তৃণমূলের ‘স্বীকৃতি সম্মেলন’-এ করোনা আঁচ, কলমের সঙ্গে মাস্ক বিলোলেন মন্ত্রী

তৃণমূলের ‘স্বীকৃতি সম্মেলন’-এ করোনা আঁচ, কলমের সঙ্গে মাস্ক বিলোলেন মন্ত্রী
  • Share this:

#কলকাতা: হারানো জমি পুনরুদ্ধারে তৃণমূল কংগ্রেসের মাস্টার স্ট্রোক এই ‘স্বীকৃতি সম্মেলন’। রাজ্যের ২৯৪ বিধানসভায় একযোগে এই সম্মেলনের ডাক দিয়েছে রাজ্যের শাসকদল। রাসবিহারী বিধানসভা কেন্দ্রের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের একটা আঁতুড়ঘর-এর সম্পর্ক। রাজনীতিবিদরা বলে থাকেন, তৃণমূল কংগ্রেসের শুরুটা রাসবিহারী কেন্দ্রের এক গোপন বৈঠক থেকে।

সেই রাসবিহারী কেন্দ্রের বিধায়ক তথা রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় স্বীকৃতি সম্মেলন৷ একেবারে কেতাবী ঢঙে সে সম্মেলন হওয়ার কথা৷ কিন্তু তাতেও ছুঁয়ে গেলো করোনা আঁচ। উত্তাপ থেকে বাদ পড়লেন না খোদ মন্ত্রীও। নিজে মাস্ক পড়ে সম্মেলনে আগতদের মাস্ক বিলোলেন। উদ্দেশ্য একটাই, করোনা সচেতনতা বৃদ্ধি এবং একই সঙ্গে আগত প্রতিনিধিদের সম্মান প্রদান।

সাহানগর মোড়ে বিকেল পাঁচটায় মেরে কেটে ৫০ জনের উপস্থিতি, অনুষ্ঠান শেষের সময়ে বেড়ে হল ১০০ । রাজ্যের মন্ত্রী মাস্ক পরলেন, অন্যদেরও মুখোশ পরেই স্বীকৃতি সম্মেলনে অংশ নেওয়ার আবেদন রাখলেন। মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের কথায়, ‘গোটা বিশ্বে যেভাবে অস্থির পরিস্থিতি তৈরি করেছে করোনা, সেখানে সাবধানতা অবলম্বন করাই শ্রেয়। তাই মুখোশ পরেই স্বীকৃতি সম্মেলনের প্রত্যেককে স্বাগত জানাই।’ করোনার আতঙ্ক বলতে গিয়ে মন্ত্রী ১৯৯৭ সালের রাজ্য রাজনীতির আতঙ্কের প্রসঙ্গ টেনে আনেন।

কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট সরকারের গোপন বোঝাপড়ায় জন্যই রাজ্যে বিরোধী ঐক্য জোরদার হয়নি বলে অভিযোগ তাঁর। প্রবীণ তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীদের স্বীকৃতি স্বরূপ কলম ও ফুলের পাশাপাশি একটি করে মাস্কও নিজের হাতে তুলে দেন রাজ্যের বিদ্যুৎমন্ত্রী। প্রবীণ তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী দীপ্ত ঘোষ জানালেন, ‘এই বৃদ্ধ বয়সে দলের কাছ থেকে স্বীকৃতি পেয়ে খুবই গর্ববোধ করছি। দল আরো শক্তিশালী হবে নিঃসন্দেহে। অনুষ্ঠানের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মন্ত্রীর চোখে মুখে করোনা নিয়ে উদ্বেগ ধরা পড়েছে বারবার। পুরো ভোট পিছিয়ে দেওয়া উচিত? প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান করোনা পরিস্থিতি অস্বাভাবিক তবে পুরভোট পিছনোর বিষয়টি দল বিবেচনা করে দেখছে।

ARNAB HAZRA

First published: March 15, 2020, 10:56 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर