Suvendu Adhikari to Mamata Banerjee: মোদির বৈঠক নিয়ে রুদ্রমূর্তি মুখ্যমন্ত্রীর, মমতাকে পাল্টা আক্রমণ শুভেন্দুর!

শুভেন্দুর পালটা জবাব

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) বৈঠক নিয়ে একের পর এক অভিযোগ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এবার তাঁকে পাল্টা জবাব দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

  • Share this:

    কলকাতা: একদিকে নারদ কাণ্ড (Narada Scam Case) নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিহিংসার দিকে আঙুল তুলছেন তৃণমূলের নেতারা, আর অপরদিকে করোনা পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (PM Narendra Modi) সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে যোগ দিয়ে পরে তা নিয়ে নানান অভিযোগ তুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বৈঠকের শেষে এদিন নবান্নে মমতা বলেন, 'মুখ্যমন্ত্রীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে তাঁদের কথাই বলতে দেওয়া হল না। সামান্য সৌজন্য বিনিময়ও করেননি। আমরা সমস্ত তথ্য নিয়েই বসেছিলাম, কিন্তু কাউকে ১ সেকেন্ডের জন্য কথা বলতে দেওয়া হয়নি।' আর মুখ্যমন্ত্রীর এই দাবির পরই আসরে নামেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ট্যুইটারে মমতাকে প্রবল আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি।

    ট্যুইটারে শুভেন্দু লিখেছেন, 'প্রশাসনের উপর মুখ্যমন্ত্রীর যে বিন্দুমাত্র আগ্রহ নেই, আজকে তা প্রমাণিত। নিজের স্বভাবমতোই তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকেরও রাজনীতিকরণ করছেন। অথচ নীচু তলায় কোভিড মোকাবিলার জন্য সর্বতভাবে চেষ্টা করা হচ্ছে।' তিনি আরও লিখেছেন, 'বৈঠকে অবিজেপি রাজ্যের ৭ জেলার মধ্যে ৫ জেলার জেলাশাসক বক্তব্যও রেখেছেন। তাঁরা হলেন ছত্তিশগড়, কেরল, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান ও অন্ধ্রপ্রদেশের জেলা শাসক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো মেনে চলেন আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংঘাতের কাঠামো।'

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতার আরও অভিযোগ, 'রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি যখন ভয়াবহ হয়ে উঠছে, তখন মুখ্যমন্ত্রী রাজনীতির খেলা খেলছেন। তৃণমূল এখন নিজেদের জয় উদযাপন করতে আর বিরোধীদের আক্রমণ করতেই সময় দিচ্ছে। তাঁদের এখন মানুষের জন্য কাজ করা উচিৎ, কারণ বাংলার মহান আমজনতা পুরো বিষয়টি দেখছে।'

    প্রসঙ্গত, এদিনের বৈঠক নিয়ে মমতা নিজে অভিযোগ করেছেন, 'পছন্দমতো জেলাশাসকদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। আর ভাষণ দিয়েছেন নিজের মতো। একটা সুপার ফ্লপ মিটিং। করোনা নিয়ে এত ক্যাজুয়েল বৈঠক হয় নাকি! আমরা অপমানিত হয়েছি বৈঠকে। পুতুলের মতো বসেছিলাম। আজ যা হয়েছে তা স্বৈরতন্ত্র'। এদিনের বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদিকে চিঠিও দিয়েছেন মমতা। তাতে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য ভ্যাকসিন চেয়েছেন তিনি। রেল, বন্দর কর্মীদের কথা উল্লেখ আছে চিঠিতে।

    মুখ্যমন্ত্রী এদিন আরও অভিযোগ করেছেন ভ্যাকসিনের ডোজের সময়ের হেরফের নিয়ে। তাঁর কথায়, 'ভ্যাকসিনের ডোজ নিয়ে একেক রকম কথা বলা হচ্ছে। এর কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি কি রয়েছে? ভ্যাকসিন নেই বলে এভাবে ব্যবধান বাড়াচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর ফর্মুলা মানলে দেশে ভ্যাকসিন দিতে ১০ বছর সময় লাগবে'।

    Published by:Suman Biswas
    First published: