• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • CPIM TWO DAYS STATE COMMITTEE MEETING WILL START TODAY SEVERAL REVIEW TO BE DONE AKD

কেন ভরাডুবি, মানুষের মন পড়া গেল না কেন, উত্তর খুঁজতে সিপিএম রাজ্যকমিটির দু'দিনে বৈঠক

ভুল স্বীকার আলিমুদ্দিনে!

প্রতিটি জেলা ধরে পর্যালোচনা হবে ব্যর্থতার। খুঁটিয়ে শোনা হবে জেলার নেতাদের স্ব-স্ব পর্যবেক্ষণ, কথা হবে জোট নিয়েও।

  • Share this:

#কলকাতা: ভোট বিপর্যয় কেন হল, যে দল ৩৫ বছর ক্ষমতায় ছিল, এত দ্রুত শূন্যে এসে পৌঁছল কী ভাবে তারা, এই সমস্ত বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনা করতে আজ থেকে থেকে রাজ্য কমিটির বৈঠক বসবে সিপিএম-এর। বৈঠক চলবে আগামী দু'দিন ধরে। দিল্লি থেকে সীতারাম ইয়েচুরি, প্রকাশ কারাটরা এই বৈঠকের দিকে নজর রাখবেন। মূলত কথা হবে ভোটে হারের কারণ নিয়েই। প্রতিটি জেলা ধরে পর্যালোচনা হবে ব্যর্থতার। খুঁটিয়ে শোনা হবে জেলার নেতাদের স্ব-স্ব পর্যবেক্ষণ, কথা হবে জোট নিয়েও।

সিপিএমের ভরাডুবির পর প্রথম রাজ্য কমিটির বৈঠক হয় গত ২৯ মে। সেই বৈঠকে বেনজির ভাবে বহু নেতাই কাঠগড়ায় তোলেআলিমুদ্দিনকে। অধিকাংশ নেতাই নিয়ে প্রশ্ন তোলেন জোট নিয়ে, বিশেষত প্রশ্ন ওঠে আইএসএফ-এর মতো ভুঁইফোড় দলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধা নিয়ে। অধিকাংশ নেতাই মত দেন, এই জোটের কারণেই দলের ধর্মনিরপেক্ষ ইমেজের দাগ লেগে গিয়েছে। আজও এই জোটের প্রসঙ্গ উঠতে চলেছে রাজ্য কমিটির বৈঠকে। মূল্যায়ন হবে আরও গভীরে গিয়ে।

রাজ্যে যখন কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে দল এভাবে ধরাশায়ী হল তখনই কেরালায় দলের ফল হয়েছে উল্টো। এক যাত্রা পৃথক ফল কেন, এই নিয়েও কথা বলবেন সিপিএমের রাজ্য কমিটির নেতারা। যদিও জোট ভাঙার মতো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে  আলিমুদ্দিন  তা আগেভাগেই বুঝিয়ে দিয়েছিলেন সূর্যকান্ত মিশ্র। তবে ঘরে-বাইরে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনার অবকাশ রয়েছে।

জোট যদি সিপিএমের বহিরঙ্গ হয় তবে অন্তরঙ্গ বামফ্রন্ট। আর সেই ফ্রন্ট শরিকরাও সিপিএমের বিরুদ্ধে নানা কারণে সরব। বিশেষ করে ফরওয়ার্ড ব্লকের সঙ্গে দিন কয়েক আগেই সামান্য সংঘাতের আবহ তৈরি হয় সিপিএম-এর। ব্লক নেতা নরেন চট্টোপাধ্যায় সিপিএম-এর দুই জোটসঙ্গী কংগ্রেস এবং আইএসএফ-কে ক্রাচ বলে উল্লেখ করেন। দ্ব্যার্থহীন ভাষায় ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন তিনি।

এর পর মঙ্গলবাড়ই ফ্রন্টের বৈঠকে স্থির হয়, সিপিএম-সহ ফ্রন্ট শরিকরা আগামী দিনে কেন্দ্র বিরোধী আন্দোলনে রাস্তায় নামবে। ফ্রন্টের বৈঠকে রাজ্যের প্রতি কিছুটা হলেও সুর নরম করার ইঙ্গিত ছিল। স্পষ্টই বলা হয় জনাদেশে ক্ষমতায় আসা দলের অযথা সমালোচনা মানুষই মেনে নেবে না। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে আগামীদিনের রুটম্যাপ কী হবে, কতটা চড়াতে হবে সুর, জোট সঙ্গীদের সঙ্গে কি দূরত্ব রাখবে সিপিএম, দুদিনের বৈঠকে  উঠে আসবে এসব বিবিধ প্রসঙ্গ।

Published by:Arka Deb
First published: