শিক্ষক নিয়োগে "হাইজাম্প !" বিস্মিত কলকাতা হাইকোর্ট SSC-র থেকে চাইল রিপোর্ট

শিক্ষক নিয়োগে
TET Examination

১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে স্কুল সার্ভিস কমিশনের রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের।

  • Share this:

Arnab Hazra

#কলকাতা: শিক্ষক নিয়োগে "হাইজাম্প !" বিস্মিত কলকাতা হাইকোর্ট। "হাইজাম্প" রহস্যভেদে রিপোর্ট তলব আদালতের। ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে স্কুল সার্ভিস কমিশনের রিপোর্ট তলব হাইকোর্টের।

এস.এল.এস.টি, ২০১৬ নবম-দশম শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বসেন মামনি বসাক। বাংলা বিষয়ে মেধাতালিকায় তাঁর নাম ছিল ১৫৯ নম্বরে। একই বিষয়ে মেধাতালিকায় ১৬২ নম্বরে ছিলেন নীরেশ দেবনাথ। অথচ চতুর্থ দফার কাউন্সেলিং পর্বে ডাক পেয়েছেন নীরেশ,  মামনি বসাক নন। এমনই অনিয়মের অভিজ্ঞতা নিয়ে প্রায় ৩৫ জন অভিযোগ জানায় স্কুল সার্ভিস কমিশনে। কমিশন কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় জল গড়ায় হাইকোর্টে।

১৯ জন নিয়োগপ্রার্থী ১০টি আলাদা মামলায় হাইকোর্টের কাছে আবেদন রাখে। নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়। অভিযোগ জেনেই বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের প্রতিক্রিয়া, " এমনটা কীভাবে সম্ভব! "

মামলাকারীদের আইনজীবী আশিষ কুমার চৌধুরি জানান, এর আগে হাইকোর্টের নির্দেশেই পিডিএফ আকারে মেধা তালিকা প্রকাশ করে কমিশন ৷ রুল মেনে নিয়োগ প্রক্রিয়া এগোলে এত মামলার ঝক্কি পোহাতে হয় না তাদের ৷

চতুর্থ দফার নিয়োগ প্রক্রিয়া প্রায় সম্পূর্ণ।  সেখানে এমন মারাত্মক অভিযোগ পেয়ে কমিশনকে প্রশ্নে বিঁধতে ছাড়েনি আদালত। ১৬২ নম্বর, ১৫৯ নম্বর-কে হাই জাম্পে টপকানোর রহস্যভেদ চায় হাইকোর্ট। তাই স্কুল সার্ভিস কমিশনের রিপোর্ট তলব করা হয়েছে। ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে রিপোর্ট দিতে নির্দেশ কমিশনকে। নবম-দশম, একাদশ-দ্বাদশ এই চার ক্লাসের শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় বসে ৮ লক্ষ নিয়োগপ্রার্থী।

২০১৬ সালে রাজ্যে প্রথম শুরু হয় স্টেট লেভেল সিলেকশন টেস্ট (এসএলএসটি)। প্রথম কয়েকটি পর্যায়ের নিয়োগেও একাধিকবার অভিযোগের কাঠগড়ায় দাঁড়িয়েছে কমিশন। আইনের গেরো কাটিয়ে নিয়োগ সম্পূর্ণ করেছে কমিশন।  এবারও কি তেমনটাই হবে?  নাকি অভিযোগের ঘনঘটায় ফের নিয়োগ প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হবে। উত্তর দেবে ভবিষ্যৎই।

First published: 08:19:58 PM Dec 02, 2019
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर