• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • CPIM WANTS TO GIVE PRIORITY YOUTH LEADERSHIP AFTER WEST BENGAL ASSEMBLY ELECTION SB

Red Volunteers: রেড ভলেন্টিয়ারদের কুর্নিশ, 'শূন্য' হয়ে এবার তরুণ মুখে নজর CPM-এর!

ভরসার নাম রেড ভলেন্টিয়ার

Red Volunteers: প্রথাগত ভাবনায় হেঁটে শুধুমাত্র অভিজ্ঞদের দিয়ে আর যে জনভিত্তি তৈরি করা সম্ভব হবে না, তা বিলক্ষণ বুঝতে পারছেন বাম নেতৃত্ব।

  • Share this:

    #কলকাতা: ভরাডুবি বললেও কম বলা হয়। রাজ্যের ৩৪ বছরের একদা শাসক দলের এখন একজনও বিধায়ক নেই বিধানসভায়। পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস ও আইএসএফ-কে জোটসঙ্গী করেও ধুয়েমুছে সাফ হয়ে গিয়েছে বাম শিবির। এই পরিস্থিতিতে অবশেষে তরুণ মুখে ভরসা খুঁজতে চাইছেন সূর্যকান্ত মিশ্ররা। আর সেই পদক্ষেপে সিপিএম-কে কার্যত 'বাধ্য' করছে রেড ভলেন্টিয়ারদের করোনাকালে পরিশ্রম, জনসেবার বিষয়গুলি। সোমবার সিপিআই(এম) পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির তরফে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র রেড ভলেন্টিয়ারদের কুর্নিশ জানিয়ে বলেন, 'ময়োপযোগী কাজ হচ্ছে। এখান থেকে শিক্ষা নেওয়ার আছে। রাজ্য কমিটি স্থির করেছে, পর্যালোচনার কাজ চলবে। পার্টি ও জনগণের সব অংশের মধ্যে থেকে আরো বিশদে অভিমত সংগ্রহ করা হবে। পরে পলিটব্যুরো ও কেন্দ্রীয় কমিটিও এই পর্যালোচনা করবে। রাজ্য কমিটি বলেছে, পরাজয় স্বীকার করার অর্থ হতাশা নয়। পরাজয় থেকে শিক্ষা নিয়েই কমিউনিস্টদের এগোতে হবে।'

    একই প্রথাগত ভাবনায় হেঁটে শুধুমাত্র অভিজ্ঞদের দিয়ে আর যে জনভিত্তি তৈরি করা সম্ভব হবে না, তা বিলক্ষণ বুঝতে পারছেন বাম নেতৃত্ব। তাই রাজ্য কমিটির বৈঠকের পর সূর্যকান্ত মিশ্র প্রেস বিজ্ঞপ্তি মারফৎ বলেন, ''যে তরুণরা আমাদের চারপাশে এসেছেন, তারা আমাদের সম্পদ। এদের যত্ন করতে হবে, পার্টি কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসতে শ্রেণি ও জনগণের বিভিন্ন অংশের সঙ্গে যোগাযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। জনগণের জীবনের সমস্যাগুলি নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। শ্রেণি আন্দোলনের তীক্ষ্ণতা বৃদ্ধি করতে হবে।'

    ক্ষমতা দখল তো দূর, রাজ্য বিধানসভায় বিধায়কহীন দল হয়ে সিপিএমের এখন পর্যবেক্ষণ, সমাজের নীচু স্তরে আদিবাসী, তফসিলি জাতির মানুষের সমস্যায় তাদের পাশে থাকা বৃদ্ধি করতে হবে। শ্রেণি আন্দোলনের প্রশ্ন থেকে সামাজিক প্রশ্নকে পৃথক করা যায় না। পরিচিতিসত্ত্বাকে বিভাজনের জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ বামেদের। তাই তাঁরা শ্রেণি ঐক্য গড়ে তোলার জন্য তার গণতান্ত্রিক উপাদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলছে। এমনকী বিজেপি সাংসদ জন বার্লার তোলা পৃথক উত্তরবঙ্গের দাবি প্রসঙ্গেও সিপিএম-এর অবস্থান, বাংলা বিভাজনের যে কথা উত্থাপন করা হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে বামপন্থীরা লড়াই করবে।

    বামপন্থী দলগুলির সর্বভারতীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে এরাজ্যে ২৪ জুন থেকে ৫ জুলাই প্রচার, প্রতিবাদ ও বিক্ষোভের কর্মসূচি হবে। ৩০জুন বামফ্রন্টের পক্ষ থেকে ‘হুল দিবস’ পালন করা হবে। সেখানে সকালে রক্তদান ও বিকেলে কর্মসূচি পালন হবে।

    Published by:Suman Biswas
    First published: