corona virus btn
corona virus btn
Loading

বাড়তে পারে লকডাউন, রসদের টানের আশঙ্কায় রেশন দোকানে উপচে পড়া ভিড়, সামলাতে আসরে পুলিশ

বাড়তে পারে লকডাউন, রসদের টানের আশঙ্কায় রেশন দোকানে উপচে পড়া ভিড়, সামলাতে আসরে পুলিশ

সেই বিভ্রান্তির কারণেই ভোরবেলা থেকে রেশন দোকানে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন ক্রেতারা।

  • Share this:
#কলকাতা: রেশন দোকান ভিড় সামলাতে রাস্তায় নামতে হচ্ছে পুলিশকে। পর্যাপ্ত রেশনের যোগান রয়েছে সর্বত্র। তবুও লকডাউন বাড়ার গুজবে শহরের বহু রেশন দোকানে ভোর বেলা থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে ক্রেতারা। করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় লকডাউন দু সপ্তাহ হতে চলেছে। লকডাউনের জেরে স্তব্ধ জনজীবন। কিন্তু সরকারি সিদ্ধান্তে খোলা রয়েছে কিছু অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রীর দোকানপাট। রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল খাদ্য সামগ্রী যাতে কোনও টান না পড়ে তার জন্য রেশন দোকান গুলোতে সাধারণ মানুষের জন্য খোলা রাখা হবে। একই সঙ্গে দেওয়া হবে দু সপ্তাহের রেশন একই সঙ্গে।সেইমতো সব জায়গাতেই সকাল সন্ধ্যা দুবেলাই খোলা থাকছে রেশন দোকান। কিন্তু মানুষের মধ্যে জিনিসপত্র পাওয়া নিয়ে বিস্তর বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। সেই বিভ্রান্তির কারণেই ভোরবেলা থেকে রেশন দোকানে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন ক্রেতারা। রবিবার দক্ষিণ কলকাতার একটি রেশন দোকানে ভোরবেলা চারটের সময় লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন সীমা প্রামানিক। তিনি বলেন, 'কাল এসেছিলাম। কিন্তু এত লাইন ছিল দেখে ফিরে চলে গেছিলাম। আজ ভোর চারটের সময় এসে লাইনে দাঁড়িয়েছিল। আটটার সময় দোকান খুললে টোকেন নিয়ে বাড়ি চলে যাই। তারপর কিছু কাজ সেরে এসে প্রায় এক ঘন্টা  লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে মালপত্র পেলাম।' কালিকাপুরের একটি রেশন দোকানে কার্ড আছে বৈদ্যনাথ দাসের। বেলা এগারোটা নাগাদ দোকানের কাউন্টারে দাড়িয়ে তিনি বলেন, 'সকালে এত ভিড় হয়েছিল যে পুলিশ এসে লাইন ঠিক করে সকলকে টোকেন দিয়ে যায়। প্রায়ই তিন ঘন্টা দাঁড়িয়ে থেকে এখন কাউন্টারে পৌছালাম।' কিন্তু রেশন দোকান তো খোলা রয়েছে তাহলে এত তাড়াহুড়ো কেন ? বৈদ্যনাথবাবু বলেন, 'শুনছি লকডাউন বাড়বে। তাই আগেই চলে এলাম।'ওই রেশন দোকানের মালিক অরুণ বসু বলেন, 'জিনিসপত্রের কোনও কমতি নেই। অকারণে ক্রেতারা আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন। সরকারের নির্দেশ মত আমরা সকলকেই দুসপ্তাহের রেশন দিচ্ছি। যার যতগুলো কার্ড তিনি সেইমতো রেশন পাবেন। কিন্তু লোকের এত ভীড় করছেন যে পুলিশকে এসে লাইন নিয়ন্ত্রণ করতে হয়েছে আজ।' Soujan Mondal
Published by: Elina Datta
First published: April 6, 2020, 2:59 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर