corona virus btn
corona virus btn
Loading

কাঁচা বাজার থেকে ওষুধ, একটা ফোন-হোয়াটসঅ্যাপে রেলকর্মীদের ঘরে পৌঁছে যাবে প্রয়োজনীয় জিনিস

কাঁচা বাজার থেকে ওষুধ, একটা ফোন-হোয়াটসঅ্যাপে রেলকর্মীদের ঘরে পৌঁছে যাবে প্রয়োজনীয় জিনিস

:নয়া ব্যবস্থা চালু হয়ে গেল খড়গপুর ডিভিশনে

  • Share this:

#কলকাতা: আপনি রেল কর্মী? লকডাউনের জেরে সমস্যায় পড়েছেন। নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষ প্রয়োজন। যদিও আনতে পারছেন না তো। মুশকিল আসান সেই রেল। শুধু একটা ফোন ঘোরান। চটজলদি আপনার কাছে পৌছে যাবে খাবার সহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষ। সমস্যা মেটাতে এমনই আয়োজন করল দক্ষিণ পূর্ব রেল। তৈরি করে ফেলা হল একটা কল সেন্টার। খড়গপুরে এই কলসেন্টার বানালো দক্ষিণ পূর্ব রেল।

দক্ষিণ পূর্ব রেলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের বহু কর্মী রয়েছেন তাদের সকাল থেকে অন্যান্য দিনের মতোই কাজ করতে হচ্ছে। বিশেষ করে যারা লাইন মেরামতির কাজ করছেন, যারা স্টেশন মাস্টার বা সহকারী স্টেশন মাস্টার বা বিদ্যুৎ পরিবাহী সামলানোর কাজ করছেন তাদের পরিবারের সদস্যদের কথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ডিভিশনাল রেলওয়ে ম্যানেজার খড়গপুর এই উদ্যোগ নিয়েছেন। তবে শুধুমাত্র ফোন নয় হোয়াটসঅ্যাপেও মেসেজ পাঠালে এই সুবিধা পাওয়া যাবে। ০৭৯০৮৩৯৮৮৫৪ এই নাম্বারে হোয়াটসঅ্যাপ করলেই হবে। মুদিখানার জিনিষ এবং ওষুধ মুলত এই দুটি জিনিষই সরবরাহ করা হবে রেল কলোনিতে। খড়গপুর ডিভিশন সূত্রে খবর, সকাল আট'টা থেকে সকাল ১০টা ও বিকেলে ৩'টে থেকে বিকেল ৫'টা অবধি এই নাম্বারে যোগাযোগ করতে হবে। দক্ষিণ পূর্ব রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সঞ্জয় ঘোষ জানান, "সব ধরণের সাহায্য রেলের কর্মীদের প্রাপ্য। কারণ এই লকডাউনের মধ্যেও তারা নিরন্তর কাজ করে চলেছেন। পণ্যবাহী রেল চলাচল করছে। সেই পরিষেবা কিন্তু অক্ষুন্ন রাখছেন এনারাই। তাই এনাদের সুবিধার জন্য আমরা তৈরি করে ফেলেছি এই হেল্পডেস্ক।" ফলে ইঞ্জিনিয়ারিং, নিরাপত্তা ও রেলের যারা স্বাস্থ্যকর্মী আছেন তারা প্রত্যেকেই এই সুবিধা পাবেন।

অন্যদিকে স্টেশন এলাকায় বহু মানুষ আছেন যাদের নিরন্তর খাওয়ানোর ব্যবস্থা করছে রেল। আই আর সি টি সি'র গ্রুপ জেনারেল ম্যানেজার দেবাশিষ চন্দ্র জানিয়েছেন, "আমরা হাওড়া স্টেশনে, আমাদের যে বেস কিচেন আছে। তাতে আমরা প্রতিদিন প্রায় সাড়ে তিন হাজার মানুষের জন্য রান্না করছি। এই খাবার তুলে দেওয়া হচ্ছে রেল রক্ষী বাহিনীর হাতে। তারাই শিয়ালদহ ও হাওড়া স্টেশনের বাইরে প্রতিদিন এই খাবার খাওয়াচ্ছেন।" চেষ্টা করা হচ্ছে আগামীদিনে মালদা ও আসানসোলে এই ব্যবস্থা যদি চালু করতে পারা যায়।

ABIR GHOSHAL

Published by: Ananya Chakraborty
First published: April 1, 2020, 4:11 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर