করোনার জের ! মেট্রোয় কমল যাত্রীর সংখ্যা

করোনার জের ! মেট্রোয় কমল যাত্রীর সংখ্যা

করোনার জেরে এবার শুরু মেট্রো স্যানিটাইজেশনের কাজ।

  • Share this:

#কলকাতা: করোনার জেরে এবার শুরু মেট্রো স্যানিটাইজেশনের কাজ। নোয়াপাড়া ও কবি সুভাষ কারশেডে চলছে এই কাজ। বাদ নয় ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো। সল্টলেক সেন্ট্রাল ডিপোতে চলছে আধুনিক রেক স্যানিটাইজেশনের কাজ। যদিও করোনা'র জেরে ক্রমশ কমছে কলকাতা মেট্রোর যাত্রী। নোয়াপাড়া কারশেড। কলকাতা মেট্রো রক্ষণাবেক্ষণের প্রধান কাজ করা হয় এখান থেকেই। এবার সেখানেই চলছে, করোনার জন্য রেক স্যানিটাইজেশনের কাজ। এসি ও নন এসি সমস্ত রেকেই চলছে এই স্যানিটাইজেশনের কাজ। ভাইরাক্স ২ বলে এক বিশেষ ধরণের জীবাণুনাশক স্প্রে ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রথমে রেকের মেঝে পরিষ্কার করা হচ্ছে। তারপর তা জীবাণুনাশক স্প্রে করে দেওয়া হচ্ছে। রেকের প্রতিটি কোণ, যেমন সিটের তলায়, হ্যাঙারে, হ্যান্ড রেলে।এমনকি বাদ যাচ্ছে না, স্টেশন পরিচয় করানোর প্লেট, দরজা ও সিসিটিভি ক্যামেরা সহ সব কিছু। ভিতর থেকে যেমন প্রতিটি রেক পরিষ্কার করা হচ্ছে তেমনই বাইরে থেকেও প্রতিটি রেক ঢোকার মুখেই পরিষ্কার করে স্যানিটাইজ করা হচ্ছে। এর পাশাপাশি বদল আনা হয়েছে স্টেশন এলাকায়। টিকিট কাউন্টারে বা ফ্ল্যাপ গেটে যে বা যারা কাজ করছেন তাদের প্রত্যেককে বলা হয়েছে গ্লাভস বা মাস্ক পড়ে কাজ করতে। এমনকি টিকিট কাউন্টারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখার কথাও বলা হয়েছে। তেমনিভাবে ট্রেন চলতে শুরু করলে প্রতি বার প্রান্তিক স্টেশনে যখন ট্রেন এসে পৌছবে তখন স্যানিটাইজেশনের কাজ করা হবে। কারশেডে রেক পরীক্ষার কাজে যে সমস্ত স্টাফ যুক্ত থাকেন তারাই এই কাজ করবেন। এছাড়া বেশ কিছু স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে, যারা শ্রমদান করতে পারবেন তাদের সাথেও যোগাযোগ করা হয়েছে। মেট্রোরেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক ইন্দ্রাণী বন্দোপাধ্যায় বলেন, "স্বাস্থ্য বিধি মেনে যা যা কাজ করা উচিত তাই করা হচ্ছে। এছাড়া যাত্রীদের সচেতন করতে আমরা রেকের মধ্যে অডিও ক্লিপিংস চালাচ্ছি।" ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে গিয়ে চিকিৎসকরা কথা বলছেন যাত্রীদের সাথে। দেওয়া হয়েছে জরুরি নাম্বার। অন্যদিকে বিভিন্ন কারশেডে শুরু হয়ে গিয়েছে লোকাল ট্রেন স্যানিটাইজেশনের কাজও। সবচেয়ে বেশি মানুষ যাতায়াত করেন এই লোকাল ট্রেনে। বিশেষ করে নজর দেওয়া হচ্ছে হাওড়া ও শিয়ালদহ ডিভিশনে। পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক নিখিল চক্রবর্তী জানান, "করোনার জন্য যে সমস্ত ব্যবস্থা কেন্দ্রীয় সরকার গ্রহণ করতে বলেছে তার সবকিছু করা হয়েছে। সচেতন করাটা আমাদের কাজ। রেল হল গণ পরিবহণ ব্যবস্থার অন্যতম মাধ্যম। তাই সচেতনতায় আমরা জোর দিচ্ছি।"

ইতিমধ্যেই বিভিন্ন স্টেশনে ও ট্রেনের মধ্যে পোস্টার দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন স্টেশনে করোনা নিয়ে পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেমে ঘোষণা করা হচ্ছে। কিন্তু করোনার জেরে ক্রমশ কমছে ট্রেনের যাত্রী। প্রতিদিন গড়ে কলকাতা মেট্রোয় যাতায়াত করে প্রায় ৬ লক্ষ যাত্রী। গত কয়েকদিনে সেই সংখ্যা অনেকটাই কমেছে বলে মেট্রো সূত্রে খবর। ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রোয় আশানুরুপ যাত্রী এমনিতেই হচ্ছে না। এবার করোনার জেরে সেই সংখ্যাও কমতে শুরু করে দিল।

ABIR GHOSHAL

First published: March 17, 2020, 1:22 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर