পুরোপুরি বন্ধ টালা ব্রিজ, বিকল্প পথে শুরু গাড়ি চলাচল    

পুরোপুরি বন্ধ টালা ব্রিজ, বিকল্প পথে শুরু গাড়ি চলাচল    
সেতু পুনর্গঠনের প্রকল্প মূল্য ধরা হয়েছে ২৬৮ কোটি টাকা।

জেনে নিন কোন বিকল্প পথে যান চলাচল করবে

  • Share this:

#কলকাতা: শুক্রবার মধ্যরাত থেকেই সমস্ত ধরনের গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গেল টালা সেতু দিয়ে। টালা ব্রিজের অবস্থা খারাপ গত বছর পুজোর আগেই রিপোর্ট দেয় কেন্দ্রীয় বিশেষজ্ঞ সংস্থা রাইটস। পরবর্তী সময়ে রাজ্য সরকার সাহায্য নেয় সেতু বিশেষজ্ঞদের। তাদের রিপোর্টের পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় শুধুমাত্র ছোট গাড়ি চলাচল করবে। ১লা ফ্রেব্রুয়ারি থেকে অবশ্য সেই ছোট গাড়ি চলাচল হয়ে গেল। বন্ধ হয়ে গেল সেতুর ওপর দিয়ে পায়ে হেঁটে যাতায়াত। শীঘ্রই শুরু হতে চলেছে সেতু ভাঙার কাজ। আজ থেকে ডানলপমুখী বাস যাবে চিৎপুর লকগেট উড়ালপুল ধরে। বেশ কয়েকটি রুটের বাস অবশ্য যাবে কাশীপুর সেতু হয়ে। যে সমস্ত বাস ডানলপের দিক থেকে শ্যামবাজারের দিকে আসবে সেগুলি চিড়িয়ামোড় থেকে বা পাইকপাড়া মোড় থেকে বেলগাছিয়া ঘুরে শ্যামবাজার এসে পৌছবে। ছোট গাড়ির অধিকাংশই অবশ্য যাতায়াত করবে কাশীপুর সেতু হয়ে বাগবাজারের রাস্তা ধরে। এই রাস্তায় যাতে যানজট তৈরি না হয় সে কারণে কাশীপুর রোড, চিৎপুর রোড, খগেন চ্যাটার্জি রোডে সমস্ত গাড়ির পারকিং বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। নজরদারির জন্য সিসিটিভি ব্যবহার বাড়াতে বলা হয়েছে। এছাড়া পণ্যবাহী গাড়ি চলাচলের জন্য বেলঘড়িয়া এক্সপ্রেসওয়ে ও দ্বিতীয় হুগলি সেতু ব্যবহার বৃদ্ধি পেতে চলেছে। আজ শনিবার হওয়ায় গাড়ি চলাচল সংখ্যা অবশ্য কম ছিল। তবে সোমবার থেকে গাড়ি চলাচলের সংখ্যা বাড়লে এই এলাকায় যানজট নিয়ন্ত্রণ কিভাবে হবে তা নিয়ে অবশ্য চিন্তায় রয়েছেন বাস মালিক ও চালক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।

ইতিমধ্যেই পুলিশ বৃহস্পতিবার বৈঠক করেছেন তাদের সাথে। সেখানে অবশ্য তারা পুলিশের একাংশের বিরুদ্ধে অসহযোগীতার অভিযোগ তুলেছেন। বাস মালিক সংগঠনের নেতা তপন বন্দোপাধ্যায় বলেন, "যে কোনও ধরনের সমস্যা হলে পুলিশকে সরাসরি জানাতে বলা হয়েছে।" উত্তর শহরতলির পরিবহন সংগঠনের নেতা প্রদীপ নারায়ণ বসু বলেন, "ঘুরপথে বাস চালানোর জন্য যাত্রীদের যেমন গন্তব্যে পৌঁছতে দেরি হবে, ঠিক তেমনই বাসের ট্রিপের সংখ্যা কমবে। সবচেয়ে বেশি সমস্যা হবে পাইকপাড়া মোড় ও আর জি কর হাসপাতালের সামনে। এখানে ফুট ওভার ব্রিজ চালু হলে ভীষণ ভালো হয়। তাহলে পথচারীদের রাস্তায় নামার সংখ্যা কমবে। একটু গতি রেখে বাস চালানো যাবে।" পথচারীদের সুবিধার জন্য টালা সেতুর পাশে একটা ফুট ওভারব্রিজ করতে চলেছে রাজ্য। এছাড়া আর জি করের সামনে ফুট ওভারব্রিজ নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এছাড়া সমস্যা মেটাতে বাগবাজারে রাস্তায় যে চারটি বাস স্ট্যান্ড ছিল সেগুলিকে গ্যালিফ স্ট্রিট আজ থেকে সরে যাচ্ছে। আর বাসে বসছে ভলভো বাসের মতো আয়না। শনিবার থেকে শুরু, কিন্তু সোম থেকে শুক্র এই ব্যস্ত রাস্তা কিভাবে সামলানো যায় সেটাই এখন চ্যালেঞ্জ কলকাতা ট্রাফিক পুলিশের কাছে। সমান চ্যালেঞ্জ নিত্যযাত্রীদেরও।

ABIR GHOSHAL

First published: February 1, 2020, 8:35 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर