এ রাজ্যে করোনা কি চরিত্র পাল্টাচ্ছে নিঃশব্দে? জানতে নতুন যুদ্ধে নামছে রাজ্য

এ রাজ্যেও শুরু হচ্ছে করোনার জিনোম সিকোয়েন্সিং।

সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের ৫-টি সরকারি ল্যাব থেকে প্রতি ১৫ দিনে ১৫টি করোনা উপসর্গের নমুনা পাঠানো হবে কল্যানীর এই ন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অব বায়োমেডিক্যাল জেনেটিক্সে পাঠানো হবে।

  • Share this:

    #কলকাতা: করোনা ভাইরাসের চরিত্রগত কোন পরিবর্তন হয়েছে কিনা, তা জানার জন্য এবার জিনোম সিকোয়েন্স করা হবে রাজ্যে। কল্যানীর ন্যাশানাল ইনসটিটিউট অফ বায়োমেডিক্যাল জেনেটিকসে হবে এই জিনোম সিকোয়েন্স। সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের ৫-টি সরকারি ল্যাব থেকে  প্রতি ১৫ দিনে ১৫-টি করোনা উপসর্গের নমুনা পাঠানো হবে কল্যানীর এই ন্যাশানাল ইনস্টিটিউট অব বায়োমেডিক্যাল জেনেটিক্সে পাঠানো হবে। এক্ষেত্রে যেসব ল্যাবের  সিটি ভ্যালু  ৩০-র নীচে আছে তাদের থেকেই নমুনা নেওয়া হবে।

    রাজ্যের পাঁচটি সরকারি হাসপাতাল, যেখানে দীর্ঘদিন করোনা আক্রান্ত হয়ে কেউ চিকিৎসাধীন অথবা তীব্র আশঙ্কাজনক অবস্থায়  রয়েছে তাদেরকে এক্ষেত্রে বেছে নেওয়া হচ্ছে। অন্য দিতে দুটি ডোজের করোনা টিকা নেওয়ার পরেও আশঙ্কাজনক অবস্থায় আক্রান্ত রয়েছেন তাদের বেছে নিয়েই করোনা পরীক্ষার স্যাম্পল পাঠানো হবে কল্যানীর ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব বায়োমেডিক্যাল জেনেটিক্সে। দেখা হবে করোনার চরিত্রে বদল হয়েছে কিনা কিনা।

    কলকাতার স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিন, বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিকেল কলেজ, কল্যাণী জে এন এম হাসপাতাল, উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ ,ডায়মন্ডহারবার মেডিকেল কলেজের ল্যাবকেই বেছে নেওয়া হচ্ছে এক্ষেত্রে। অন্য় দিকে রোগীর নমুনা নেওয়ার জন্য বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিকেল কলেজ, কল্যাণী জে এন এম হাসপাতাল, উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ, টালিগঞ্জ এম আর বাঙ্গুর হাসপাতাল, কৃষ্ণনগর জেলা হাসপাতালের থেকে আশঙ্কাজনক রোগীর নমুনা নেওয়া হবে।

    মনে রাখতে হবে রোগের লক্ষণ, উপসর্গ, সংক্রমণ ক্ষমতা, থেকে অনেক কিছুই করোনার এই দ্বিতীয় ঢেউতে আলাদা। কোভিডের উপসর্গ থাকলেও কোনও কোনও ক্ষেত্রে অত্যাধুনিক RTPCR মেশিনেও ধরা পড়ছে না‌ ভাইরাসের উপস্থিতি।  যে পরীক্ষাটি এত দিন গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড বলে মনে করা হত, তার এই পরিবর্তন কেন? তাহলে কি ভাইরাস চরিত্র পরিবর্তন করছে? এই পরিবর্তনের সঠিক তথ্য জানলে, সেই অনুযায়ী ওষুধ, ভ্যাকসিন প্রভৃতির কার্যকারিতা নির্ণয় করা সম্ভব। এব্যাপারেই নজরদারি করার জন্য চিহ্নিত হল পশ্চিমবঙ্গের ৫টি ল্যাব ও ৫টি হাসপাতাল।

    -অভিজিৎ চন্দের রিপোর্ট

    Published by:Arka Deb
    First published: