Home /News /kolkata /
CPIM Protest against Price Hike|| মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ! একসঙ্গে রাস্তায় নামল ১৫ বাম দল

CPIM Protest against Price Hike|| মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ! একসঙ্গে রাস্তায় নামল ১৫ বাম দল

CPIM protest against Huge market price hike: মঙ্গলবার কলকাতার রানি রাসমণি রোডে মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে অবস্থান বিক্ষোভ করল ১৫ দলের নেতা। উপস্থিত ছিলেন, বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, সিপিআইএমের পলিটব্যুরো সদস্য সূর্যকান্ত মিশ্র, দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম প্রমুখ।

আরও পড়ুন...
  • Share this:

#কলকাতা: দীর্ঘদিন পর একসাথে দেখা গেল ১৫টি বামপন্থী দলকে। মঙ্গলবার কলকাতার রানি রাসমণি রোডে মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে অবস্থান বিক্ষোভ করল ১৫ দলের নেতা। উপস্থিত ছিলেন, বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু, সিপিআইএমের পলিটব্যুরো সদস্য সূর্যকান্ত মিশ্র, দলের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম, সিপিআর-এর রাজ্য সম্পাদক স্বপন বন্দোপাধ্যায়, আরএসপির সাধারণ সম্পাদক মনোজ ভট্টাচার্যের পাশাপাশি পিডিএসের অনুরাধা পুততুন্ড, সিপিআই ভারতের বর্নালী মুখোপাধ্যায়, সিএলআরআই নেতা অসীম চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। অবস্থানে কর্মসূচিতে এসে বিমান বসু বলেন, "১৫ বাম দলের আহ্বানে কর্মসূচী। এর আগে জেলায় জেলায় কর্মসূচি হয়েছে। ২৫ থেকে ৩০ মে প্রচার চলেছে রাজ্যজুড়ে। বেকারির প্রতিবাদে। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ছিলো। একই সঙ্গে দেখা গিয়েছে কলকাতার বাজারে একই জিনিসের বিভিন্ন দাম। টাক্সফোর্সের কাজ কী? নাকে সরষের তেল দিয়ে ঘুমানো? এসএসসি পরীক্ষায় বসে উত্তির্ন হয়েছে কিন্তু কাজে নিয়োজিত হয়নি। এখনো বিক্ষোভ করছেন তাঁরা। যারা পরীক্ষা দেয়নি তাঁদের কাজ হয়েছে। সিএম বলছে এখানে নিয়ম মতো সবকিছু হয়। কী করে এরা পেল? নিয়ম মাফিক হয় না বেশিরভাগ কাজ। প্রতিবাদ করতেই হবে। জেলা থেকে শহরে।"

আরও পড়ুন: পরিবেশ সচেতনতায় পরিবেশ বান্ধব দুয়ারে সরকার ক্যাম্প, সৌজন্যে অশোকনগর পুরসভা

সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য সূর্যকান্ত মিশ্র বলেন, "দাম বাড়ে কেন? চাহিদা আর যোগানের ভারসাম্য বদল হলে দাম বাড়বে কমবে। আমাদের চাহিদা কমে গিয়েছে। কারন পকেটে টাকা নেই। পকেট কাটা হচ্ছে। পয়সা না থাকলে চাহিদা থাকা না থাকা সমান। পয়সা নেই কারন কাজ নেই। কাজ নেই কেনও? শিল্পে সংকট। এমন সঙ্কট চলছে ১৫০ বছর পৃথিবী এমন সঙ্কট দেখেনি। আর সরকার সব বিক্রি করে দিচ্ছে। রেল বিমা সব। এটা পৌত্রিক সম্পত্তি নাকি? জলের দরে বিক্রি করে দিচ্ছে। আগে ছিলো শিল্প পুজি। এখন উৎপাদন কম হচ্ছে। কারণ চাহিদা নেই। এখন লুটেরা পুঁজি। টাকা দিয়ে টাকা তুলবে। গমের উৎপাদন কমেছে কেনও। এত বড় আন্দোলন হলো। আন্দোলন আছে। না হলে জ্বালনির দাম কমাতো না মোদী। সারা দুনিয়াতে যা দাম এখানে বেশি। শেষ পর্যন্ত মানুষ আক্রান্ত। টাকা থেকে টাকা হলে উৎপাদন কী করে হবে।"

সিপিআইএমএর রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, "গোটা দেশে বাম দলগুলির ডাকে ২৫-৩১ মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে আন্দোলন কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছিলো। এখানে সহযোগী দলকেও যুক্ত করা হয়েছে। রাজ্য জুড়ে প্রচার হয়েছে। এটা চলবে। মানুসের অবস্থা খারাপ। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়ছে। কিন্তু কৃষক ফসলের দাম পাচ্ছে না। একদিকে মুনাফার পাহাড় অন্যদিকে থলে ভরছে না। অথচ সরকার এই কথা মানছে না। সরকার মানুষের বিরুদ্ধে যুক্ত ঘোষণা করছে। রেসন কার্ড বাতিল হয়েছে। যারা রুটি খায় তাদের সরকার বলছে ভাত খেতে হবে। আমরা সারা দেশে গণবন্টনের কথা বলেছি। পুঁজিবাদীরা বাজারের কথা বলছে। কালোবাজারি জন্য, মুনাফার জন্য। আমরা খাদ্য সঙ্কটের কথা বলেছিলাম। সরকার মানলো না।"

সিপিআই-এর রাজ্য সম্পাদক স্বপন বন্দোপাধ্যায় মূল্য বৃদ্ধির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন। তিনি বলেন, "চাকরি নেই। ছাঁটাই হচ্ছে। ভিআরএস হচ্ছে। বেসরকারি হাতে দেওয়ার আগে তাঁরা চাইছে লোক কমাতে। আগামি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ কোথায়? আমাদের শিক্ষকরা রাস্তায়। এতে উন্নয়ন হয়? জাতপাতের ভিভাজন চলছে। ধর্মের বিভাজন চলছে। রুটিরুজি নেই। মানুষ চিনতে শুরু করেছে বিজেপি তৃণমূলকে। আমরাই বিকল্প। এটা যত তাড়াতাড়ি মানুষকে বোঝাতে পারবো। তত তাড়াতাড়ি মুক্ত করা যাবে।"

বক্তব্য পেশ করেছিলেন সিপিআইএমএল লিবারেশনের নেতা কার্তিক পাল। তিনি বলেন, "জিনিসের দাম বিশেষ করে ওষুধের দাম বাড়ছে। চাল ডাল কিনলে মাছের দাম দেওয়ার টাকা থাকে না। এই দেশটা আমাদের। মোদী-শাহের নয়। শ্রমিক কৃষকের আয় বাড়েনি। আমরা দুশো দিনের কাজ চাই। কেন্দ্র উদাসিন। লাল পতাকার লড়াই দেখতে চায় মানুষ।" তবে এদিনের এই কর্মসূচি শেষ নয় আগামিদিনে এরকম কর্মসূচিতে একসাথে আন্দোলন করবেন বলে জানিয়েছেন নেতৃত্ব।

UJJAL ROY

Published by:Shubhagata Dey
First published:

Tags: Cpim

পরবর্তী খবর