corona virus btn
corona virus btn
Loading

করোনা সতর্কতা: বিচারাধীন বন্দীদের আনা হবে না আদালতে, ভিডিও কনফারেন্সে হবে বিচার

করোনা সতর্কতা: বিচারাধীন বন্দীদের আনা হবে না আদালতে, ভিডিও কনফারেন্সে হবে বিচার

করোনা সতর্কতায় ইতিমধ্যেই স্কুল-কলেজে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এবার আদালতগুলিতেও এ বিষয়ে সতর্কতামূলক নির্দেশিকা জারি করা হল।

  • Share this:

#কলকাতা: করোনা সতর্কতায় ইতিমধ্যেই স্কুল-কলেজে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এবার আদালতগুলিতেও এ বিষয়ে সতর্কতামূলক নির্দেশিকা জারি করা হল। এবার রাজ্যের নিম্ন আদালত গুলিতে করোনা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে নতুন ও অভিনব সিদ্ধান্ত নেওয়া হল।

নিম্ন আদালতগুলির ক্ষেত্রে হাই কোর্টের পরামর্শ, বিচারাধীন বন্দিদের খুব প্রয়োজন ছাড়া আদালতে হাজির করানোর প্রয়োজন নেই। অর্থাৎ বিভিন্ন জেল থেকে আদালতে যে সব বিচারাধীন বন্দিদের বিভিন্ন মামলার বিচার প্রক্রিয়ার জন্য রোজ নিম্ন আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়, সেই কাজ আপাতত বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছে আদালত। ২০ মার্চ পর্যন্ত এই পদ্ধতিতেই কাজ চালাতে বলা হয়েছে ওই তারিখের পরে পরবর্তী সিদ্ধান্ত জানাবে হাইকোর্ট।

বন্দিদের আদালতে হাজির না করলে কিভাবে চলবে বিচার প্রক্রিয়া?

এর উপায়ও জানিয়েছে হাইকোর্ট। হাইকোর্টের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, একান্ত প্রয়োজন ছাড়া কোনও বিচারাধীন বন্দীকে আদালতে নিয়ে আসার প্রয়োজন নেই। সে ক্ষেত্রে ভিডিও কনফারেন্সের সাহায্য নিয়ে বিচার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। বিচার প্রক্রিয়া যাতে বিলম্বিত না হয় সেজন্যই বলা হয়েছে জেল এবং আদালতের মধ্যে ভিডিও কনফারেন্সিং ব্যবস্থা চালু করতে। হাইকোর্টের নোটিফিকেশনে বলা হয়েছে, "বিচারাধীন বন্দীদের সশরীরে আদালতে হাজির না করিয়ে ভিডিও কনফারেন্স এর সুবিধা নেওয়া যেতে পারে।"

আইনজীবীরা জানাচ্ছেন, এই পদ্ধতিতে যে মামলাগুলোর বিচার চলছে আপাতত সেই মামলা সংক্রান্ত কাগজপত্র আদালতে পেশ করা হবে (আদালতের ভাষায় যাকে 'পেপার প্রোডাকশন' বলে)। তার ভিত্তিতে পরবর্তী নির্দেশ দেবে নিম্ন আদালতের বিচারক। ভিডিও কনফারেন্সের প্রয়োজন আছে কিনা সে ব্যাপারে ও নিম্ন আদালতের বিচারকই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন বলে মত আইনজীবীদের।

সোমবার থেকেই নিম্ন আদালতগুলিতে কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশিকা মত কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। এদিন আদালতে গিয়ে দেখা গেল জেল থেকে বন্দীদের আনা হয়নি। ভিডিও কনফারেন্স ব্যবস্থা চালু করার জন্যও উদ্যোগ শুরু হয়ে গিয়েছে।

ব্যাঙ্কশাল আদালতে আইনজীবী কেয়া চৌধুরী বলেন, "আগাম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ব্যবস্থা কত দিন চালু থাকবে সে ব্যাপারে হাইকোর্টই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।" হাইকোর্টের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন অন্য আইনজীবীরাও।

Published by: Akash Misra
First published: March 16, 2020, 6:41 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर