corona virus btn
corona virus btn
Loading

COVID-19: প্রবেশ নিষেধ পোস্টার এবার খাস কলকাতায়  

COVID-19: প্রবেশ নিষেধ পোস্টার এবার খাস কলকাতায়  

সংক্রমণ এড়াতে এই পোস্টার দাবি স্থানীয়দের

  • Share this:

#কলকাতা: বাহিরের লোকের প্রবেশ নিষেধ। খাস কলকাতায় এবার পোস্টার পড়ল। উওর কলকাতার পার্বতী ঘোষ লেনে এরকমই পোস্টার দিলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পোস্টার দেখা গেল কুমারটুলি সন্নিহিত এলাকায়। গ্রামের বা শহরতলির বিভিন্ন জায়গায় গত কয়েকদিন ধরে এমনই নানা পোস্টার লক্ষ্য করা গিয়েছিল। কিন্তু খাস কলকাতায় এমন পোস্টার অবাক করেছে সকলকে।

লকডাউন ঘোষণার পরেও এক শ্রেণীর মানুষের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। বিশেষত প্রতিদিন সকালে যেভাবে বাজারে ভিড় জমতে শুরু করেছিল। তাতে সাধারণ মানুষের লকডাউনের মান্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সেদিক থেকে ব্যতিক্রম হতে চলেছে কলকাতার এই রাস্তা।

কলকাতার সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ ধরে মহাজাতি সদন ছেড়ে শ্যামবাজারের দিকে এগোলেই দেখা মিলবে এই গলির রাস্তার। রাস্তার বাঁ-দিকে গলির মুখে ব্যারিকেড গড়ে তোলা হয়েছে। তার পাশেই সাদা কাগজের ওপরে কালো কালি দিয়ে নোটিশ টাঙানো আছে। যেখানে লেখা হয়েছে বাইরের লোকের প্রবেশ নিষেধ। নিষেধ অমান্য করে যাতে কেউ ভিররে প্রবেশ করতে না পারে সেই কারণে কোনও না কোনও বাড়ি থেকে চলছে নজরদারি। উওর কলকাতার এই গলির বাসিন্দা বিকাশ সোনকার। তিনি জানাচ্ছেন, "আমরা পাড়ার লোকেরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, ঠিক থাকব নিজেরাই। এই সব জায়গায় প্রচুর লোক কাজের জন্য আসেন। অনেক সময় বিদেশিরাও আসেন। এখন লকডাউন চলছে হয়তো কেউ আসবেন না। তবুও আমরা লিখে সচেতন করেছি।" গলির মুখে রয়েছে একটি বেসরকারি ব্যাংক। সেটা বন্ধ থাকলেও তাদের নিরাপত্তা রক্ষী যারা ছিলেন তারাও গলির মুখে পাহাড়া দিচ্ছেন যাতে কেউ ভিতরে প্রবেশ না করতে পারে। এই এলাকার অপর বাসিন্দা সৌমিত্র দাস। তিনি জানাচ্ছেন, "কার থেকে কিভাবে রোগ সংক্রমণ হচ্ছে তা তো আমরা জানিনা। তাই আগে ভাগেই বন্ধ করে দিলাম গলি। যাতে কেউ না আসে। আমাদের এলাকায় আমরা সবাইকে চিনি। তারা কেউ বিদেশ বা অন্য জায়গা থেকে আসেননি। তাই নিজেদের রক্ষা করতে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।" ওই এলাকায় পাশেই রয়েছে একটি মুদিখানার দোকান। সেখানে ফোন করে তারা জিনিষ আনছেন। আর চার পরিবার পিছু একজন করে গিয়ে বাজার নিয়ে আসছেন। সংক্রমণ ঠেকাতে কলকাতায় তারা মডেল হয়ে উঠতে চাইছেন। তাই সচেতন করতে আগে ভাগেই বাইরের লোকের প্রবেশ নিষিদ্ধ চেয়ে পোস্টার দেওয়া হয়েছে।

ABIR GHOSHAL

First published: April 15, 2020, 10:24 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर