• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • CBI TO DO DNA TEST AGAIN FOR IDENTIFICATION OF AMRITAVA CHOWDHURY DMG

জ্ঞানেশ্বরী দুর্ঘটনার পর ৭ বছর তামিলনাড়ুতে ছিল অমৃতাভ? ফের হবে ডিএনএ পরীক্ষা

অভিযুক্ত অমৃতাভ চৌধুরী৷

বর্ধমানের মন্তেশ্বরের বামুনপাড়ায় অমৃতাভদের আদি বাড়ি৷ সেখানকার প্রতিবেশীদের অবশ্য দাবি, অমৃতাভ (Amritava Chowdhury) তাঁদের জানিয়েছিল যে ২০১০ সালে তাঁকে জঙ্গিরা অপহরণ করে তামিলনাড়ুতে নিয়ে চলে যায়৷

  • Share this:

#কলকাতা: ২০১০ সালের মে মাসে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছিল জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেস৷ তার পরের সাত বছর নাকি তামিলনাড়ুতে ছিলেন জ্ঞানেশ্বরী দুর্ঘটনায় মৃত অমৃতাভ চৌধুরী৷ সিবিআই-এর জেরার মুখে এমনই দাবি করেছে জালিয়াতির অভিযোগে অভিযুক্ত অমৃতাভ৷ তবে কীভাবে সে তামিলনাড়ুতে পৌঁছল , সেকথা তাঁর মনে নেই বলেও জেরায় দাবি করেছে জোড়াবাগানের বাসিন্দা ওই ব্যক্তি৷

২০১০ সালে জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনায় মৃতের তালিকায় নাম ছিল জোড়াবাগানের বাসিন্দা অমৃতাভ চৌধুরীর৷ ডিএনএ মিলিয়ে অমৃতাভর মৃতদেহ তাঁর পরিবারকে দিয়েছিল রেল৷ ক্ষতিপূরণ বাবদ চার লক্ষ টাকাও পায় অমৃতাভর পরিবার৷ অমৃতাভর বোন মহুয়া রেলে চাকরি পান৷ কিন্তু ঘটনার প্রায় ১১ বছর পর রেলের তরফে সিবিআই-কে অভিযোগ করে জানানো হয়, অমৃতাভ চৌধুরী নামে ওই ব্যক্তির জ্ঞানেশ্বরী দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়নি৷ তিনি বেঁচেই আছেন৷ রেলকে ভুয়ো ডিএনএ রিপোর্ট দিয়ে অমৃতাভর পরিবার চাকরি এবং ক্ষতিপূরণের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়৷

শনিবার থেকে অমৃতাভ চৌধুরীকে নিজাম প্যালেসের দফতরে জেরা করছেন সিবিআই আধিকারিকরা৷ গতকাল তাঁকে জোড়াবাগানে তাঁর বাড়িতেও নিয়ে গিয়ে প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআই আধিকারিকরা৷ এ দিন তাঁর বাবাকেও নিজাম প্যালেসে ডেকে পাঠানো হয়৷ সূত্রের খবর, জেরায় অমৃতাভ দাবি করেছেন, ২০১০ সালে জ্ঞানেশ্বীর দু্র্ঘটনার পর তিনি তামিলনাড়ুতে চলে গিয়েছিলেন৷ সেখান থেকে ২০১৭ সালে ফেরেন৷ অমৃতাভর দাবি, কীভাবে সে তামিলনাড়ুতে পৌঁছল, তার কিছুই সে মনে করতে পারছে না৷

বর্ধমানের মন্তেশ্বরের বামুনপাড়ায় অমৃতাভদের আদি বাড়ি৷ সেখানকার প্রতিবেশীদের অবশ্য দাবি, অমৃতাভ তাঁদের জানিয়েছিল যে ২০১০ সালে তাঁকে জঙ্গিরা অপহরণ করে তামিলনাড়ুতে নিয়ে চলে যায়৷ ২০১৭ সালে জঙ্গি ডেরা থেকে পালিয়ে ট্রেনে করে হাওড়া পৌঁছয় সে৷

ফলে অমৃতাভর বয়ানে যথেষ্ট অসঙ্গতি পেয়েছেন সিবিআই গোয়েন্দারা৷ পাশাপাশি, কীভাবে সে ভুয়ো ডিএনএ রিপোর্ট জোগাড় করল, তাও জানতে চান তদন্তকারীরা৷ এ ছাড়াও প্রশ্ন উঠেছে, অমৃতাভর নামে তাহলে অন্য কোন যাত্রীর সৎকার করা হয়েছিল৷ সিবিআই সূত্রের খবর, অমৃতাভ এবং তাঁর বাবা মিহির চৌধুরীর ডিএনএ-র নমুনা নিয়ে ফের ডিএনএ পরীক্ষা করে অমৃতাভর পরিচয় নিশ্চিত করা হবে৷ সবমিলিয়ে অমৃতাভ মৃত না জীবিত, ৭২ ঘণ্টা পেরোতে চললেও এখনও সে বিষয়ে নিশ্চিত হতে পারেনি সিবিআই৷ তবে রবিবার সংবাদমাধ্যমের সামনে অমৃতাভ চৌধুরী নিজেই স্বীকার করে, সে জ্ঞানেশ্বরী এক্সপ্রেসেই ছিল৷ ক্ষতিপূরণের টাকা এবং বোনের চাকরি ফিরিয়ে দিতেও তারা তৈরি বলে জানায় অভিযুক্ত৷

Arpita Hazra

Published by:Debamoy Ghosh
First published: