• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • বহিরাগত রুখতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বসছে CCTV

বহিরাগত রুখতে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বসছে CCTV

ক্যামেরার নজরবন্দি এবার শহরের সবথেকে প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় ৷

ক্যামেরার নজরবন্দি এবার শহরের সবথেকে প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় ৷

ক্যামেরার নজরবন্দি এবার শহরের সবথেকে প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় ৷

  • Share this:

    #কলকাতা: ক্যামেরার নজরবন্দি এবার শহরের সবথেকে প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় ৷ গত কয়েক মাসে ছাত্র সংঘর্ষ, বহিরাগতদের কারণে বার বার অশান্তির সাক্ষী হয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ৷ তাই বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবার সমস্ত ক্যাম্পাস জুড়ে সিসিটিভি লাগানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন উপাচার্য আশুতোষ ঘোষ ৷

    সাধারণত ছাত্র সংসদ নির্বাচনের আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন জায়গায় ভাড়া নিয়ে সিসিটিভি বসানো থাকত। একটি সময়ের পর তা খুলেও নেওয়া হত। উপাচার্য অবশ্য জানিয়েছেন, ছাত্রদের মধ্যে মনোমালিন্য ও বহিরাগতদের নিয়ন্ত্রণ করতেই এই সিদ্ধান্ত।

    সম্প্রতি বারংবার ছাত্র সংঘর্ষ ও বিশৃঙ্খলার নজির দেখা গিয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে ৷ প্রতিবারই দেখা গিয়েছে বহিরাগত প্রভাবে ঝামেলা গড়িয়েছে বহুদূর ৷ তাই ক্যাম্পাসে হিংসার ঘটনা নিয়ন্ত্রণে কড়া পদক্ষেপ নিল কর্তৃপক্ষ ৷

    কলেজ স্ট্রিট, আলিপুর, বালিগঞ্জ সহ সমস্ত ক্যাম্পাসে শীঘ্রই সিসিটিভি বসানোর কাজ শুরু হবে ৷ ক্যাম্পাসে কোনও হিংসার ঘটনা ঘটলে দোষীকে চিহ্নিত করতে সাহায্য করবে ক্যামেরার ফুটেজ ৷ এমনকি বহিরাগতদের উপস্থিতিও চিহ্নিতকরণ সম্ভব হবে ৷ ক্যাম্পাসের সমস্ত স্পর্শকাতর জায়গায় বসানো হবে CCTV ৷ উপাচার্যের ঘরে, ইউনিয়ন রুমের সামনে ও ক্যাম্পাসের গেটগুলিতেও বসবে সিসিটিভি ৷

    উপাচার্য আশুতোষ ঘোষ বলেন, ‘ক্যাম্পাসে প্রায়ই ছাত্রদের মধ্যে মনোমালিন্য হচ্ছে ৷ বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়ছে ৷ CCTV বসিয়ে এবার চিহ্নিত করা হবে ৷ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হবে ৷’

    এর আগে ক্যাম্পাসে সিসিটিভি বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েও পড়ুয়াদের চাপে পিছু হটে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ৷ প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ও ক্যাম্পাসে সিসিটিভি বসানোর পরিকল্পনা করছে ৷

    সম্প্রতি পরীক্ষার হলে টোকাটুকি রুখতে সিসিটিভি নজরদারির ব্যবস্থা করে নজির গড়ে গৌড়বঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধীনে থাকা মোট কুড়িটি কলেজ। পরীক্ষা শুরুর আগে নজরদারির কথা আগেভাগেই ঘোষণা করেছিল কর্তৃপক্ষ। কলেজে কলেজে মাইকিং করে সে কথা জানিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু তাতেও রক্ষা নেই। প্রশ্নপত্র হাতে পেতেই সেই পুরনো ট্র্যাডিশন। ধরাও পড়ে গেল সব হাতেনাতে। টোকাটুকির ট্র্যাডিশন ভাঙতে এই উদ্যোগ এককথায় ছিল নজিরবিহীন।

    First published: