কলকাতা

corona virus btn
corona virus btn
Loading

এশিয়ার বৃহত্তম নির্মীয়মাণ মেট্রো স্টেশনের ছাদ ঢালাই সম্পন্ন হল 

এশিয়ার বৃহত্তম নির্মীয়মাণ মেট্রো স্টেশনের ছাদ ঢালাই সম্পন্ন হল 

মেট্রোর তরফে জানানো হয়েছে মোট ১,৫০০ ঘনমিটার ঢালাই করতে লেগেছে ২৫ ঘণ্টা।

  • Share this:

#কলকাতা: অবশেষে জটিলতা কাটিয়ে এগোচ্ছে বিমানবন্দর মেট্রো প্রকল্পের কাজ। নোয়াপাড়া-বিমানবন্দর ও গড়িয়া-বিমানবন্দর মেট্রো প্রকল্পের কাজ নানা জটিলতায় দীর্ঘদিন ধরে আটকে ছিল। অবশেষে লকডাউন অধ্যায়ে সেই কাজ অনেকটা গতি পেয়েছে। প্রায় ৭ কিমি দীর্ঘ অংশে যশোর রোডের কাছে কাজ এগোচ্ছে দ্রুত গতিতে। ফলে দেশে মাটির নীচে সবচেয়ে বড় মেট্রো স্টেশন তৈরির বাধা কেটেছে।

ইতিমধ্যেই দমদম ক্যান্টনমেন্ট থেকে বিমানবন্দর অবধি লোকাল ট্রেন যাতায়াতের জন্যে যে পিলার ছিল তা ভেঙে, সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এই পিলারের একাংশ অবশ্য ব্যবহার হবে নোয়াপাড়া থেকে এয়ারপোর্ট অবধি মেট্রো লাইনের জন্যে।এই প্রকল্পে টানা ২৫ ঘণ্টা ঢালাই করে বিমানবন্দর মেট্রো স্টেশনের ছাদ তৈরি করলেন ইঞ্জিনিয়ার ও শ্রমিকরা। নোয়াপাড়া বারাসত মেট্রো লাইনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন হতে চলেছে বিমানবন্দর। এখানে বর্তমান নর্থ সাউথ মেট্রোর সঙ্গে জুড়বে নিউ গড়িয়া – বিমানবন্দর মেট্রো। সেই প্রকল্পেই স্টেশনের ছাদ তৈরি করে ফেলল মেট্রো নির্মাণ কারী সংস্থা।

মেট্রোর তরফে জানানো হয়েছে মোট ১,৫০০ ঘনমিটার ঢালাই করতে লেগেছে ২৫ ঘণ্টা। বিমানবন্দর মেট্রো স্টেশনের ছাদের দৈর্ঘ্য ৪০ মিটার, প্রস্থ ৩৬.৩ মিটার, পুরু ১ মিটার।৩টি কংক্রিট পাম্প দিয়ে ২০টি কনক্রিটবাহী ট্রাক থেকে লাগাতার কংক্রিট সরবরাহ করেছে। সেই কংক্রিট দিয়ে ঢালাইয়ের কাজ করেছেন মোট ৪৮ জন শ্রমিক। গোটা কাজটাই হয়েছে করোনাবিধি মেনে। মেট্রোর ইঞ্জিনিয়াররা বলছেন, এই ধরণের ঢালাই ভাগে ভাগে করা যায় না। ভাগে ভাগে ঢালাই করলে ঢালাইয়ের মাঝে ফাটল থেকে যায়। তা দিয়ে পরে জল ঢোকার সম্ভাবনা থাকে। তাই যত বড়ই হোক না কেন, এই ঢালাই করতে হয় একবারে।দ্রুত এই প্রকল্পের কাজ করার জন্য রেল মন্ত্রক কাজ চালিয়ে যেতে বলেছে। যদিও এই মেট্রো প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের শেষে। ২০২০ সালে তিন মাস কাজ বন্ধ হয়ে যায় কোভিড ১৯ এর জন্যে। অবশেষে সেই কাজ শুরু করা হয়েছে।

এই প্রকল্পের চিফ প্রজেক্ট ম্যানেজার গৌতম শিকদার জানিয়েছেন, "২০২২ সালের মধ্যে আমরা কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছি। তাই অল্প কর্মী হলেও তাদের নিয়ে আমরা কাজ শুরু করে দিয়েছি।" অন্যদিকে নোয়াপাড়া থেকে বারাসত মেট্রো প্রকল্পের জন্যে, চক্ররেলের যে লাইন ছিল তা খুলে ফেলা হচ্ছে। পিলারগুলোকে না ভেঙে ডায়মন্ড কাটিং পদ্ধতিতে তা কাটা হচ্ছে। তারপর ধীরে ধীরে সেগুলিকে ক্রেন দিয়ে সরানো হচ্ছে। আপাতত বিমানবন্দরের রাস্তায় সেই কাজ হচ্ছে। ধাপে ধাপে খুলে ফেলা হবে বিমানবন্দর স্টেশন।কেমন দেখতে হচ্ছে বিমানবন্দর স্টেশন। মাটির ১৪ মিটার নীচে হচ্ছে এই স্টেশন। থাকছে ৬টি প্ল্যাটফর্ম। বিমানবন্দর মেট্রো স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম ১৮০ মিটার করে লম্বা হবে। তবে সম্পূর্ণ স্টেশন এলাকা হচ্ছে ৩২০ মিটার। ৬৩৩ মিটার এলাকা জুড়ে এই স্টেশন বিল্ডিং বানানোর কাজ চলছে।

অন্যদিকে দ্রুত চলছে বিমানবন্দরের স্টেশনের ইয়ার্ড বানানোর কাজ। এখানে থাকছে ৫ টি লাইন। ইয়ার্ড চওড়া হবে ৪৮ মিটার। স্টেশনের মধ্যে থাকছে একটা ক্রস প্যাসেজ। স্টেশনের একদিকে যশোর রোড, অন্যদিকে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌছনো যাবে। কিছুদিনের মধ্যেই স্টেশনের নকশা তৈরি হয়ে যাবে। ইতিমধ্যেই বিমানবন্দর স্টেশনের উপরের অংশের ছাদের ঢালাইয়ের কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেছে। এই স্টেশন এলাকার কাজ ২০২৩ সালে শেষ করা হবে।

Published by: Pooja Basu
First published: November 15, 2020, 9:48 AM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर