• Home
  • »
  • News
  • »
  • kolkata
  • »
  • CALCUTTA HIGH COURT ORDERS TO SEND NOTICE TO SUVENDU ADHIKARI IN NANDIGRAM ELECTION PETITION CASE FILED BY MAMATA BANERJEE DMG

Nandigram Case: নন্দীগ্রামে পুনরায় ভোট গণনা? শুভেন্দুকে নোটিশ হাইকোর্টের

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলায় শুভেন্দুকে নোটিস পাঠাতে নির্দেশ হাইকোর্টের৷

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ইলেকশন পিটিশন পদ্ধতি মেনে দায়ের হওয়ায় নির্বাচন কমিশনকেও এই মামলার নির্দেশের কপি দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি (Nandigram Case)।

  • Share this:

#কলকাতা: পুনরায় ভোট গনণা হবে নন্দীগ্রামে?  ইস্যু জিইয়ে রেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দায়ের করা মামলায় শুভেন্দু অধিকারীকে নোটিশ ধরাতে নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। নন্দীগ্রাম বিধানসভার ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার মামলার শুনানি হয় বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামলা গ্রহণ করে নন্দীগ্রামের জয়ী বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীকে নোটিশ ধরাতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। মামলার পরবর্তী শুনানি আগামী ১২ অগাস্ট। ২৪ জুন বিচারপতি কৌশিক চন্দ বেঞ্চের শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত হন মামলাকারী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন তাঁর আর আদালতে উপস্থিতির প্রয়োজনীয়তা নেই। এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়েছে বলে জানান বিচারপতি শম্পা সরকার। রুল ২৩ মেনে বিষয়টি সম্পূর্ণ হয়েছে, কারণ রেজিস্টার অরিজিনাল সাইড রিপোর্ট সেই তথ্য জানাচ্ছে বলে ভরা আদালতে জানান বিচারপতি শম্পা সরকার।

বিচারপতি শম্পা সরকার আরও জানান, পদ্ধতি মেনেই নন্দীগ্রাম ইলেকশন পিটিশন দায়ের হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইলেকশন পিটিশন পদ্ধতি মেনে দায়ের হওয়ায় নির্বাচন কমিশনকেও এই মামলার নির্দেশের কপি দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি।  নন্দীগ্রাম বিধানসভার সমস্ত নথি সংরক্ষণ করার নির্দেশ হাইকোর্টের। ইভিএম, ভিভিপ্যাট, ভিডিওগ্রাফি সহ সমস্ত নথি সংরক্ষণ করতে হবে।  হাইকোর্ট পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সমস্ত নথি সংরক্ষিত রাখার আদেশ জারি করেছে হাইকোর্ট।

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে হাইকোর্টের নির্দেশ কপি ধরাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে সমস্ত নথি সঠিকভাবে  সংরক্ষণ করা হয়।নন্দীগ্রামে ভোটে কারচুপির অভিযোগ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুনরায় গণনার আবেদন করেন তিনি। বেশ কিছু ইভিএমের গণনায় গড়মিলের অভিযোগ আনেন মুখ্যমন্ত্রী। যদিও নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর আবেদন খারিজ করেছিলেন।

২১ মে হাইকোর্টে ইলেকশন পিটিশন দায়ের করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি কৌশিক চন্দের বেঞ্চে মামলার শুনানি হওয়া নিয়ে বিস্তর জলঘোলা হয়। বিচারপতি চন্দের বিরুদ্ধে অনাস্থা জানিয়ে মামলা ছাড়ার আবেদন করা হয়। অনাস্থার অভিযোগ ওড়ালেও নতুন বিতর্ক এড়াতে মামলা ছাড়েন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। ৭ জুলাই মামলা ছাড়েন বিচারপতি কৌশিক চন্দ। তারপর মামলাটি শুনানির জন্য নির্দিষ্ট হয় বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে।

Published by:Debamoy Ghosh
First published: