• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • CID TAKE CHARGED OF SUVENDU ADHIKARIS SECURITY GUARD SHUVABRATA CHAKRABORTYS MYSTERIOUS DEATH SB

Suvendu Adhikari Security Guard: শুভেন্দুর নিরাপত্তারক্ষী খুনের তদন্তে এবার CID! চাপ বাড়ল বিরোধী দলনেতার?

চাপ বাড়ছে শুভেন্দুর!

Suvendu Adhikari Security Guard: নিরাপত্তারক্ষী খুনের ঘটনার তদন্তভার সিআইডি নেওয়ায় আরও চাপ বাড়তে পারে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর।

  • Share this:

#কাঁথি: ২০১৮ সালের ১৩ অক্টোবরের একটি ঘটনা নিয়ে চাপ বাড়ছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। তৃণমূলে থাকার সময় তিনি যখন মন্ত্রী ছিলেন, তখন তাঁর নিরাপত্তারক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তী নামে এক যুবকের গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়। ওই বছরের ১৪ অক্টোবরই কলকাতার হাসপাতালে মৃত্যু হয় শুভব্রতর। সেই ঘটনায় সম্প্রতি নতুন করে FIR দায়ের করেছেন শুভব্রতর স্ত্রী সুপর্ণা কাঞ্জিলাল চক্রবর্তী। কাঁথি থানায় নতুন করে অভিযোগ দায়ের করে ওই মহিলা দাবি করেছেন, তিন বছরের আগের ওই মৃত্যুর পুনরায় পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করার। এবার ওই মামলার তদন্তভার তুলে দেওয়া হল সিআইডি-র হাতে। রাজনৈতিক মহলের মতে, গোটা ঘটনার তদন্তভার সিআইডি নেওয়ায় আরও চাপ বাড়তে পারে বিরোধী দলনেতার।

জানা গিয়েছে, সোমবারই ওই মামলার তদন্ত করতে কাঁথি যাচ্ছে সিআইডি হোমিসাইড শাখার একটি দল। কাঁথি থানা থেকে ওই মামলার বিষয়ে সমস্ত নথি সংগ্রহ করবেন তাঁরা। এর আগেও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নাম জড়িয়ে থাকা একাধিক মামলার তদন্তভার তুলে দেওয়া হয়েছে সিআইডি-র হাতে। এবার নিজের নিরাপত্তারক্ষী খুনের ঘটনাতেও সিআইডি তদন্তে শুভেন্দুর উপর চাপ বাড়ল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

শুভেন্দুর ওই নিরাপত্তারক্ষীর স্ত্রীর অভিযোগ, যে সময় শুভব্রত চক্রবর্তী গুলিবিদ্ধ হন, তখন প্রভাবশালী মন্ত্রী ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। একজন মন্ত্রীর নিরাপত্তারক্ষী হয়েও কীভাবে শুভব্রত গুলিবিদ্ধ হলেন? হাসপাতালে নিয়ে যেতে কেন দেরি হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে শুভব্রতর মৃত্যুর ঘটনায় যে নতুন এফআইআর করা হয়েছে, তাতে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুনের অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। শুভব্রতর স্ত্রীর অভিযোগ পত্রে নাম রয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ও তাঁর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত রাখাল বেরার। কিন্তু এতদিন পর কেন এফআইআর? শুভব্রতর স্ত্রী সুপর্ণা কাঞ্জিলাল চক্রবর্তীর দাবি, এতদিন আতঙ্কে মুখ বন্ধ করে ছিলেন। কিন্তু এখন ন্যায়বিচার চান। তাঁর স্বামীর মৃত্যু রহস্যের সত্য প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন তিনি। ছয়-সাত বছর এই দায়িত্বে থাকার পর কীভাবে আচমকা তিনি গুলিবিদ্ধ হলেন, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর আরও অভিযোগ, চলতি বছরের ২১ মে বেশ কয়েকজন এসে তাঁকে ভয় দেখিয়ে যায়। শুভব্রতর মৃত্যু নিয়ে কোন জায়গা থেকে ফোন এসেছিল কিনা, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা সেই বিষয়টি নিয়েও তাঁর কাছে জানতে চান বলে অভিযোগ। স্বামীহারা মহিলার দাবি, নিশ্চয় এর মধ্যে কোনও রহস্য রয়েছে। তাই স্বামীর মৃত্যু রহস্যের প্রকৃত সত্য উদঘাটনের দাবি জানান তিনি।

বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ ট্যুইটে লেখেন, 'দিলীপ ঘোষ বা তাঁদের কেন্দ্রীয় দল কি এই পরিবার ও মহিলাকে চেনেন? মহিলার স্বামী ছিলেন আপনাদের নেতার নিরাপত্তারক্ষী। অনুরোধ করছি, মহিলার আবেদন শুনুন। দেখুন, এখানেও সেই রাখাল বেরার নাম রয়েছে। আপনাদের বিরোধী দলনেতা এই বিধবার প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যেতে চাইছেন।' যদিও শুভেন্দু গোটা বিষয়টিকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিহিংসা বলে দাবি করেছেন। নন্দীগ্রামে হারের জ্বালা তাঁর উপর দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এভাবেই মেটাতে চাইছেন বলে অভিযোগ তাঁর।

Published by:Suman Biswas
First published: