corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা প্রতিরোধে 'ওয়াক ফ্রম ফিল্ড' CPIM-এর

করোনা প্রতিরোধে 'ওয়াক ফ্রম ফিল্ড' CPIM-এর

কোন মানুষের হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন হলে উদ্যোগ নিতে হবে। গাড়ির ব্যবস্থা করতে হবে। এই সময়ে রক্তের যোগানের ক্ষেত্রে যাতে কোনরকম সমস্যা না হয় সেদিকেও নজর রাখতে বলা হয়েছে।

  • Share this:

#কলকাতা: করোনা মোকাবিলার চলছে লকডাউন। স্কুল কলেজ  অফিস কাছারি বন্ধ। শুনশান রাস্তাঘাট। জরুরি পরিষেবা ছাড়া কেউই বাড়ির বাইরে বেরচ্ছেন না। বেশিরভাগ অফিস তাদের কর্মীদেরকে ওয়ার্ক ফ্রম হোমের নির্দেশ দিয়েছে। এমন অবস্থায় দলের নেতাদেরও ওয়াক ফ্রম হোমের বদলে 'ওয়ার্ক ফ্রম ফিল্ডে'র নির্দেশ দিয়েছে সিপিআইএম। তবে অবশ্যই সব নিয়ম কানুন মেনে৷

ওয়াক ফর্ম ফিল্ড কীরকম? সিপিএমের কলকাতা জেলা কমিটির সম্পাদক কল্লোল মজুমদার বলেন, "ইতিমধ্যেই কলকাতা জেলা কমিটির সদস্যদের বলে দেওয়া হয়েছে খুব প্রয়োজন না হলে পার্টি অফিসে আসার দরকার নেই। কোন কিছু আলোচনা করতে হলে তা ফোনের মাধ্যমে করে ফেলতে হবে। তবে মানুষের প্রয়োজনে অবশ্যই রাস্তায় থাকতে হবে সর্তকতা অবলম্বন করেই। লোকজনের জন্য কোন মানুষই বাড়ির বাইরে বেরোতে পারছেন না তাই তাদের কাছে পৌঁছে যেতে হবে। কোন মানুষের হাসপাতালে যাওয়ার প্রয়োজন হলে উদ্যোগ নিতে হবে। গাড়ির ব্যবস্থা করতে হবে। এই সময়ে রক্তের যোগানের ক্ষেত্রে যাতে কোনরকম সমস্যা না হয় সেদিকেও নজর রাখতে বলা হয়েছে। যেমন রক্তের প্রয়োজন মেটাতে ইতিমধ্যেই এলাকা ভিত্তিতে  পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। প্রচুর মানুষ রয়েছেন যারা জীবিকার জন্য কলকাতায় আটকে পড়েছেন তাদেরকে কিভাবে সাহায্য করা যায় সে বিষয়ে পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে।  বাড়ি পৌঁছানো সম্ভবণা খতিয়ে দেখে প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে উদ্যোগ নিতে হবে।" সিআইটিইউ নেতা আসাদুল্লাহ গায়েন জানান, "বিভিন্ন রাজ্যে আটকে পড়েছে বাংলা শ্রমিকরা সেই সংখ্যাটা খুব বড় আমরা ইতিমধ্যেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে দিয়েছি কিভাবে তাদেরকে সাহায্য করা যায় সে বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। যেখানে আমাদের সংগঠন রয়েছে সেই সব জায়গায় সেই সব জায়গায় সাংগঠনিকভাবে সাহায্য পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে যোগাযোগ করা হচ্ছে প্রশাসনের সঙ্গেও।" ডিওয়াইএফআই-এর তরফ থেকে 'পরিজন' নামে একটি অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে যেখানে রাজ্যের পরিচয় শ্রমিকদের প্রত্যেকের তথ্য জোগাড় করা হবে দেওয়া হবে স্থানীয় প্রশাসনকে তাদেরকে উদ্ধার করার জন্য। ডিওয়াইএফআই-য়ের রাজ্য সম্পাদক সায়নদীপ মিত্র জানান, "অন্য রাজ্যে বসবাস করা এই রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকদের থেকে যত ফোন পাচ্ছি অন্য রাতে শ্রমিকদের থেকে তা পাওয়া যাচ্ছে না এর থেকেই খুব সহজে বিষয়টা আন্দাজ করা যায় এ রাজ্যের পরিচয় শ্রমিকদের অবস্থা"

আলিমুদ্দিন স্ট্রিট থেকে প্রমোদ দাশগুপ্ত ভবন বন্ধ মুল ফটক। একই অবস্থা শ্রমিক ভবন এবং দীনেশ মজুমদার ভবনেরও। বেশ কয়েকদিন ধরেই দেখা নেই কোনও নেতার। মূলত বাড়িতে বসেই প্রত্যেককে কাজ করতে বলা হয়েছে। দলের ছাত্র যুব-সহ বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যরা লকডাউন এ বিভিন্ন মানুষকে সাহায্য করার কর্মসূচি নিয়েছেন। কিন্তু সেই কাজ ছাড়া কোন নেতারই বাইরে যাওয়ার অনুমতি নেই। মূলত বাড়িতে বসেই প্রত্যেকে সংগঠনের কাজ করছেন। মিটিং হচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে। নিচুতলায় কোনও নির্দেশ দেওয়ার হলে ফোনের মাধ্যমে তা করা হচ্ছে। প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে বাড়িতে সাংগঠনিক কাজ করা গেলেও রাস্তায় থাকতেই হচ্ছে মানুষের পাশে দাঁড়াতে৷

Published by: Pooja Basu
First published: April 2, 2020, 5:05 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर