ক্যামেরা দেখলেই পালিয়ে যাচ্ছেন চায়না টাউনের বাসিন্দারা, করোনা আতঙ্কের রেশ কলকাতায়

ক্যামেরা দেখলেই পালিয়ে যাচ্ছেন চায়না টাউনের বাসিন্দারা, করোনা আতঙ্কের রেশ কলকাতায়
Representative Image

বৃহস্পতিবার সকালবেলা ট্যাংরা থানা এলাকার চায়না টাউনে পরিস্থিতি দেখলে তো যে কেউ ঘাবড়ে যাবেন।

  • Share this:

#কলকাতা: করোনা ভাইরাসের দাপট চিন থেকে ছড়িয়ে ইতালি এবং নানা দেশ হয়ে ভারতবর্ষেও উঁকি মারছে। যে ২৮ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা গেছে, তাঁদের বেশিরভাগই চিনের মানুষ এবং তাদের চিন ও অন্যান্য দেশে যাতায়াত রয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, একসঙ্গে ছোট্ট পরিসরে জমায়েত না হওয়া বা অনেকে একসঙ্গে একঘরের মধ্যে না থাকার পরামর্শ। এমন কি মিটিং মিছিল করতেও সাবধানতা অবলম্বন করতে বলছেন।

বৃহস্পতিবার সকালবেলা ট্যাংরা থানা এলাকার চায়না টাউনে পরিস্থিতি দেখলে তো যে কেউ ঘাবড়ে যাবেন। প্রথমত ক্যামেরা দেখতেই ওখানকার স্থানীয় লোকেরা এদিক-ওদিক পালাতে শুরু করলেন। অনেকে বললেন, তারা কোন সময় চিনে যান না। অবশ্য অন্যেরা বলছেন, চিনের মানুষরা বিদেশে যাতায়াত করেন এবং মাঝে মাঝে নিজের দেশের যান। তবে এই করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পরে কেউ চিনে যাচ্ছেন না।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ যে ভয়ানক, সেটা নিয়ে চিনের মানুষেরা জেনেও নিজেদের লুকিয়ে রাখছেন। এখনও পর্যন্ত এদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা কিংবা ওই জাতীয় কিছু শুরু হয়নি। এদেশের চিনের লোকেরা, মানে যাঁরা বেশিরভাগই যারা কলকাতায় থাকেন, তারা শুয়োরের মাংস, পাখির মাংস এই জাতীয় খাবার বেশি খান। যার ফলে এদের মধ্যে সংক্রমনের সম্ভাবনা বেশি রয়েছে, বলে মনে করছেন অভিজ্ঞমহল।

মিস্টার কিম জন্মসূত্রে ভারতবর্ষে থাকেন। এই ট্যাংরা এলাকাতে চায়না টাউনে থাকেন। তিনি জানান করোনাভাইরাস নিয়ে তারা কোনভাবে ভীত নন। তবে খবরে দেখেছেন এবং পড়েছেন। রাস্তায় যে সমস্ত চিনের মানুষের সঙ্গে দেখা হল, তাঁরা ন্যূনতম কথাটি বলতেও চাইলেন না। সবাই রীতিমতো পালিয়ে গেলেন। চায়না টাউনে কালীমন্দির সংলগ্ন এলাকাতে, একটি বাজার রয়েছে৷ সেখানে গেলে দেখা যায়, চিনারা লুকিয়ে পড়ছেন। এক শুয়োরের মাংসের দোকানদার বলেন,‘আপনারা চলে যান, নইলে ওরা আজ আর আসবে না। আমাদের ব্যবসার ক্ষতি হবে।’ এঁরা যে তথ্য গোপন করছেন সেটা পরিষ্কার।

SHANKU SANTRA
First published: March 5, 2020, 12:49 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर