corona virus btn
corona virus btn
Loading

ইতিহাসের খোঁজে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়

ইতিহাসের খোঁজে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এখনও পর্যন্ত কারা কারা সাম্মানিক ডিলিট পেয়েছেন তাদের সই করা রেজিস্টার এবার ছাপিয়ে প্রকাশ্যে আনবে শতাব্দীপ্রাচীন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়।

  • Share this:

Somraj Banerjee #কলকাতা: এবার ইতিহাস খুঁজে বের করতে চায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। আগামী ২৮ শে জানুয়ারি সমাবর্তন হবে নাকি তা নিয়ে এখনও রয়েছে সংশয় । আর তারই মাঝে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এখনও পর্যন্ত কারা কারা সাম্মানিক ডিলিট পেয়েছেন তাদের সই করা রেজিস্টার এবার ছাপিয়ে প্রকাশ্যে আনবে শতাব্দীপ্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয়। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কার কার নাম জড়িয়ে রয়েছে তার জন্য সেই বইটি সাধারণ মানুষও সংগ্রহ করতে পারবেন। ১৮৭৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হবার পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম সাম্মানিক ডিগ্রী দেওয়া হয়। সেবার প্রিন্স এডওয়ার্ডকে আইনের সম্মান দেওয়া হয়েছিল। তারপর থেকে একে একে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন ব্যক্তিত্বদের সম্মান জানায় বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম অনুযায়ী সমাবর্তনের দিন যেসব ব্যক্তিদের ডিলিট ODSC ডিগ্রী দেওয়া হয় তাদের ‘অনারারি কনসাল ক্যালকাটা ইউনিভার্সিটি’ নামক একটি ছাপানো রেজিস্ট্রি সই করতে হতো। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে খবর, ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে চলে এসেছে  এই রীতি। তাই বিশ্ববিদ্যালয় পুরনো রেজিস্টার সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

শুধু তাই নয় সেই বইটিকে ছাপিয়ে এবার নতুনভাবে আনা হবে।বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে এখনও পর্যন্ত প্রায় ২০০ জন সাম্মানিক দেওয়া আছে যে তালিকায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৯১৩) সালে থেকে শুরু করে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন (১৯৯৩) এর মতো যেমন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ কবি-সাহিত্যিক রয়েছেন তেমনি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মধ্যে জ্যোতি বসু (২০০৭), মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (২০১৮) মতো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা রয়েছেন  ডিএসসি ডিলিট প্রাপকের তালিকায়। তবে শুধু এদেশেরই নয় বিদেশেও ভালো কাজের অবদানের জন্য স্বীকৃতি জানিয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় তাতে যেমন নেলসন ম্যান্ডেলা থেকে শুরু করে বিশিষ্টদের নাম আছে তেমনি আবার বিধান চন্দ্র রায় সত্যজিৎ রায় সত্যেন্দ্রনাথ বসু প্রমুখ ডিগ্রী পেয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সাধারণত কারা ডিলিট ও ডিএসসি ডিগ্রি পায় তা সবার জানা দরকার যার জন্যই এই ইতিহাস দুর্লভ রেজিস্টারকে ফের ছাপিয়ে প্রকাশ্যে আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নয়া এই বইটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনের দিনই আনুষ্ঠানিকভাবে সামনে আনতে চায় বিশ্ববিদ্যালয় । যদিও রাজ্য-রাজ্যপালের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন নিয়ে এখনও রয়েছে সংশয় । ২৮শে জানুয়ারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন নিয়ে সংশয় থাকলেও তারই মাঝে নেওয়া হয়েছে এই সিদ্ধান্ত ৷

First published: December 7, 2019, 8:37 PM IST
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर