• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • CPIM ADMITS THEIR STRATEGY CONSIDERING BJP AND TMC AS SAME ENEMY WAS WRONG STANCE AKD

CPIM party note| বিজেমূল-মস্ত ভুল, অবশেষে মেনেই নিল সিপিএম

বিজেমূল তত্ত্ব প্রণয়ন ঠিক হয়নি মানছে সিপিএম।

CPIM party note| ৫ অগাস্ট মুজফফর আহমেদের জন্মদিনে পাঠচক্রের আগে দলের তরফে পাঠচক্রের জন্য যে নোট তৈরি করা হয়েছে সেখানে স্পষ্ট বলা হচ্ছে, বিজেমূল জাতীয় স্লোগান বিভ্রান্তির জন্ম দিয়েছে।

  • Share this:

#কলকাতা: বিধানসভা ভোটের মরসুমে তৃণমূল এবং বিজেপিকে আক্রমণ করতে বিজেমূল তত্ত্ব হাতিয়ার করেছিল রাজ্য সিপিএম। ভোট সাঙ্গ হয়েছে।  বিধানসভায় এখন সিপিএম-এর আসন শূন্য এই অবস্থায় যেন বিলম্বিত বোধোদয় সিপিএম-এর। ৫ অগাস্ট মুজফফর আহমেদের জন্মদিনের আগে দলের তরফে পাঠচক্রের জন্য যে নোট তৈরি করা হয়েছে সেখানে স্পষ্ট বলা হচ্ছে, বিজেমূল জাতীয় স্লোগান বিভ্রান্তির জন্ম দিয়েছে। তৃণমূল এবং বিজেপি  কখনোই সমান নয়।

২০১১ সালে  ক্ষমতায় আসার পর থেকেই তৃনমূল সরকার নানা ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। বিভিন্ন আর্থিক কেলেঙ্কারিতে নাম জড়িয়েছে নেতা-মন্ত্রীদের, চিটফান্ড কাণ্ড অস্বস্তিতে ফেলেছে শাসক দলকে। কিন্তু সব ধরনের প্রতিষ্ঠান বিরোধিতাই যে সুকৌশলে সামাল দিতে পেরেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন সরকার, তা কার্যত মেনেই নিয়েছে সিপিএম। তাদেরই দলীয় নোটে বলা হয়েছে, "দিদিকে বলো, দুয়ারে সরকার- এই ধরনের কর্মসূচিগুলি প্রতিষ্ঠানবিরোধীতাকে প্রতিহত করার ক্ষেত্রে সফল হয়েছে। রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনমোহিনী প্রকল্পের সুফল তৃণমূল পেয়েছে।"

উল্লেখ্য সিপিএম এই পার্টি নোটে সিপিএম আলোচনা করেছে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং থিওরি নিয়েও। চিরকাল সিপিএম শ্রেণী-সংগ্রামের রাজনীতি করে এসেছে কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় আসার পরই মতুয়া সমাজের মন পেতে ব্রতী হন। ওদিকে বিজেপিও বাংলার অনগ্রসর দলিত আদিবাসী সম্প্রদায়ের মন পেতে নানা হাতিয়ারে শান দিয়েছে ভোটের মুখে। এই প্রসঙ্গে পার্টি নোটে বলা হয়েছে, শাসকশ্রেণী পরিচিতি সত্তাকে ব্যবহার করে শোষিত জনগণের মধ্যে বিভাজন করছে। আমাদের কাজ ন্যায্য গণতান্ত্রিক জীবন-জীবিকার দাবিগুলির ভিত্তিতে শ্রেণীসংগ্রামের মূলস্রোত ঐক্যবদ্ধ করা।

প্রসঙ্গত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি থেকেও সিপিএম প্রসঙ্গ এনেছিলেন দিন কয়েক আগেই। তিনি বলেছিলেন, সিপিএমকে ঠিক করতে হবে তাদের আসল শত্রু কে তৃণমূল না বিজেপি। এরপরে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসুকেও বলতে শোনা যায় বিজেপি ছাড়া সমস্ত দলের হাত ধরতে তারা তৈরি । পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বামেরা বেশ ভালই বুঝতে পারছে বিজেপি তৃণমূলকে এক আসনে বসানোটা সঠিক কাজ হয়নি। ভবিষ্যতে তৃণমূলের কাছাকাছি আসতেও পারে বামেরা।

সব দেখেশুনে বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেছেন, সিপিএম দলটা নানা দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগছে। জনসংযোগ হারিয়েছে তারা। পুরানো নীতিকে আঁকড়ে ধরে যথেষ্ট বিপদে পড়তে হয়েছে। এই কারণে তারা বারবার রণনীতি বদলাচ্ছে। এবং একটি নীতি অন্য নীতির মধ্যে স্ববিরোধিতা থাকছে। এই মুহূর্তে তারা যেটা করছে, তাতে অনেক বেশি অক্সিজেন পেয়ে যাচ্ছ রাজ্যের শাসক দল।

Published by:Arka Deb
First published: