করোনা আতঙ্কে কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে কলকাতার মেয়ে সহ ১৫০ ভারতীয় পড়ুয়া

করোনা আতঙ্কে কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে কলকাতার মেয়ে সহ ১৫০ ভারতীয় পড়ুয়া

করোনা আতঙ্ককে সঙ্গী করে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন তারা দেশে ফিরতে। এদের অধিকাংশই মেডিকেল সায়েন্সের পড়ুয়া। হোয়াটঅ্যাপ বার্তায বাঁচানোর আর্জি

  • Share this:

#কলকাতা: করোনা আতঙ্কে কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে আটকে ১৫০ ভারতীয় পড়ুয়া।  বিশ্বে করোনা থাবায় ধুঁকছে ১৫৭ দেশ। ফিলিপিন্স তাদের মধ্যে অন্যতম। ম্য়ানিলা থেকে ভারতে ফিরতে গিয়ে চরম বিপাকে রোজারি মান্না।    কলকাতার রোজারি সহ ১৫০ বেশি ভারতীয় পড়ুয়া মঙ্গলবার ভোর থেকে আটকে কুয়ালালামপুর বিমান বন্দরে।

করোনা আতঙ্ককে সঙ্গী করে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন তারা দেশে ফিরতে। এদের অধিকাংশই মেডিকেল সায়েন্সের পড়ুয়া। রোজারি মান্না এমবিবিএস পড়তে যান ফিলিপিন্সের মানিলায়। ফাইনাল ইয়ারের ছাত্রী সে। রোজারি মতন আরো কিছু রাজ্যের পড়ুয়া আটকে রয়েছে কুয়ালালামপুর বিমানবন্দর।

করোনা আতঙ্কে ফিলিপিন্সে এই মুহুর্তে ত্রাহি ত্রাহি রব। ১২ এপ্রিল পর্যন্ত জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে সে দেশে। সেখানকার স্কুল কলেজ অফিস বন্ধ। বন্ধ পরিবহন ব্যবস্থা। ভারতের প্রায় দুই থেকে তিন হাজার পড়ুয়া সেখানে পড়াশোনার উদ্দেশ্যে যায়। গোটা বিশ্বে ১৫৭ বেশি দেশ করোনা প্রভাবিত। ফিলিপিন্সের ম্য়ানিলা থেকে দেশে ফেরার বিমান টিকিট হাতে নিয়েই কুয়ালালামপুর পৌঁছোয় পড়ুয়ারা। কলকাতা, চেন্নাই, দিল্লি, মুম্বই বিভিন্ন শহর হয়ে বাড়ি ফেরার বিমানের টিকিট নিশ্চিত ছিল প্রত্যেকের। মঙ্গলবার ভোররাতে কুয়ালালামপুর পৌঁছাতেই পড়ুয়ারা জানতে পারেন ভারতে ফেরার সব বিমান বাতিল হয়ে গিয়েছে। মাথায় হাত পড়ে যায় প্রত্যেক পড়ুয়ার । কুয়ালালামপুর বিমানবন্দর থেকেই ভারতের বিদেশ মন্ত্রকে পরপর টুইট করে সাহায্য চান পড়ুয়ারা।

কলকাতার রোজারি মান্না হোয়াটসঅ্যাপ কলে জানান, "মোবাইলের ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে আসছে। ২০ ঘণ্টার বেশি সময় আটকে বিমানবন্দরে। ফিলিপিন্স সরকার আমাদের ম্য়ানিলা ফিরতে দিচ্ছে না। প্লিজ আমাদের দেশে ফেরার ব্যবস্থা করুন।" মুখে মাস্ক পরে কুড়ি ঘণ্টারও বেশি সময় কুয়ালালামপুর  বিমানবন্দরের মধ্যে করোনা আতঙ্কের মধ্যে কাটাচ্ছে ভারতীয় পড়ুয়ারা। রোজারি বাবা আইনজীবী রামদুলাল মান্না কাতর আবেদন, " একে তো করোনা আতঙ্ক তার ওপর বিমানবন্দরের মধ্যে মেয়ে সহ তার সহপাঠীরা আটকে রয়েছে। রাজ্য এবং কেন্দ্রের কাছে আবেদন করব পড়ুয়াদের বাড়ি ফেরার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে ভেবে দেখুক।"

Arnab Hazra

First published: March 17, 2020, 8:16 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर