• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • CHILD MENTAL IMMUNITY ENSURING DURING LOCK DOWN IS MUST BY PARENTS SS

লকডাউনে পরিবারের খুদে সদস্যদের 'Mental Immunity'-র দিকে অভিভাবকদের নজর দেওয়া অত্যন্ত জরুরি, বলছেন মনোবিদরা 

প্রতিদিন নিয়ম করে বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে স্মার্টফোনের আধুনিক প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে ভিডিও কলিংয়ের মাধ্যমেও 'মেন্টাল ইমিউনিটি' বাড়ে।

প্রতিদিন নিয়ম করে বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে স্মার্টফোনের আধুনিক প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে ভিডিও কলিংয়ের মাধ্যমেও 'মেন্টাল ইমিউনিটি' বাড়ে।

  • Share this:

#কলকাতা:- লকডাউনের  সময় পরিবারের খুদে সদস্যদের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া দরকার। বলছেন মনোবিদরা। দীর্ঘদিন ঘরবন্দি হয়ে থাকায় কুপ্রভাব পড়তে পারে শিশু মনে। তাই যতটা সম্ভব পরিবারে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি বিশেষ করে স্কুলপড়ুয়া সন্তানদের গান- বাজনা শোনা, বই পড়া, ড্রয়িং সহ নানা ধরনের গেম খেলার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রতিদিন নিয়ম করে বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে স্মার্টফোনের আধুনিক প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে  ভিডিও কলিংয়ের মাধ্যমেও 'মেন্টাল ইমিউনিটি' বাড়ে।

বর্তমান পরিস্থিতিতে একদিকে যেমন করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় শারীরিক  ইমিউনিটি বাড়ানো প্রয়োজন। পাশাপাশি  মেন্টাল বা মানসিক ইমিউনিটির দিকেও নজর দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অভিভাবকদের বিশেষজ্ঞ মনোবিদদের পরামর্শ, 'সন্তানদের লকডাউন চলাকালীন খাওয়া-দাওয়া বিশ্রামের  সঙ্গে সঙ্গে গান- বাজনা, বই পড়া, ড্রয়িং করা, নানা ধরনের গেম খেলা সহ সারাদিন এই সমস্ত বিষয়গুলি দেখভালের পরামর্শ দিচ্ছেন মনোবিদরা। তাঁদের সন্তানদের যার প্রতি আগ্রহ রয়েছে সেই কাজগুলোকে এই মুহূর্তে আরও বেশি করে ভালবাসতে শেখানোটাই এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় কাজ অভিভাবকদের।

কখনোই একাকীত্ব যেন গ্রাস না করে ওদের। ঘরবন্দি জীবনে সময় কাটাতে অভিভাবকদের উচিত তাদের সন্তানদের যেন সবসময়  কোনও না কোনও কাজে ব্যস্ত রাখা। মনোবিদ স্মরণিকা ত্রিপাঠি বলেন,' এই সময় মানসিক চাপ মুক্ত থাকা অত্যন্ত জরুরী। এখনও অনেকেই বুঝে উঠতে পারছেন না আগামী আরও বেশ কয়েকটা দিন ঠিক কীভাবে সময় কাটাবেন। চার দেওয়ালের মধ্যে থেকেও  অনেক রসদের  সন্ধান পাওয়া যায়'। জানাচ্ছেন মনোবিদরা। মানসিক ইমিউনিটি সঞ্চয় করতে সারাদিন ঠিক কী কী করা যেতে পারে তার নির্দিষ্ট একটি তালিকা তৈরি করলেই মুশকিল আসান।

একঘেয়েমি কাটিয়ে মানসিক ভাবে চাঙ্গা থাকা ষে মোটেই শক্ত কাজ নয় এমনটাই বলছেন বিশেষজ্ঞরা। যুগ পাল্টেছে। আধুনিক হয়েছে সমাজ। স্মার্ট ফোনের দৌলতে গোটা বিশ্ব আজ হাতের মুঠোয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় কারেন্ট স্ট্যাটাস দিয়ে লকডাউনে  ঘর বন্দী থাকার নানান মুহূর্ত ছবি সহ পোস্ট করছেন অনেকেই। বিশেষ করে শিশু এবং স্কুলপড়ুয়াদের কাছে স্মার্টফোন খুবই লোভনীয়।স্কুল বন্ধ, টিউশন বন্ধ, তবুও নানান ধরনের ব্যস্ততার মাঝেও অনেকেরই   আজ সোশ্যাল মিডিয়ায় নজরের পাশাপাশি ভিডিও কল, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের  মাধ্যমে দিনের বেশ কিছুটা সময় 'অনলাইন আড্ডা' ভালই জমে উঠেছে।

সদ্য রেজাল্ট বেরিয়েছে। বুকলিস্ট পেয়ে বই-খাতা জোগাড় করে নতুন ক্লাসে যাওয়ার আনন্দে থাবা বসিয়েছে করোনা ভাইরাস। পরীক্ষার পর ঋষভ  কলকাতায় এসেছিল ক'দিন ছুটি কাটিয়ে কুলটিতে নিজের বাড়ি ফিরে যাবে বলে। হঠাৎ করে লকডাউন। কলকাতাতেই এখন 'বন্দি' অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র  ঋষভ। নতুন বই গুলো এখনও চোখের দেখাই হয়ে ওঠেনি তার। প্রিয় বন্ধু আদিত্য, সায়ন্তন, পরমব্রতদের সঙ্গে নতুন ক্লাসে গত পঁচিশ তারিখ থেকে যাওয়ার  কথা থাকলেও আপাতত অনিশ্চিত। কিন্তু তাতে কী। ইন্টারনেটের যুগে বন্ধুত্বে তো আর ছেদ টানা যায় না! তাই  চার দেওয়ালের মধ্যে ঘরবন্দি থাকলেও কলকাতায় বসেই ভিডিও কলের মাধ্যমে নিয়ম করে ঋষভ, আদিত্য, পরমব্রত, সায়ন্তনের মত আরও অনেকেই নানা প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকলেও  প্রযুক্তি  আজ সবাইকে এক সুতোয় বেঁধে রেখেছে। মনোবিদদের কথায়,"শুধু পড়ুয়ারাই নয়, দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় বের করে  আট থেকে আশি---প্রত্যেকেই  আর পাঁচটা কাজের সঙ্গে সঙ্গে পরিবার-পরিজনদের সাথে যদি গ্রুপ ভিডিও কলিং এর মাধ্যমে কথা বলেন তাহলে 'মেন্টাল ইমিউনিটি' বাড়বে। যা এই সময়ের জন্য মানসিক রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়'।

VENKATESWAR  LAHIRI 

Published by:Siddhartha Sarkar
First published: