CFSL ডিরেক্টরকে গ্রেফতারের নির্দেশ রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা আদালতের

CFSL ডিরেক্টরকে গ্রেফতারের নির্দেশ রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা আদালতের

দীর্ঘ এক বছর DNA রিপোর্ট না দেওয়ার কারণে সিএফএসএল ডিরেক্টরের বিরুদ্ধে আদালত ক্ষোভ উগরে দিয়েছে ।

  • Share this:

Arnab Hazra

#কলকাতা: সিএফএসএল ডিরেক্টরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা। বেনিয়াপুকুর থানা-কে গ্রেফতার করে আদালতে পেশের নির্দেশ রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা আদালতের। সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি।  পার্কসার্কাসের এই কেন্দ্রীয় সংস্থাটির ডিরেক্টর আদালতের রোষানলে। রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা আদালত সংস্থাটির কর্মকাণ্ডে ক্ষুব্ধ। দীর্ঘ এক বছর DNA রিপোর্ট না দেওয়ার কারণে সিএফএসএল  ডিরেক্টরের বিরুদ্ধে আদালত ক্ষোভ উগরে দিয়েছে । ২০ ডিসেম্বর ডিরেক্টরকে গ্রেফতার করে আদালতে পেশ করার জন্য বেনিয়াপুকুর থানা-কে নির্দেশ দিয়েছে ক্রেতা সুরক্ষা আদালত । ক্রেতা সুরক্ষা আদালতে পেশ হওয়ার পরই জামিন পাবে ডিরেক্টর।

ঘটনার একটু পিছনে হাঁটলে জানা যায়, ২০০৩ সালে ডায়মন্ড হারবার রোডের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার পর বাড়ি ফিরে মৃত্যু হয় মনিকা হাজরার।  চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ তোলে পরিবার। ২০০৫ সাল থেকে মামলা বিচারাধীন ক্রেতা সুরক্ষা আদালতে। বেসরকারি হাসপাতালের দেওয়া মনিকা দেবীর নমুনা ডিএনএ পরীক্ষার প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তাঁর মেয়ের রক্তের নমুনার প্রয়োজনীয় পরীক্ষার পর তা পৌঁছে গেছে সিএফএসএলে। এখন মেয়ের রক্তের নমুনার সঙ্গে, বেসরকারি হাসপাতালের দেওয়া মনিকা দেবীর নমুনা মিলিয়ে দেখার পালা। সি এফ এস এল রিপোর্ট দিয়ে জানাবে বেসরকারি হাসপাতালের দেওয়া নমুনা মৃত মনিকা হাজরার কিনা।

এক বছর সময় ধরে সেই রিপোর্ট না এসে পৌঁছানোয় আদালতে ক্ষুব্ধ ক্রেতা সুরক্ষা আদালত সিএফএসএল ডিরেক্টরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে । রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা আদালতের বিচারবিভাগীয় সদস্য শ্যামল গুপ্ত এবং বিশেষজ্ঞ সদস্য উৎপল ভট্টাচার্য গ্রেফতারি পরোয়ানার নির্দেশ জারি করেছেন। নির্দেশে ক্রেতা আদালত জানিয়েছে,"ইচ্ছাকৃতভাবে এই রিপোর্ট দিতে বিলম্ব করা হচ্ছে। "

Manika Hazra তথ্য বলছে, আদালতের সেপ্টেম্বর মাসের নির্দেশ যথাসময়ে পৌঁছে যায় সিএফএসএল দফতরে। ইলেকট্রনিক মেইল এবং স্পীড পোস্ট ট্রাক রিপোর্ট-ও বলছে সে কথা।তবু ঘুম ভাঙেনি সিএসএফএল-এর। মৃত মনিকা হাজরার মেয়ে ও আইনজীবী মৌসুমী হাজরা জানিয়েছেন," ১৭ বছর আইনি লড়াই লড়তে লড়তে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা গাফিলতিতে আমার মায়ের মৃত্যু হয়েছে। তবু এই লড়াইয়ের শেষ দেখে ছাড়বো। প্রয়োজনে উচ্চ আদালতে যাব। " ফরেনসিক রিপোর্ট নিয়ে দীর্ঘসূত্রিতার অভিযোগ নতুন নয়। তবে ক্রেতা সুরক্ষা আদালতের চোখে এই মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আইনজীবী ফিরদৌস শামীম বলছেন, "ফরেনসিক রিপোর্ট মানেই যেন দেরি। এই ট্রাডিশনটা বদলানোর প্রয়োজন হয়ে পড়েছে। আমরা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা করে বিষয়টির গুরুত্ব আদালতের কাছে তুলে ধরব। " সিএফএসএল-এর ডিরেক্টরের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর এবার কি ছবিটা বদলাবে? উত্তরের অপেক্ষায় মনিকা হাজার পরিবার। অপেক্ষায় সারা রাজ্যের মানুষ। নির্দেশের কপি নির্দেশের কপি
First published: December 10, 2019, 9:34 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर