সবাই ভয়ে সিঁটিয়ে, অভিযুক্তদের চেনাল দীপাক্ষী

সবাই ভয়ে সিঁটিয়ে, অভিযুক্তদের চেনাল দীপাক্ষী

ভয়ে সিঁটিয়েছিল পাড়ার লোকজন। পুলিশের কাছে মুখ খুলতে চায়নি কেউ। বড়দের নীরবতা দেখে আর থাকতে পারেনি একরত্তি মেয়েটা।

  • Share this:

#কলকাতা: ভয়ে সিঁটিয়েছিল পাড়ার লোকজন। পুলিশের কাছে মুখ খুলতে চায়নি কেউ। বড়দের নীরবতা দেখে আর থাকতে পারেনি একরত্তি মেয়েটা। গদাই-সহ একে একে অভিযুক্তদের নাম বলে দিল দীপাক্ষী ভৌমিক। অকুতোভয় এই কিশোরীর কাছে হার মানল বড়রা।

মায়ের অসুস্থতার কথা বলেও মেলেনি রেহাই। শব্দবাজির তীব্র আওয়াজেই প্রাণ গেল পূর্ণিমা মৈত্রের। খবর পেয়ে তদন্তে নেমে প্রথমে হতাশ হতে হয় পুলিশকেও। সৌজন্যে বৃদ্ধার পাড়া-প্রতিবেশীরা। বারবার অভিযুক্তদের নাম, ঠিকানা জানতে চাইলেও ভয়ে কেউ এগিয়ে আসেনি। অভিযোগ, উলটে মৃতার মেয়েকেই অপবাদ দেন কেউ কেউ। ভুল পথে চালিত করা হয় পুলিশকে। বড়দের এই আচরণ মানতে কষ্ট হচ্ছিল ক্লাস নাইনের ছাত্রী দীপাক্ষীর। নজির গড়ে সেই এগিয়ে এল। গদাই, বাপ্পা-সহ চার অভিযুক্তের নাম বলে দিল সে। শুধু নাম বলাই নয়, অভিযুক্তের বাড়িও চিনিয়ে দিল।

মেয়ের সাহসীকতায় গর্বিত দীপাক্ষীর বাবা-মা। তাঁরা চান ভবিষ্যতেও এইভাবে এগিয়ে যাক তাঁদের মেয়ে।

বৃদ্ধার মৃত্যুর প্রতিবাদ জানিয়ে যেখানে বড়দেরই লড়াই করা উচিত ছিল, সেখানে তারা রইল নীরব দর্শকের ভূমিকায়। অন্যদিকে, বড়দের উলটো পথে হেঁটে দৃষ্টান্ত তৈরি করল দীপাক্ষী। এক কিশোরীর সাহসী পদক্ষেপ ভবিষ্যতে আরও অনেককেই সামনে থেকে লড়াইয়ের সাহস যোগাবে।

First published: 12:41:19 PM Aug 29, 2016
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर