corona virus btn
corona virus btn
Loading

ক্ষমাপ্রার্থী সিইএসসি, মঙ্গলবারের মধ্যে পরিষেবা স্বাভাবিক করার আশ্বাস

ক্ষমাপ্রার্থী সিইএসসি, মঙ্গলবারের মধ্যে পরিষেবা স্বাভাবিক করার আশ্বাস
জরুরি ভিত্তিতে কাজ করে কলকাতার বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক হয়েছে বলে দাবি করল সিইএসসি৷

এ দিনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সিইএসসি-কে বিভিন্ন এলাকায় জেনারেটর বসিয়ে পরিষেবা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷

  • Share this:

#কলকাতা:  ঘূর্ণিঝড় আমফান আছড়ে পড়ার পর তিন দিন কেটে গেলেও এখনও কলকাতা এবং শহরতলির বিদ্যুৎ পরিষেবা পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি৷ সিইএসসি-র বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সাধারণ মানুষ৷ সিইএসসি-র ভূমিকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ চাপের মুখে পড়ে এবার মুখ খুলল সিইএসসি কর্তৃপক্ষ৷

সিইএসসি-র তরফে এ দিন স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে, যে সমস্ত এলাকায় তাদের ওভারহেড বিদ্যুৎ সংযোগ রয়েছে, সেখানেই এখনও পরিষেবা স্বাভাবিক করা যায়নি৷ মূল কলকাতার বাইরে বৃহত্তর কলকাতার বিভিন্ন এলাকাতেই এখনও সমস্যা রয়েছে বলে সংস্থার তরফে স্বীকার করা হয়েছে৷ মানুষের এই দুর্ভোগের জন্য ক্ষমাও চেয়েছে সিইএসসি কর্তৃপক্ষ৷ তবে সংস্থার তরফে এ দিন জানানো হয়েছে, মঙ্গলবারের মধ্যেই সর্বত্র পরিষেবা স্বাভাবিক করা যাবে বলে আশাবাদী তারা৷

সিইএসসি-র বিদ্যুৎ বণ্টন বিভাগের (ডিস্ট্রিবিউশন সার্ভিসেস) প্রধান অভিজিৎ ঘোষ জানান, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে সংস্থার পরিকাঠামোর বেনজির ক্ষয়ক্ষতির হয়েছে৷ প্রবল ঝড়ের ফলে গাছের ডাল ভেঙে বা গাছ উপড়ে অনেক জায়গাতেই বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গিয়েছে বা তার ছিঁড়ে গিয়েছে৷ সংস্থার দাবি, মূল কলকাতায় যেহেতু ভূগর্ভস্থ লাইন দিয়েই বিদ্যুৎ পরিষেবা দেওয়া হয়, তাই সেখানে বিদ্যুৎ বিভ্রাট সেভাবে হয়নি৷ কিন্তু টালিগঞ্জ, গড়িয়া, বেহালা, দমদম, লেক টাউন, যশোর রোডের মতো বৃহত্তর কলকাতায় পরিশষেবা এখনও স্বাভাবিক করা সম্ভব হয়নি৷

সংস্থার আরও দাবি, লকডাউনের কারণে তাঁদের বহু কর্মীই কাজে যোগ দিতে পারছিলেন না৷ ঘূর্ণিঝড়ের পূর্বাভাস পেয়ে তাঁদের অনেককেই কর্মস্থলে নিয়ে আসার ব্যবস্থা করেছিল সংস্থা৷ তার পরেও পরিষেবা স্বাভাবিক করতে যে পরিমাণ কর্মী প্রয়োজন, তার তুলনায় কর্মী কম রয়েছে বলেও দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ৷

এ দিনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, বিদ্যুৎ পরিষেবা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সিইএসসি-কে বিভিন্ন এলাকায় জেনারেটর বসিয়ে পরিষেবা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ সিইএসসি-র তরফেও জানানো হয়েছে, বেশ কিছু এলাকায় জেনারেটর বসিয়ে ছোট পাম্পিং স্টেশন চালু করার চেষ্টা চলছে৷ বেশ কিছু আবাসনের তালিকা তৈরি করে সেখানেও জেনারেটর পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে৷

 
Published by: Debamoy Ghosh
First published: May 23, 2020, 5:54 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर