গরুপাচারকাণ্ডে নয়া তথ্য, গ্রেফতার হওয়া BSF আধিকারিক সতীশ কুমারের পর সিবিআইয়ের নজরে রাঘব-বোয়াল

গরু পাচারের তদন্তে, এখন ভোটের গন্ধ। কেঁচো খুঁড়তে বেরোচ্ছে কেউটে। নেপথ্যে সিবিআই। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, পাচারের টাকা যেত বিভিন্ন পকেটে।

গরু পাচারের তদন্তে, এখন ভোটের গন্ধ। কেঁচো খুঁড়তে বেরোচ্ছে কেউটে। নেপথ্যে সিবিআই। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, পাচারের টাকা যেত বিভিন্ন পকেটে।

  • Share this:

    #কলকাতা: গরু-পাচারের তদন্তে, একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। কীভাবে চলত র‍্যাকেট? কীভাবে হাতবদল হত টাকা? কোথায় কোথায় পৌঁছত বখরা? সতীশ কুমারকে জেরা করে, জানতে পারছে সিবিআই গরু পাচারের টাকা হাত বদল হয়, ঘোরে, রাঘব বোয়াল থেকে রাখাল-ফড়েদের হাতে। জড়ায় রাজনৈতিক হেভিওয়েটদের নাম।

    গরু পাচারের তদন্তে, এখন ভোটের গন্ধ। বিধানসভা ভোট যখন দরজায়, তখন সক্রিয় সিবিআই। ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গলবারই গ্রেফতার করা হয় বিএসএফ কমান্ডান্ট সতীশ কুমারকে। সূত্রের খবর, মুর্শিদাবাদের একাধিক ছোটো ঘাঁটিতে মিটিং হত ৷ পাচারের আগে বিএসএফের নিচুতলার অফিসাররা থাকতেন মিটিংয়ে ৷ সিগন্যাল বা সংকেতের এর মাধ্যমে আসত বার্তা ৷ কোন সিগনালে কী বার্তা বৈঠকে বুঝিয়ে দিতেন সতীশ ৷ পাচারের সময় গরুর গায়ে কালির দাগ দেওয়া হত ৷

    এখন ছত্তীশগড়ের রায়পুরে। তখন মুর্শিদাবাদে পোস্টিং ছিলেন সতীশ কুমার। গরুপাচারের কিং পিন এনামুলের সঙ্গে ছিল দহরম-মহরম। সিবিআই জানতে পেরেছে, গরু পাচারের বড় কনসাইমেন্টের আগে যে বৈঠক হত, তাতে এনামুল নিজে থাকতেন। তদন্তে নেমে এদিন সতীশের শ্বশুরের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ১২ কোটি ৮০ লক্ষ টাকার সন্ধান পেয়েছে সিবিআই ৷ এনামুলের গরুপাচারের টাকা ঘুরপথে সতীশের শ্বশুরের অ্যাকাউন্টে গিয়েছে বলে অনুমান সিবিআইয়ের ৷

    জার্সি গরু পাচারে ৩৫-৪০ লক্ষ টাকার ডিল ৷ কেন্দ্র ও রাজ্যের কিছু অফিসারের কাছে নিয়মিত মাসোহারা যেত ৷ ডিলের টাকা পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টে রাখতেন সতীশ ৷ রিয়েল এস্টেট ও অন্যান্য সম্পত্তিতে বিনিয়োগ করতেন ৷ সতীশের স্ত্রী ও পরিবারের লোকের অ্যাকাউন্টের তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে সিবিআই ৷

    একুশে ভোট। তার আগে, কেঁচো খুঁড়তে বেরোচ্ছে কেউটে। নেপথ্যে সিবিআই। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, পাচারের টাকা যেত বিভিন্ন পকেটে। মাসোহারা পেতেন কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন অফিসার।

    Published by:Elina Datta
    First published: