‘যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কি নিজেদের কেমব্রিজ বা অক্সফোর্ড ভাবছে?’ প্রশ্ন হাইকোর্টের

ফাইল চিত্র ৷

এমটেক-এর ৩ পড়ুয়াকে ভর্তির নির্দেশ

  • Share this:

    #কলকাতা: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কি নিজেদের কেমব্রিজ বা অক্সফোর্ড ভাবছে? এম টেক ভরতি মামলায় তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের। অবিলম্বে তিন পড়ুয়াকে ভরতির নির্দেশ দিল আদালত। এই রায়ে ফের মুখ পুড়ল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের।

    যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে এনভায়রনমেন্টাল বায়োটেকনোলজিতে ১৯ জুলাই প্রবেশিকা পরীক্ষা হয়। পরীক্ষায় প্রথম হন টেকনো ইন্ডিয়া বিশ্ববিদ‍্যালয়ের অতুলনা দত্ত। পঞ্চম অর্ণব বন্দ‍্যোপাধ‍্যায়। এসসি কোটায় প্রথম হন টেকনোরই নির্মল সরকার। কিন্তু, এই তিনজনের কাউকেই ভর্তি নেয়নি যাদবপুর কর্তৃপক্ষ।

    আরও পড়ুন 

    শূন্য থেকে নম্বর বেড়ে হল ১৬২! WBCS পরীক্ষার খাতা তলব হাইকোর্টের

    তাদের যুক্তি ছিল, টেকনো ইন্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয় এআইসিটিই বা অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক‍্যাল এডুকেশনের অনুমোদিত নয়। পাল্টা টেকনো ইন্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয় দাবি করে,  তাদের কাছে ইউজিসির অনুমোদন রয়েছে। এরপর জল গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। ২৯ অগাস্ট বিচারপতি অরিন্দম সিনহা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন, অবিলম্বে ৩ পড়ুয়াকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ভর্তি নিতে হবে।

    সিঙ্গল বেঞ্চের সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ডিভিশন বেঞ্চে যায় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সোমবার সেই মামলারই শুনানি ছিল। সওয়াল জবাবের সময় আদালতের পর্যবেক্ষণ-

    -যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কি নিজেদের কেমব্রিজ বা অক্সফোর্ড ভাবছে? -যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ও টেকনো বিশ্ববিদ্যালয়ের হাওয়া কি আলাদা যে তিন পড়ুয়াকে নিয়ে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছে? -তিন পড়ুয়াকে কেন দোষী ভাবছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়? -টেকনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ পড়ুয়া যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়াদের সঙ্গে প্রবেশিকা পরীক্ষায় মেধার লড়াইয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। তাহলে তাঁদেরকে ভর্তি নয় কেন?

    আরও পড়ুন  চুল স্ট্রেট করার পরই বিপত্তি, সামলাতে না পেরে চরম পদক্ষেপ ছাত্রীর

    এরপরই বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত ও বিচারপতি প্রতীকপ্রকাশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চ তিন পড়ুয়াকেই অবিলম্বে এম টেক এনভায়রনমেন্টাল বায়োটেকনোলজিতে ভর্তির নির্দেশ দেয়। সিঙ্গল বেঞ্চের রায় কার্যকর না করায় এদিন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে তিরস্কৃত করে ডিভিশন বেঞ্চ।

    First published: