corona virus btn
corona virus btn
Loading

শিশুদের মনেও প্রভাব ফেলেছে করোনা, ওরাও চাইছে করোনাসুরকে বধ করতে

শিশুদের মনেও প্রভাব ফেলেছে করোনা, ওরাও চাইছে করোনাসুরকে বধ করতে

শিশু মনেও প্রভাব ফেলেছে করোনা, তাই করোনার চোখ রাঙানিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চাইছে করোনাসুরকে বধ করতে

  • Share this:

#কলকাতা: করোনায় সবার করুন অবস্থা, লকডাউনে সময় যেন অফুরন্ত। সকাল থেকে শুরু দিন শেষের পরিকল্পনা তাও যেন রোজই বড় হচ্ছে দিন। দিনের সময় না বাড়লেও মন খারাপ বাড়ছে লকডাউনে। সবাই ভাবছে করোনার শেষ কবে? হ্যান্ড স্যানিটাইজার আর মাস্ক যেন চিরস্থায়ী না হয়। অনেকেই চাইছেন করোনা বধ করতে। চিকিৎসকরা চেষ্টা চলাচ্ছেন সেই করোনার যুদ্ধ চালিয়ে যেতে। করোনার সঙ্গে তাদের যোন রোজই ওয়ান ডে ম্যাচ। দিনের শেষ কমল না বাড়ল। গোটা বিশ্ব যখন মুক্তি পেতে চায় করোনা থেকে তখনই ওরাও চায় করোনা মারতে।

না চোখে ওরা করোনা দেখেনি, মনে মনে করোনার তিক্ততা তৈরি হয়েছে। ওরা বয়সে ছোট, লকডাউনে ড্রইং খাতাতে অন্য মনে ক্যানভাসে করোনার যুদ্ধ। সেই ভয়াবহতা থেকে মুক্তি পেতে চাইছে ক্ষুদে মন। তারা জানে না লকডাউনের নিয়ম। লকডাউনে ওদের বন্ধ মাঠ, বন্ধ পড়াশোনা, বন্ধ জীবন। ওরা জানে না লকডাউনের কত তম দিনে কি প্রভাব, তবে ওরা জানে মারন করোনার ভয়াবহতা। একটু একটু করে চেনা শহরের অচেনা ছবিটা ওদের চোখে ভাসছে। সেই মনের ভাবনার ফুটিয়ে তুলতে চাইছে ড্রইংয়ের খাতার পাতায়।

এদের শিশু মনেও প্রভাব ফেলেছে করোনা, তাই করোনার চোখ রাঙানিকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চাইছে করোনাসুরকে বধ করতে। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন এক পর্যটকপ্রেমি জয়দীপ মুখার্জি ও সগুনা মুখার্জি। না তাদের শুধু গাইড নয়, তাদের সব ভাবনাকে মুখার্জি দম্পতি চায় বিদেশে নিয়ে যেতে। শহর কলকাতায় থেকে আমেরিকা, ফ্রান্স, ইতালির দুরত্ব যে কোনও জায়গা হোক না কেন সমস্যা এখন এক। কুমোরটুলির ছোট্টদের বড় বড় ভাবনা তুলে ধরতে চায় অন্য দেশের মানুষের কাছে। ওরা বলছে ভাষা আলাদা, খাবার আলাদা, লাইফ স্টাইল আলাদা হলেও সমস্যা তো এক।

Susobhan Bhattacharjee

First published: May 1, 2020, 10:16 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर