• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • CID INTERROGATE EX POLICE SUPER OF COOCHBEHAR ON SITALKUCHI FIRING CASE SB

Sitalkuchi Firing Case: ঠিক কী হয়েছিল শীতলকুচিতে? কড়া প্রশ্নের মুখে সাসপেন্ডড পুলিশ সুপার

কার নির্দেশে গুলি?

Sitalkuchi Firing Case: শীতলকুচিকাণ্ডে আগামী ২২ জুন সকাল সাড়ে ১১ টায় ফের তাঁকে তলব করা হয়েছে।

  • Share this:

#কলকাতা : শীতলকুচি কাণ্ডে এবার  কোচবিহারের  প্রাক্তন  পুলিশ সুপার  দেবাশিস  ধরকে টানা  ছয় ঘন্টা  ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ করল  সিআইডি|  সিটের  আধিকারিকরা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ  করেন | শুক্রবার সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ ভবানী ভবনে হাজির হন তিনি |আগামী ২২ জুন সকাল সাড়ে ১১ টায় ফের তাঁকে তলব করা হয়েছে। এই তদন্তে আগে যাদের বয়ান রেকর্ড  করা হয়েছিল, তা মিলিয়ে দেখে ফের তলব করা হয়েছে কোচবিহারের প্রাক্তন পুলিশ সুপারকে।

তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের  সময় ভিডিও  রেকর্ডিং করা হয় | কোচবিহারের তৎকালীন এসপি  দেবাশিস  ধর  বর্তমানে সাসপেন্ড রয়েছেন|নোটিস  অনুসারে শুক্রবার তাঁকে ভবানী ভবনে   তলব করা হয়েছিল |  ঘটনার দিন তাঁর  কী ভূমিকা  ছিল? ঘটনার  দিন তিনি ছিলেন না ঘটনাস্থলে, সেসময় ঘটনার  পর কার কার  সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ হয়েছিল ? কোন কোন অফিসারের সঙ্গে কথা হয়েছিল? সেক্ষত্রে তিনি এই  ঘটনার পর কী ব্যবস্থা  নিয়েছিলেন?  তৎকালীন  এসপি দেবাশিস  ধর এই সব প্রশ্নের মুখে জানান,  কেন্দ্রীয়  বাহিনীর অস্ত্র ছিনতাই করে নিয়েছিল কয়েকজন। ফলে আত্মরক্ষার্থে  গুলি চালিয়েছিল বাহিনী।  এখানেই প্রশ্ন উঠছে, তদন্তের আগেই তিনি কী করে জানলেন, কেন্দ্রীয়  বাহিনী আত্মরক্ষার্থে  গুলি চালিয়েছিল? যে অফিসাররা ফোন করেছিলেন তাদের সঙ্গে কী কী কথা হয়?  তারপর কী অ্যাকশন  নিয়েছিলেন তিনি, তাও স্পষ্ট নয়।

সিআইডি সুত্রে খবর, গত  ১০ এপ্রিল  শীতলকুচির ১২৬ নম্বর বুথে গুলিকাণ্ডে ঘটনার দিন তৎকালীন এসপির ঠিক  কী ভূমিকা  ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারণ গন্ডগোলের সময় ঘটনাস্থলে  তিনি ছিলেন না| কিন্তু সিআইডি  সিট গঠনের পর গত ১৭ মে  সিটের আধিকারিকরা  শীতলকুচি ঘটনাস্থলে  পরিদর্শন  করেন | সিআইডি  তদন্তে উঠে আসে, গুলি বুথের বাইরেই শুধু চলেছে এমন নয়, বুথের দিকে তাক করেও গুলি চলে |  যার ফলে বুথের  দরজা ভেদ করে বুথের ভিতর ব্ল্যাকবোর্ডে  গিয়ে লাগে গুলি |  সেক্ষেত্রে খতিয়ে  না  দেখে তদন্তের  আগেই  একজন  এসপি হিসাবে উনি কী করে বলে দিলেন যে আত্মরক্ষার্থে কেন্দ্রীয় বাহিনী গুলি চালিয়েছিল? গন্ডগোল বাইরে হচ্ছিল, বুথের ভিতরে কেন গুলি চলল? এই  সব  নিয়েই দেবাশিস বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে  সিআইডি সুত্রে খবর  |

সিআইডি  সূত্রে আরও জানা গিয়েছে,  গত  ৭ জুন  ফরেন্সিকের ব্যালেস্টিক  টিমের সদস্যরা  ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করে | সেখানে তাঁরা সিআইডিকে প্রাথমিক  ভাবে জানান,  ব্ল্যাকবোর্ডে  যে গুলি লেগেছিল তা  রাইফেলের  গুলি | সিআইডি সূত্রে খবর , এই ঘটনায় ৬ জন কেন্দ্রীয় বাহিনী সদস্যকে তিন বার তলব করা হয়েছিল | কিন্তু তা সত্ত্বেও  তাঁরা কেউই  ভবানী ভবনে  এসে হাজির হননি বলে দাবি সিআইডির | এর আগে এই ঘটনায়  সিআইডি, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানও রেকর্ড করেছিল  | সিআইডি  সূত্রে খবর, গত  ১২ মে  মাথাভাঙ্গা এসডিপিও  সুরজিৎ  মণ্ডলকে ভবানী ভবনে ডেকে  জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় | ১১ মে মাথাভাঙ্গার এসআই  গোবিন্দ  দাসকে ভবানী ভবনে  তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় |  ঘটনার দিন আরটি  মোবাইলের  দায়িত্বে ছিলেন গোবিন্দ | ১০ মে মাথাভাঙ্গার আইসি  বিসাশ্রয়  সরকার  এবং  সেক্টর  অফিসার এএসআই  রফা   বর্মন এবং কিউআরটি অফিসার  এএসআই  সুব্রত মণ্ডলকে ভবানী  ভবনে  তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করা  হয় | গত  ২৫ মে ডিএমডিসি মাথাভাঙ্গা  টি  ভুটিয়া যিনি রিটার্নিং  অফিসার  এবং বিডিও মাথাভাঙ্গা সম্বল ঝাঁ, যিনি  অ্যাসিস্ট্যান্ট রিটার্নিং অফিসারের ভূমিকায় ছিলেন ঘটনার দিন,  তাঁদেরকেও তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় ভবানী ভবনে |রেকর্ড  করা হয় অফিসারদের বয়ান | এছাড়া তদন্তকারী অফিসারকেও তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল এর আগেই |  এদের বয়ানের সঙ্গে প্রাক্তন কোচ বিহারের পুলিশ  সুপার  দেবাশীষ  ধরের  বয়ান মিলিয়ে দেখা হবে |

Published by:Suman Biswas
First published: