুর আদালতের ষষ্ঠ অতিরিক্ত জেলা বিচারক পুষ্পল শতপথী সাক্ষ্যপ্রমাণের অভাবে লালু আলমকে বেকসুর খালাস করার রায় দেন।

শেষ হল রাজ্য রাজনীতিতে সাড়া ফেলে দেওয়া একটি মামলা।

First published: September 13, 2019, 2:48 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर